Blog

  • আগামী নির্বাচনে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে-সাবেক ফুটবলার আমিনুল

    আগামী নির্বাচনে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে-সাবেক ফুটবলার আমিনুল

    ৩১ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামীতে যে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, সে নির্বাচনে এদেশের জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। সেই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের কাছে সকল জবাবদিহিতা থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের ভালুকায় হবিরবাড়ী ইউনিয়ন সোনার বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে, হবিরবাড়ী স্পোর্টস একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত আরাফাত রহমান কোকো লক্ষ টাকা ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন। সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক আরও বলেন, বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এর সাথে কথা হয়েছে “আগামীতে ক্রীড়াঙ্গনকে দলীয় করণ বা রাজনৈতিক করণ করা হবে না”। দেশের জনগণ ও ক্রীড়া সংগঠক যারা রয়েছেন, তাঁদেরকে সাথে নিয়ে নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনকে সুন্দর করে করে সাজনো হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোর্শেদ আলম, যুগ্ম আহবায়ক মজিবুর রহমান মজু, আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্য এবং হবিরবাড়ী স্পোর্টস একাডেমির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান মামুন। হবিরবাড়ী স্পোর্টস একাডেমি’র ভাইস চেয়ারম্যান এম.এইচ.এম মামুন, উপদেষ্টা আতিকুল ইসলাম আতিক, শামীম আহমেদ, এমরামুল ইসলাম শাহিন, এমদাদুল হক খসরু, মোখলেছুর রহমান, আসাদুজ্জামান খোকন, শরিফ হাসানসহ অন্যরা।

  • বগুড়ায় বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

    বগুড়ায় বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

    বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার পিরব ইউনিয়নের দাইমূল্য এবং বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নের খাদুইল গ্রামে দিনব্যাপী এক দোয়া ও উঠান বৈঠক হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া করা হয়। একই সাথে আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ডা. ফিরোজ মাহমুদ ইকবাল। তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ অসুস্থ। তাঁর সাথে দেশের গণতন্ত্রও অসুস্থ। আমরা তারেক রহমানসহ সকল দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের সুস্থতা কামনা করি। ধানের শীষের বিজয় মানেই দেশের মুক্তি, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন: সিনিয়র সহ-সভাপতি শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি আলহাজ্ব ডা. আশিক মাহমুদ ইকবাল (স্বাধীন), মতিয়ার রহমান (মতিন), তিনবারের সাবেক মেয়র ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক, শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, এম এ মান্নান, আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী সমবায় দল, বগুড়া জেলা শাখা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এবিএম শাহিনুর ইসলাম সাজু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বিহার ইউনিয়ন বিএনপি, আলমগীর হোসেন – সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বুড়িগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি, মোঃ শাহ আলম – সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক, শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি যুব ও ছাত্রনেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: মোঃ হারুনুর রশিদ (হারুন), সাবেক সহ-সভাপতি, বগুড়া জেলা ছাত্রদল, মো. জাকারিয়া ইসলাম বিপ্লব, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, ছাত্রদল ও যুবদল, হাদিউল ইসলাম জিকো, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, হাবিবুল্লাহ মেজবাহ সৈকত, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক, পৌর যুবদল, হাসিন আরমান মাহিন – যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, শিবগঞ্জ সরকারি এমএইচ কলেজ, শাকিল মিয়া, আহ্বায়ক, উপজেলা সমবায়দল, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাদের মধ্যে ছিলেন: মো. আবু জাফর, মো. আইফুল ইসলাম (যুব নেতা), সরকার নূরনবী, মোঃ সাজু মিয়া, হিরা, মোঃ আব্দুল বাছেদ, মোঃ আলাবক্স চৌধুরী, মোঃ রনি ইসলাম, মোঃ আশরাফুল, মো. এনামুল হক সহ আরও অনেকে। এই দোয়া মাহফিল ও উঠান বৈঠকে বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিএনপি নেতৃবৃন্দ জনগণের দোরগোড়ায় যে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা নিয়েছেন, তা আগামী দিনের রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

  • মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি ॥ দগ্ধ অফিস সহকারী মাসুমার মৃত্যু

    মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি ॥ দগ্ধ অফিস সহকারী মাসুমার মৃত্যু

    রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আরও একজনের হয়েছে। তার নাম মাসুমা (৩২)। শনিবার সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শুক্রবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ দুর্ঘটনায় মারা গেছে ৩২ জন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে ৫১ জন। পরে শুক্রবার বিকেলে মাকিন (১৩) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। আর আজ সকালে জারিফ ফারহান ও মাসুমার মৃত্যু হলো। সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত ৩৫ জনের মৃত্যু ঘটলো এ দুর্ঘটনা। উল্লেখ্য, বিমান বিধ্বস্ত ও প্রাণহানির ঘটনায় পরদিন মঙ্গলবার একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে অন্তর্বর্তী সরকার। দেশের সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাাখা হয়। পাশাপাশি সকল সরকারি, বেসরকারি ভবন ও বিদেশে বাংলাদেশি মিশনেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ছিল। এছাড়া আহত-নিহতদের জন্য দেশের সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনারও আয়োজন করা হয়।

  • চট্টগ্রামে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া ছাত্রদল ও শিবির

    চট্টগ্রামে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া ছাত্রদল ও শিবির

    বছরখানেক আগেও চট্টগ্রামের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে সংঘাতে জড়াতেন। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাতারাতি বদলে যায় হাওয়া। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এখন উধাও। এ পরিস্থিতিতে বন্দরনগরীর বিভিন্ন ক্যাম্পাস দখলে নিতে মরিয়া ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম কলেজ, হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি কলেজ, কমার্স কলেজ, ইসলামিয়া কলেজসহ আরও কয়েকটি ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া ছাত্র সংগঠন দুটি। প্রকাশ্যে সহাবস্থানের রাজনীতির কথা বলা হলেও বাস্তবে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংগঠন দুটি একে অপরের শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির এরই মধ্যে সংঘর্ষেও জড়িয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার ‘শিক্ষাকেন্দ্র’ হিসেবে পরিচিত। এ এলাকায় রাস্তার এক পাশে সরকারি চট্টগ্রাম কলেজ, অন্য পাশে হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ। শুধু এ দুটি কলেজে কমবেশি ৩০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া চকবাজারের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী রয়েছেন লাখের কাছাকাছি। ফলে ছাত্র রাজনীতিতে সব সময় সরগরম এলাকাটি। এর মধ্যে সব ছাত্র সংগঠনের চোখ থাকে চট্টগ্রাম কলেজ ও হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের দিকে। চকবাজার এলাকায় রয়েছে অনেক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। ফলে এই দুটি কলেজে যে সংগঠনের আধিপত্য থাকে, তারাই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চাঁদাবাজি করে। জানা যায়, চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। গত ২১ নভেম্বর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। ২০০৯ সাল থেকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রাবাস বন্ধ ছিল। ১৬ বছর পর হলের আসন বরাদ্দের তালিকা প্রকাশ করে পলিটেকনিক কর্তৃপক্ষ। এর পর হলে প্রবেশ নিয়ে দুই সংগঠনের নেতাকর্মীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এভাবে আরও কয়েকটি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে মুখোমুখি অবস্থানে চলে গেছে সংগঠন দুটি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ছাত্রশিবির। বিশেষ করে ছাত্রদের ৯টি আবাসিক হলে ইতোমধ্যে কমিটিও গঠন করেছে সংগঠনটি। ছাত্রদলের পাঁচজনের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হলেও নিজেদের মধ্যে অন্তর্কোন্দলের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আধিপত্য তৈরি করতে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে ছাত্রদলকে।

  • নাটোরের বাগাতিপাড়ায় জুলাই পুনর্জাগরণে সমাজ গঠনে শপথ গ্রহণ

    নাটোরের বাগাতিপাড়ায় জুলাই পুনর্জাগরণে সমাজ গঠনে শপথ গ্রহণ

    নাটোরের বাগাতিপাড়ায় জুলাই পুনর্জাগরণে সমাজ গঠনে শপথ গ্রহণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি দু’টি পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে প্রথম পর্বে ভিডিও কনফারেন্সে জুলাই পুনর্জাগরণে সমাজ গঠনে লাখো কন্ঠে শপথ পাঠের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে সংযুক্ত থাকা এবং দ্বিতীয় পর্বে সমাজগঠনে নারী ও শিশুর সুরক্ষা বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফ আফজাল রাজন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রিয়াজুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিন আখতার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এ.কে.এম আফজাল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আরিফুল ইসলাম তপু, জামনগর ইউ.পি চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নাটোর জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ইসলাম রুমি সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন সংগঠন, সংস্থার নেতৃবৃন্দ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিংনগর সীমান্তে বিএসএফ’র ধাওয়ায় যুবক আহত

    সীমান্তে চোরাচালানের চেষ্টা ॥ স্থানীয়দের দাবী গুলিতে আহত দুই

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিংনগর সীমান্তে বিএসএফ’র ধাওয়ায় যুবক আহত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শিংনগর সীমান্তে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের সময় বিএসএফের ধাওয়ায় মোঃ সেলিম মিয়া (২৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক আহত হয়েছেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে গুলির ঘটনা অস্বীকার করেছে দুই পক্ষই। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে। তবে স্থানীদের দাবী বিএসএফ এর গুলিতে আহত হয়েছে দুই যুবক। স্থানীয়দের তথ্যে গুলিতে আহতরা মনাকষা ইউনিয়নের সাহাপাড়া মুন্সিপাড়া এলাকার পন্ডিতপাড়া গ্রামের আরিফুল ইসলাম হানিফের ছেলে সেলিম (২৫) ও মুন্নাপাড়া তারাপুরের সুলতানের ছেলে সুমন (২৮)। বিজিবি ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটে শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ৪/৫১-এস এর কাছে। গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ভোর ৪টার দিকে ২-৩ জনের একটি চোরাকারবারী দল সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করলে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দৌলতপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এতে দলটি দ্রুত বাংলাদেশে ফিরে পালাতে গেলে ওই সময় মোঃ সেলিম মিয়া আহত হন। আহত সেলিম মিয়া শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর পন্ডিতপাড়া গ্রামের মো. আরিফুল হক হানিফের ছেলে। ঘটনার পর শিংনগর বিওপি কমান্ডার বিএসএফের দৌলতপুর ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিএসএফ জানায়, তারা সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারীদের ধাওয়া করেছিল, তবে তাদের পক্ষ থেকে গুলি ছোঁড়া হয়নি। এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, শিংনগর সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের ৭১ ব্যাটালিয়নের দৌলতপুর সীমান্ত ক্যাম্পের সদস্যদের গুলিতে যুই যুবক আহত হয়েছেন। বিজিবি সূত্র জানায়, ঘটনার তদন্তে সেলিমের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে, উপস্থিত সদস্যরা কথা বলতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি এড়িয়ে যান। পিতা আরিফুল হক হানিফ বাড়িতে ছিলেন না। এ বিষয়ে শিবগঞ্জের স্থানীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলেন, সীমান্তে চোরাচালান এখনো এক বড় চ্যালেঞ্জ। এ ধরনের অনুপ্রবেশের ঘটনা রোধে বিজিবি-বিএসএফের সমন্বিত টহল ও তথ্যভিত্তিক যৌথ অভিযানের পরিমাণ বাড়াতে হবে। উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা অনেক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই গরু পাচার, মাদক চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে আসছে, যা মাঝে মধ্যেই প্রাণঘাতী পরিস্থিতির তৈরি করে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে বলেও জানা গেছে।

  • গোদাগাড়ীতে নায্যমূল্যের দোকানে সার পাচ্ছেনা কৃষক

    গোদাগাড়ীতে নায্যমূল্যের দোকানে সার পাচ্ছেনা কৃষক

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিসিআইসির সার ডিলার, মেসার্স জিকে ট্রেডার্স এর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি ও কৃষকদের হয়রানীর প্রতিবাদে ডিলারশীপ বাতিল ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে কৃষকদের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলার কাকনহাটে সারের দোকানে নায্যমূল্যে সার পাচ্ছেনা বলে এই বিক্ষোভ করেছে ভুক্তভোগী সাধারণ কৃষক। বিক্ষোভে এলাকার সকল প্রান্তিক কৃষক অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের দাবি সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারিভাবে ডিলারদের যে সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, সে সব সার ডিলাররা কালোবাজারী করে বাইরে বিক্রয় করে দিচ্ছে। যার দরকার ২ বস্তা তাকে দেয়া হচ্ছে ১০ কেজি। সরকারিভাবে যে সারগুলো দেয়া হয় সেগুলো নিয়ে তালবাহানা করার কারণে কৃষকরা সার পাচ্ছে না, ফলে বেশি দামে অন্য স্থান থেকে সার ক্রয় করতে হচ্ছে। কতিপয় কৃষক বলেন তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ করা হলেও কোন কাজ হয়নি। বস্তাপ্রতি সারের দাম ২০০/২৫০ টাকা করে বেশি নেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করছেন কৃষক। ডিলার একদিকে বলে সার নাই অন্য দিকে বেশি টাকা দিলেই সার বের করে দেয় বলে জানায় কৃষক আব্দুল জাব্বার। এমতাবস্থায় সারের মেমো চাইলে তিনি কৃষকদের সাথে অসৌজন্যমুলক আচরণ করে বলে জানায় বক্তারা। কৃষকরা আরো জানায়, কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদকে বিষয়টি জানালেও তিনি আমলে নিচ্ছেন না। এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থাও গ্রহন করেন নি। এঘটনায় ক্ষুদ্ধ এলাকার কৃষকগণ।

  • গাইবান্ধায় সাঘাটা থানার পুলিশের উপর হামলাকারী যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    গাইবান্ধায় সাঘাটা থানার পুলিশের উপর হামলাকারী যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    গাইবান্ধায় সাঘাটা থানার পুলিশের উপর হামলাকারী যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    গাইবান্ধার সাঘাটা থানায় এএসআই মহসিনকে ছুরিকাঘাত করে পালানো যুবকের লাশ একদিন পর পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাত ১০টায় থানায় ঢুকে এএসআই মহসিনকে ছুরিকাঘাত করে হামলাকারী পালিয়ে যায় এবং সাঘাটা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেয়। শুক্রবার সকালেই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ওই পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

    নিহতের পকেটে থাকা কাগজে গাইবান্ধা কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) খোলাহাটি গাইবান্ধা ঠিকানা অনুযায়ী প্রবেশপত্রে তার নাম সিজু মিয়া। পিতার নাম দুলাল মিয়া, মাতা রিক্তা বেগম। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, ২৪ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে থানার ভেতরে কর্তব্যরত এএসআই (সহকারী উপ-পরিদর্শক) মহসিনকে ছুরিকাঘাতে আহত করে পালিয়ে যায়। পরে আহত এএসআই মহসিনকে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়।

    এ বিষয়ে সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বাদশা আলম লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যের উপর হামলাকারী ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলো বলে ধরনা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • নাচোলে মেহমানখানার আতিথেয়তায় মুগ্ধ অসহায় মানুষগুলো

    নাচোলে মেহমানখানার আতিথেয়তায় মুগ্ধ অসহায় মানুষগুলো

    নাচোলে মেহমানখানার আতিথেয়তায় মুগ্ধ অসহায় মানুষগুলো

    নানান দেশের, নানান প্রান্তের, নানান মানুষ, নানান রকম কাজ করে সমাজে নানানভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে চাই, যা বেশিরভাগই নিজ, বড়জোর পরিবারের কাজে আসে। এমনও অনেক কাজ আছে যা শুধু ইহকাল নয়, পরকালকেই শান্তিময় করে তোলে। ঠিক এমনই উদ্যোগ নিয়ে চেয়ারম্যান পাড়া যুব সমাজ অসহায় মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে, হয়ে উঠেছে গরীববান্ধব একটি সংগঠনে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ শুক্রবার দিয়ে শুরু করে আজ অবধি কিছু পাড়ার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবরর্গের কাছ থেকে টাকা তুলে এ উদ্যোগ গ্রহণ করে তারা। এ সংগঠনের সভাপতি কবির হোসেন বলেন, ‘স্থানীয় চেয়ারম্যানপাড়ার যুব সম্প্রদায় মূলত এ কাজে আমাকে উৎসাহ ও সহযোগিতা করেছে। এমন কাজ আজীবন চালিয়ে যেতে চাই’। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোদা জানান, ‘মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অভিপ্রায়ে এ সংগঠনটির পথচলা। স্থানীয় যুব সম্প্রদায়ের সদস্য বিশেষ করে রুবেল, সোহেল, সুমন, দুলাল, রোকন, বড়কা, আহাদ, আশিক, দেলোয়ার, তুহিন,আবির, আরাফাতসহ আরও অনেকের সাহায্য ছাড়া এমন উদ্যোগ গ্রহণ সম্ভব ছিলনা। সর্বোপরি যারা এ কাজে আর্থিকভাবে সাহায্য করছেন, তাদেরকেও অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রয়োজনে এ সংগঠনের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করে যে কেউ এ মহৎ কাজে সাহায্য-সহযোগিতাও পাঠাতে পারেন বলে জানান তিনি’। এ বিষয়ে মেহেমানখানায় খেতে আসা বৃদ্ধা শরিফা বানু বলেন, ‘আমাদের এত সাধ্য নেই যে মাংস কিনে খেয়ে পরিবারের সবার সাথে বসে পেট পুরে খাবো। এরা যখন থেকে আয়োজন করে, আমি প্রায়ই খেতে আসি’। আর এক ষাটোর্ধ বৃদ্ধ ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘বয়স হয়ে গেছে, ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিয়ে কোনমতে জীবন পার করি। ভাল খাবার চাইলেও কিনতে পারিনা, তাই এখানে মাসে অন্তত একবার হলেও পেটপুরে ভাত খেতে পারি’। এ বিষয়ে এশিয়ান স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ইসাহাক আলি বলেন, ‘এ ধরনের কাজে সবসময়ই পাশে থাকতে চাই। আমি প্রায়ই এ আয়োজনে ছুটে আসি, ভাললাগার টানে, মানবতার টানে’। এছাড়াও বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসা থেকে ছুটে আসা এতিম, অসহায়সহ অন্যান্যরা এ আয়োজনে শরিক হয়ে থাকেন।

  • পানির অভাবে ভরা বর্ষায়ও পাট জাগ দিতে পারছেনা লালমনিরহাটের কৃষকরা

    পানির অভাবে ভরা বর্ষায়ও পাট জাগ দিতে পারছেনা লালমনিরহাটের কৃষকরা

    পানির অভাবে ভরা বর্ষায়ও পাট জাগ দিতে পারছেনা লালমনিরহাটের কৃষকরা

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ভরা বর্ষাও পানির অভাবে পাট জাগ দিতে না পেরে বিপাকে কৃষকরা। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় শুকিয়ে আছে খাল-বিল-ডোবাসহ সব ধরনের জলাশয়। আষাঢ় শেষে শ্রাবণ মাসেও বৃষ্টি না হওয়ায় পানির অভাবে পাট চাষিরা চরম বিপাকে পড়েছেন। পাট কাঁটার উপযোগী হলেও পানির অভাবে কৃষকরা তা কেটে জাগ দিতে পারছেন না। ফলে কৃষকরাা চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্থ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা জানান, পানির অভাবে তারা পাট জাগ দিতে পারছেন না। বৃষ্টির অপেক্ষায় থেকে জমিতেই রোদে পুড়ে লালচে হয়ে যাচ্ছে পাট। অনেকে আবার অপরিষ্কার পানিতে বাধ্য হয়ে জাগ দিচ্ছেন। এতে সোনালি আঁশের রঙ কালচে হওয়ায় বাজারে কাঙ্খিত দাম পাওয়া নিয়েও রয়েছে শঙ্কা। আবাদ ভালো হলেও লোকসানের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এদিকে, কৃষকদের আশঙ্কা, আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাত না হলে পাট চাষে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। প্রতি বছর একই সমস্যা সম্মুখীন হওয়ায় কৃষকরা পাট চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন। তাদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচ বাড়লেও বাজারে ন্যায্য মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায় জানান, কৃষি বিভাগ সব সময় পাট চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করছে এবং চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এ বছর উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ৩৮০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। পাট চাষে একটা উপকারিতা আছে, পাটের যে পাতা জমিতে পড়ে সে পাতা পচে জৈব সার তৈরি হয়। ফলে জমির উর্বরতা বেড়ে যায়। যে কোন ফসল করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে ৮০ ভাগ জমির পাট কাটা হয়েছে। দুই-চার দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাত হলে পাট চাষিদের এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।