Blog

  • নাচোলে সাপের দংশনে দুই নারীর মৃত্যু

    নাচোলে সাপের দংশনে দুই নারীর মৃত্যু

    নাচোলে সাপের দংশনে দুই নারীর মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সাপে কাটা পড়ে ২ জন নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। মৃত ব্যক্তি নাচোল মাধবপুর গ্রামের আব্দুল্লাহিল কাফির স্ত্রী শাহিদা বেগম (৩৫) ও খ্যাসবা রেললাইন পাড়ার শাজাহানের স্ত্রী লতিফা বেগম (৪৫)। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাচোল থানার এস.আই জিয়াউর রহমান।

    বুধবার (২৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে শাহিদা সবজি কাটা বটি ধার দিতে গেলে সেখানেই সাপটি তাকে কামড়ে দেয়। সাপে কাটার পর গ্রামের স্থানীয় ওঝার কাছে গেলে ওঝা চিকিৎসা শেষে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। পরে পরিস্থিতি খারাপ দেখলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে বেলা ৯টার দিকে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, লতিফা বেগমকে সাপে কাটলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। উল্লেখ্য যে, তাদের গোখরো সাপে দংশন করে ও পরে সাপগুলোকে মারা হয়।

  • মাইলস্টোনে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষকদলের দোয়া মাহফিল

    মাইলস্টোনে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষকদলের দোয়া মাহফিল

    মাইলস্টোনে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষকদলের দোয়া মাহফিল

    রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সাম্প্রতিক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থীদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫ টায় উদয়ন মোড় কেন্দ্রীয় বহুমুখী সমবায় সমিতির কার্যালয়ে এ মাহফিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখা। দোয়া মাহফিলে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে কুরআন তিলাওয়াত, মোনাজাত ও বিশেষ বক্তব্য রাখা হয়।

    এছাড়া দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানান উপস্থিত নেতৃবৃন্দ। বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ তসিকুল ইসলাম তসি। এ সময় শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মোঃ রেজাউল করিম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর কৃষকদলের আহবায়ক মোঃ ইউসুফ আলী লাভলু, সদস্য সচিব মোঃ আশিফ ইকবাল, সাবেক পৌর কাউন্সিলর মোঃ আঃ বারেকসহ অন্যরা। এসময় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কৃষক দল, যুব দল ও সেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    দোয়া মাহফিল শেষে সকল শহীদ শিক্ষার্থীর পরিবারদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন শহরের উদায়ন মোড়স্থ বায়তুল জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ ওয়াকিল। দোয়া শেষে কেন্দ্রীয় বহুমুখী সমবায় সমিতি মার্কেটের পার্শে একটি আম গাছের চারা রোপণ এবং বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করা হয়।

  • নাটোরে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে মাইক্রো-ট্রাক সংঘর্ষ ॥ নিহত ৬

    নাটোরে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে মাইক্রো-ট্রাক সংঘর্ষ ॥ নিহত ৬

    নাটোরে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে মাইক্রো-ট্রাক সংঘর্ষ ॥ নিহত ৬

    নাটোরের বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে মাইক্রোবাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ৬ জন নিহত হয়েছে। বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার তরমুজ পাম্প এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এসময় আহত হয়েছেন আরো দুজন। তাদেরকে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসক। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতদের মধ্যে চালকের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার নবী সুদ্দিনের ছেলে রুবেল হোসেন। বাকীদের পরিচয় সনাক্তে কাজ করছে পুলিশ। এসময় মহাসড়কের প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। নাজিম উদ্দিন নান্নু নামের এক প্রত্যক্ষ্যদর্শী বলেন, ঢাকা থেকে রাজশাহী গামী সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-২৪-৪৮৬৪) বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের তরমুজ তেল পাম্প এলাকায় পৌঁছালে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী হাইচ মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের (ঢাকা মেট্রো চ ১৬-৯৭৯২) ভিতরে চাপা পরে চালকসহ ৫ জন নিহত হন। খবর পেয়ে বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশ, বনপড়া ও গুরুদাসপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে থেকে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে একজনের মৃত্যু হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডলি রানী বলেন, আহত অবস্থায় হাসপাতালে তিনজনকে নিয়ে আসা হয়। তার মধ্যে এক জনের মৃত্যু হয়। বাকী দুইজনকে রাজশাহী মেডেকেল কলেজ হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে। বনপাড়া হাইওয়ে থানার পরিদর্শক ইসমাইল হোসেন বলেন, নিহতদের পরিচয় সনাক্তে যানজট নিরসনে কাজ করছে পুলিশ। এঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • ১৭ রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

    ১৭ রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

    ১৭ রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

    অন্তর্বর্তীকালিন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের আরও ১৩টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনায় বসেছেন। বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক শুরু হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা। রাতে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ; জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান। বৈঠক শেষে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের জানান, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। উপদেষ্টা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ মোকাবেলার প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো দ্বিমত নেই। এই ঐক্যে কোনো মতপার্থক্য নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাজনৈতিক নেতারা। নির্বাচনকে সামনে রেখে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আহ্বান জানিয়েছে দলগুলো। আসিফ নজরুল আরও বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্য আরও দৃশ্যমান করতে আহ্বান জানিয়েছেন। রাজনীতির মাঠে মত-দ্বিমত থাকবেই, পক্ষ-বিপক্ষ বক্তব্য থাকবেই, দলগুলোর থেকে সরকারকে জানানো হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, দেশের মানুষ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য দেখতে চায়। ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রশ্নে দলগুলোর মধ্যে হতাশা বা প্রশ্ন নাই। তারা প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধুনিক যন্ত্রের প্রভাবে হারিয়ে যাচ্ছে লাঙ্গল দিয়ে হাল-চাষ!

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধুনিক যন্ত্রের প্রভাবে হারিয়ে যাচ্ছে লাঙ্গল দিয়ে হাল-চাষ!

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধুনিক যন্ত্রের প্রভাবে হারিয়ে যাচ্ছে লাঙ্গল দিয়ে হাল-চাষ!

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে সবকটি আধুনিক যন্ত্রের প্রভাবে হারিয়ে যাচ্ছে লাঙ্গল দিয়ে হালচাষ। কালের বিবর্তনে আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে সেই মানব সভ্যতার সোনালী অতীত-ঐতিহ্য। ঠিক তেমনি দেশের বরেন্দ্র জনপদের সবজির ভান্ডার হিসেবে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের সেই লাঙ্গল দিয়ে জমি চাষ এখন শুধুই স্মৃতি। দুই দশক আগেও দেখা যেত সেই কাক ডাকা ভোরে কৃষকরা গরু ও কাঁধে লাঙল-জোয়াল নিয়ে বেরিয়ে যেতেন মাঠের জমিতে হালচাষ করার জন্য। বর্তমানে আধুনিকতার প্রভাবে ও প্রযুক্তির নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে কৃষকদের জীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। আর সেই পরিবর্তনের ছোঁয়াও লেগেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি জমিতে। তাই আর সকালে কাঁধে লাঙল-জোয়াল নিয়ে কষ্ট করে মাঠে যেতে দেখা যায় না কৃষকদের।

    কৃষি প্রধান বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষক-কৃষাণীর সেই লাঙল জোয়াল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় হাল চাষের নতুন দিগন্তের সৃষ্টি হওয়া লাঙল-জোয়ালের পরিবর্তে এখন ট্রাক্টর অথবা পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করা হয়। এক সময় জেলার প্রতিটি উপজেলা ও পৌরসভায় বাণিজ্যিকভাবে কৃষক গরু, মহিষ পালন করত হাল চাষ করার জন্য। আবার অনেকে গবাদিপশু দিয়ে হাল চাষকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে ছিলেন। আবার অনেকে, ধান, গম, ভুট্টা, তিল, সরিষা, কলাই, আলু প্রভৃতি চাষের জন্য ব্যবহার করতেন। নিজের সামান্য জমির পাশাপাশি অন্যের জমি বর্গা নিয়ে হাল চাষ করে তাদের সংসারের ব্যয়ভার বহন করতেন। হালের গরু দিয়ে দরিদ্র মানুষ জমি চাষ করে ফিরে পেতেন তাদের পরিবারের সচ্ছলতা। আগে দেখা যেত ফজর নামাজের পর বা তার পূর্বে কৃষক গরু, মহিষ, লাঙল, জোয়াল নিয়ে মাঠে বেড়িয়ে পড়তেন। এখন আর চোখে পড়ে না সেই দৃশ্য। জমি চাষের প্রয়োজন হলেই অল্প সময়ের মধ্যেই পাওয়ার টিলারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে চালাচ্ছে জমি চাষাবাদ। ফলে অনেক কৃষক এখন পেশা বদল করে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন বলে বেশ কয়েকজন কৃষক জানান।

  • নওগাঁয় র‌্যাব এর অভিযানে ২ প্রতারক গ্রেফতার

    নওগাঁয় র‌্যাব এর অভিযানে ২ প্রতারক গ্রেফতার

    নওগাঁয় র‌্যাব এর অভিযানে ২ প্রতারক গ্রেফতার

    প্রতারণা মামলার ২জন আসামীকে নওগাঁ জেলার পত্নীতলা থানাধীন চক-কাদিয়া ও নওগাঁ সদর থানাধীন কৃত্তিপুর বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫। র‌্যাব-৫ সিপিসি-৩ এর একটি আভিযানিক দল ২২ জুলাই প্রতারণা মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী মোঃ নোমান ইসলাম (১৯), পিতা-মোঃ আব্দুর রকিব, সাং-হরিপুর থানা-পত্নীতলা জেলা-নওগাঁকে পত্নীতলা থানাধীন চক-কাদিয়া এলাকা থেকে এবং মোঃ সৈকত হোসেন (২৯), পিতা-লেলিন মন্ডল, সাং-তাস কান্দি, থানা-সদর, জেলা-নওগাঁ কে নওগাঁ সদর থানাধীন কৃত্তিপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত ১১/০৫/২০২৫ইং সকাল ১০:০০ ঘটিকার সময় মোঃ জয়নুল আবেদীন (৪০), পিতা-মৃত রহমত আলী, সাং-এনডিসি, মিরপুর সেনানিবাস, পল্লবী মিরপুর, ঢাকাকে তার টেলি গ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ এ অজ্ঞাত ব্যক্তি/বাক্তিরা মেসেজ প্রদান করে তাকে অনলাইনে কিছু কাজ করার জন্য আকৃষ্ট করে। জয়নুল আবেদীন তাদের সাথে অন লাইনে উক্ত কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করলে তারা তাদের ওয়েবসাইট– Link-(https://web.bvfpi.top.https://t.me/binanceannouncements, https://t.meFreelancerFarzana1234) প্রদান করে। এক পর্যায়ে তারা জয়নুল আবেদীন এর সরলতার সুযোগ নিয়ে কয়েক ধাপে বিকাশ নাম্বার এবং একাউন্টসের মাধ্যমে তার কাছ থেকে সর্বমোট ১১ লক্ষ ১৫ হাজার ৪২০/- টাকা হাতিয়ে নেয়। জয়নুল আবেদীন তাদের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তারা আরও ১০ (দশ) লক্ষ টাকা দাবী করে। তখন জয়নুল আবেদীন বুঝতে পারেন যে, তিনি প্রতারণার স্বীকার হয়েছেন। উক্ত ঘটনায় জয়নুল আবেদীন বাদী হয়ে ডিএমপির পল্লবী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে ডিএমপির পল্লবী থানার মামলা নং-৪৬ তারিখ-১৬/০৫/২০২৫, ধারা-৪০৬/৪২০/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়। সংশ্লিষ্ট থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলাটি তদন্তকালে দেখেন, উক্ত ঘটনায় জড়িত আসামীরা নওগাঁ জেলায় অবস্থান করছে। অতঃপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বর্ণিত আসামীদের গ্রেফতারে সহায়তা করার জন্য -র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার বরাবর অধিযাচনপত্র প্রেরণ করলের-র‌্যাব, সিপিসি-৩ এর একটি আভিযানিক দল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে উক্ত মামলার পলাতক নোমান ইসলাম (১৯) নওগাঁ জেলার পত্নীতলা থানাধীন চক-কাদিয়া এলাকা থেকে এবং সৈকত হোসেন (২৯) কে নওগাঁ সদর থানাধীন কৃত্তিপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের ডিএমপি’র পল্লবী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনার সহিত জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

  • পুলিশ-সেনা কর্মকর্তাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

    পুলিশ-সেনা কর্মকর্তাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

    যুবদলকর্মী আসিফ শিকদারের মৃত্যু

    পুলিশ-সেনা কর্মকর্তাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

    ৩০ রাউন্ড গুলিসহ চাঁদাবাজি মামলার আসামি যুবদল কর্মী আসিফ শিকদারের মৃত্যুর ঘটনায় ৫ পুলিশ সদস্য ও ৩ সেনা কর্মকর্তাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। বুধবার (২৩ জুলাই) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালতে এ মামলা করেন নিহত আসিফ শিকদারের মা স্বপ্না বেগম। এসময় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
    মামলায় মোট ১১ জন আসামীরা তারা হলেন, রাজধানীর শাহআলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মতিউর রহমান, ডিএমপির দারুস সালাম জোনের এসি এমদাদুল হক, এডিসি জাকারিয়া, ডিএমপির মিরপুর ডিভিশনের ডিসি মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান, সায়েন্সল্যাব সেনাক্যাম্পের মেজর মুদাব্বির, ক্যাপ্টেন তাম্মাম ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার সিরাজ, আবুল কালাম আজাদ লেলিন, ফর্মা খলিল ও সিএনজি ফরিদ। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ২০ জুলাই দিনগত রাতে ভুক্তভোগী আসিফ শিকদারকে শাহআলী থানাধীন সি ব্লকের বাসা থেকে জোরপূর্বক হাত পা বেধে শাহআলী থানায় নিয়ে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
    জানা গেছে, সোমবার (২১ জুলাই) ভোরে রাজধানীর মিরপুরে ৩০ রাউন্ড গুলিসহ নিহত আসিফ শিকদারসহ যুবদলের ৩ নেতাকর্মীকে আটক করে যৌথবাহিনী। আটকের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আসিফ শিকদারের মৃত্যু হয়। গ্রেফতার অন্য আসামিরা হলেন মো. শাকিল ও মো. সাইফুল। এর মধ্যে আসিফ শিকদার শাহআলী থানার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ড (সাংগঠনিক ওয়ার্ড) ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব ও একই ওয়ার্ডের যুবদলের সেক্রেটারি পদপ্রার্থী ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে যৌথবাহিনীর একটি টিম শাহআলী থানাধীন মিরপুর ১ নম্বর নিউ সি ব্লক এলাকার ২২ নম্বর রোডের একটি বাড়ি এবং এ ব্লকের ৭ নম্বর রোডের আরেকটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে যুবদলের ৩ নেতাকর্মীকে আটক করে। এসময় আসামিদের কাছ থেকে ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সায়েন্সল্যাব এলাকার সেনা ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৩ আসামিকে শাহআলী থানায় হস্তান্তর করেন যৌথবাহিনীর সদস্যরা। এক পর্যায়ে দুপুর ১২ টার দিকে গ্রেফতার আসামি আসিফ শিকদারসহ অন্য ২ আসামি অসুস্থ হয়ে পড়লে শাহ আলী থানার এসআই মো. আল ইমরান চিকিৎসার জন্য পুলিশের গাড়ি করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসিফকে মৃত ঘোষণা করেন। জানা গেছে, আসিফ শিকদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও শাহ আলী থানা ঘেরাওয়ের মামলা রয়েছে। সম্প্রতি মিরপুর মডেল থানার একটি চাঁদাবাজির মামলায় তিনি জেল থেকে বের হয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারির ২৪ তারিখে আসিফসহ ১৬ জনকে আসামি করে মিরপুর মডেল থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা হয়।

  • চলে গেলেন পত্নীতলার সমাজ সেবক শেখ লুৎফর রহমান

    চলে গেলেন পত্নীতলার সমাজ সেবক শেখ লুৎফর রহমান

    চলে গেলেন পত্নীতলার সমাজ সেবক শেখ লুৎফর রহমান

    নওগাঁর পত্নীতলায় উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের চকজয়রাম নিবাসী বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ লুৎফর রহমান (৭০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না … রাজেউন)। ২২ জুলাই নওগাঁর পত্নীতলায় নজিপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের চকজয়রাম নিবাসী শেখ মোঃ লুৎফর রহমান আনুমানিক সকাল ১০ ঘটিকার সময় স্ট্রোক করে মারা যায়। মৃত্যুকালে তিনি শুধুমাত্র স্ত্রী ও এক ছেলে সন্তান রেখে যান। তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও চকজয়রাম নুরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সহ-সভাপতি পদে দীর্ঘ দিন যাবত দায়িত্ব পালন করছেন। ছেলে ফরহাদ সিঙ্গাপুর থাকতেন, রাতে তিনি দেশে ফিরলে ২৩/০৭/২০২৫ ইং বুধবার বাদ জোহর চকজয়রাম নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের নামাজের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। চকজয়রাম নুরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার মহাতামিম এবং নজিপুর বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, আজ আমরা এক অপূরণীয় শূন্যতার সাক্ষী হলাম। মাদ্রাসার অন্যতম হিতাকাঙ্খী, আমাদের প্রাণপ্রিয় শুভাকাঙ্খী, নিঃস্বার্থপরায়ণ মানুষ শেখ লুৎফর রহমান সাহেব আর আমাদের মাঝে নেই। একজন মানুষ কতটা ভালো হলে সবাই তার কথা হৃদয়ে রাখে, তিনি ছিলেন তেমনই একজন। নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, নিরব দানশীলতা আর মাদ্রাসার প্রতিটি ইট-পাথরে তাঁর মমতার ছোঁয়া লেগে আছে। তিনি কখনো সামনে এসে কিছু চাননি, কিন্তু পিছনে থেকে নিরবে অগণিত কাজ করে গেছেন, মাদ্রাসার জন্য, ইসলামের জন্য। আজ তিনি চিরবিদায় নিয়েছেন। আমরা শোকাহত, বাকরুদ্ধ। মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র ও পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে আমরা গভীরভাবে শোক প্রকাশ করছি। আল্লাহ যেন তাঁর সমস্ত নেক আমল কবুল করে তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মা ও রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি জানাচ্ছি আন্তরিক সমবেদনা।

  • নওগাঁয় নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    নওগাঁয় নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    নওগাঁয় নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    নওগাঁর পোরশায় নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের শীতলি ফকিরপাড়া গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন-শীতলী ফকিরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে হাই বাবু (৪৭) এবং তার স্ত্রী মোমেনা বেগম (৩৫)। স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্বাভাবিক দিনের মতোই স্বামী-স্ত্রী এবং তার ছোট দুই মেয়েকে নিয়ে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে তার মেয়ে দেখেন তার মা বিছানায় পড়ে রয়েছেন এবং তার বাবা গলায় রশি দিয়ে তীরের সঙ্গে ঝুলছেন। ঘরের দরজা খুলে তার ছোট মেয়ে আশেপাশের প্রতিবেশীদেরকে বিষয়টি জানায়। প্রতিবেশীরা এসে দুজনকেই মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। পোরশা থানা পুলিশের ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, স্থানীয়রা খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। মরদেহ গুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে।

  • পাবনায় স্বেচ্ছশ্রমে সরকারি সড়ক সংস্কার করছেন এলাকাবাসী

    পাবনায় স্বেচ্ছশ্রমে সরকারি সড়ক সংস্কার করছেন এলাকাবাসী

    পাবনায় স্বেচ্ছশ্রমে সরকারি সড়ক সংস্কার করছেন এলাকাবাসী

    এলাকাবাসীর উদ্যোগে পাবনা জেলা শহরের আতাইকুলা সড়কটি সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কেউ ইট, কেউবা বালু দিয়েছেন। কেউ দিয়েছেন নগদ টাকা, কেউবা শ্রম। স্বতস্ফুর্তভাবে স্থানীয় লোকজন এ কাজে অংশ নিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে জেলা শহরে প্রবেশ আতাইকুলা সড়কটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। সড়কটিকে অনেকে জেলা শহরের প্রবেশদ্বার বলে থাকেন। প্রতিদিন হাজার হাজার ছোট বড় যানবাহন সড়কটি দিয়ে চলাচল করে। এই সড়কটির দুই পাশে রয়েছে শহরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, একটি বৃহত কলেজ, শহর পুলিশ ফাঁড়ি, দুইটি বড় স্কুল, কয়েকটি মসজিদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। কিন্তু র্দীঘদিন মেরামত না করায় পুরো সড়কে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলেই সড়কটিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। যানবাহন চলতে গেলে ঘটছে দুর্ঘটনা। শিত দুর্ভোগের পরেও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সড়কটি মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয় নি। পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে বার বার জানানো হলেও কোনো কর্ণপাত করেনি। ফলে শেষ পর্যন্ত এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে সড়কটি মেরামতের কাজ শুরু করেছে। মেরামতের কাজটিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সড়কের পাশের বাসিন্দা পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক সাংবাদিক নেতা আঁখিনুর ইসলাম রেমন। তিনি বলেন, ভাঙা সড়কটিতে চলতে গিয়ে মানুষ নাজেহাল হচ্ছিল। চোখের সামনে মানুষের কষ্ট দেখে আমরা নিজেরাই সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। মাত্র ৪ হাজার টাকা ও কিছু ইট বালু নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এরপর যে যা পারে তা দিয়ে সড়ক সংস্কারের কাজে এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে আমরা দুই লক্ষাধিক টাকা খরচ করেছি। কাজ এখনও চলছে। অনেকে রাতের আধারে ট্রাকে করে ইট ফেলে যাচ্ছেন। বুধবার (২৩ জুলাই) সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ১ কিলোমিটার সড়কটির আধা কিলোমিটার পুরোপুরি চলাচলের অযোগ্য। এলাকাবাসীর উদ্যোগে সড়ক সংস্কার কাজ চলছে-এমন লেখা সাইনবোর্ড দিয়ে চলছে সংস্কার কাজ। সড়কের দুই পাশের বাসিন্দাদের অনেকেই বাড়ি ছেড়ে সড়কে এসেছেন। কেউ কাজ তদারাকি করছেন, কেউবা নিজেই কাজে লেগেছেন। স্থানীয়রা বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য বহু তদবির করা হয়েছে। সংস্কারের দাবি এলাকাবাসী মানববন্ধন পর্যন্ত করেছেন। কিন্তু কিছুতেই পৌরসভার কর্তৃপক্ষ সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি। তাই তারা নিজেরাই সংস্কার কাজ শুরু করেছেন। পাবনা পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. ওবায়দুল হক বলেন, পৌরসভা এলাকার মোট সড়কের প্রায় অর্ধেকই দীর্ঘদিন মেরামত করা হচ্ছে না। মূলত পৌরসভার অর্থাভাবেই আমরা কিছু করতে পারছি না। অর্থ বরাদ্দের জন্য চেষ্টা চলছে। অর্থ পেলেই সড়কটি প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।