Blog

  • তথ্য পেতে বাধা দিলে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা জরিমানার সুপারিশ

    তথ্য পেতে বাধা দিলে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা জরিমানার সুপারিশ

    তথ্য পেতে বাধা দিলে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা জরিমানার সুপারিশ

    তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে ‘তথ্য অধিকার আইন-২০০৯’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের মতামত চাওয়া হয়েছে। আইনের একটি ধারার নতুন খসড়ায় বলা হয়েছে, তথ্য পেতে বাধা দিলে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করতে পারবে তথ্য কমিশন, যা বর্তমানে ৫ হাজার টাকা রয়েছে। পর্যালোচনা ও সংশোধনের জন্য গত ১০ জুলাই এ আইন সংশোধনের খসড়া অনলাইনে উন্মুক্ত করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। খসড়ায় ৪টি ধারা সংশোধনের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫, ৬, ৭ ও ২৭ নম্বর ধারা। সংশোধনী প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কোনো কর্তৃপক্ষ তথ্য গোপন করবে না বা এর সহজলভ্যতাকে সীমাবদ্ধ করবে না। এর মধ্যে রয়েছে-প্রস্তাবিত বাজেট, প্রকৃত আয় ও ব্যয় এবং অন্যান্য আর্থিক তথ্য, সম্পূর্ণ অডিট প্রতিবেদন এবং মূল্যায়ন, সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া, দরপত্র আবেদনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মানদণ্ড এবং ফলাফল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, চুক্তির অনুলিপি, চুক্তির প্রতিবেদন এবং এ-সংক্রান্ত সরকারি তহবিলের অন্যান্য ব্যয়। এছাড়া, প্রতিটি সংস্থার জন্য বরাদ্দ করা বাজেট, পরিকল্পনা, প্রস্তাবিত ব্যয় এবং মঞ্জুর করা অর্থ বিতরণের বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে। এছাড়াও প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করবে, যেখানে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকার কথা বলা হয়েছে। চারটি সংশোধনী মূলত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব থেকে এসেছে। এ ইস্যুতে মতামত চেয়ে খসড়া আইনটি আমরা অনলাইনে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। যে কেউ মতামত দিতে পারবেন। এটি নিয়ে ইতোমধ্যে দুটি বৈঠক হয়েছে। নতুন করে আরও প্রস্তাব এলে সেগুলো নিয়েও কাজ করবে কমিশন।
    ২৭ নম্বর ধারায় সংশোধন: বর্তমান আইনের ২৭ নম্বর ধারায় তথ্য পেতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির শাস্তির বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারায় সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান আইনে বলা আছে, কেউ তথ্য প্রাপ্তির পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, এমন কাজের তারিখ থেকে প্রতিদিন ৫০ টাকা হারে জরিমানা আরোপ করতে পারবে তথ্য কমিশন। এ জরিমানা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা হবে। আইনের নতুন খসড়ায় বলা হয়েছে, কেউ তথ্য প্রাপ্তির পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, প্রতিদিন ২৫০ টাকা হারে জরিমানা আরোপ করতে পারবে তথ্য কমিশন। এ জরিমানা হবে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা। এতে আরও বলা হয়েছে, অপকর্ম বা দুর্নীতি আড়াল করার জন্য তথ্য প্রদানে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হলে জরিমানা আরোপ বাধ্যতামূলক হবে। ৭ নম্বর ধারায় সংশোধন: আইনের ৭ ধারায় ‘কতিপয় তথ্য প্রকাশ বা প্রদান বাধ্যতামূলক নয়’ অংশে ২টি উপ-ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এই উপ-ধারায় জনস্বার্থ বিবেচনায় সরকারি কর্তৃপক্ষ কিছু কিছু ক্ষেত্রে তথ্য প্রবেশাধিকার অনুমতি দিতে পারবে। আইনের ৬ ধারায় যে সংশোধন: আইনের ৬ নম্বর ধারায় ‘তথ্য প্রকাশ’-এর বিষয়ে বলা আছে। এর ১ নম্বর উপ-ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ তার গৃহীত সিদ্ধান্ত, কার্যক্রম কিংবা সম্পাদিত বা প্রস্তাবিত কার্যধারার সব তথ্য নাগরিকদের কাছে সহজলভ্য হয়-এমন সূচিবদ্ধ করে প্রকাশ ও প্রচার করবে। ২ নম্বর উপ-ধারায় বলা হয়েছে, উপ-ধারা ১-এর অধীন তথ্য প্রকাশ ও প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো কর্তৃপক্ষ কোনো তথ্য গোপন করতে বা এর সহজলভ্যতাকে সঙ্কুচিত করতে পারবে না। এর ৩ নম্বর উপ-ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ প্রতিবছর নির্দিষ্ট কিছু তথ্য অন্তর্ভুক্ত করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। এ ধারার সংশোধনীতে বলা হয়েছে, প্রতিটি কর্তৃপক্ষ সব তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করবে। গৃহীত সিদ্ধান্ত, সম্পাদিত বা প্রস্তাবিত কার্যধারা বা কার্যকলাপ প্রকাশ করতে হবে, যাতে নাগরিকেরা সহজেই তথ্য প্রাপ্তির সুযোগ পান। আইনের ৫ নম্বর ধারার সংশোধনী: ৫ নম্বর ধারার সংশোধনীতে বলা হয়েছে, এই আইনের অধীনে তথ্য অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি কর্তৃপক্ষ সব তথ্যের ক্যাটালগ এবং সূচি প্রস্তুত করবে এবং যথাযথ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব খাদিজা তাহেরা ববি বলেন, এই ৪টি সংশোধনী মূলত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব থেকে এসেছে। এ ইস্যুতে আমরা মতামত চেয়েছি। তিনি বলেন, খসড়া আইনটি আমরা অনলাইনে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। যে কেউ মতামত দিতে পারবেন। আমরা এটি নিয়ে ইতোমধ্যে দুটি বৈঠক করেছি। নতুন করে আরও প্রস্তাব এলে সেগুলো নিয়েও কাজ করবো।

  • সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবি-ডিএনসি’র অভিযানে মাদক ও নগদ টাকাসহ আটক-৩

    সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবি-ডিএনসি’র অভিযানে মাদক ও নগদ টাকাসহ আটক-৩

    সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবি-ডিএনসি’র অভিযানে মাদক ও নগদ টাকাসহ আটক-৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে মাদকদ্রব্য ও নগদ টাকাসহ ৩ জন আটক হয়েছে। আটককৃতরা হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ পিরোজপুর গ্রামের মোঃ হাবিবুর রহমানের ছেলে মোঃ আমীর হোসেন ও মোঃ বাহাদুর হোসেন (২৫), একই এলাকার মোঃ জমির হোসেনের স্ত্রী মোসাঃ জেসমিন (২৫)। ৫৯ বিজিবির এক প্রেসনোটে জানানো হয়, সোমবার (২১ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে অত্র ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ সোনামসজিদ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৮৫/২-এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শিবগঞ্জ থানাধীন শাহাবাজপুর ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামস্থ মোঃ আমীর হোসেন এর বাড়ীতে বিজিবি এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চালাানো হয়। অভিযানে ৩ জনকে আটকসহ ৮৯ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, ৫৬৫ পিস ইয়াবা এবং নগদ ১১ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। আসামীসহ জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এবং নগদ টাকার ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মহানন্দা ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় অপারেশনাল কার্যক্রম বৃদ্ধি করাসহ প্রয়োজনে আরো অধিক পরিমাণে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

  • রাজশাহীর বারনই-ফকিরন্নী নদীর পানি ছুটছে উজানে

    রাজশাহীর বারনই-ফকিরন্নী নদীর পানি ছুটছে উজানে

    রাজশাহীর বারনই-ফকিরন্নী নদীর পানি ছুটছে উজানে

    রাজশাহীর বাগমারার বারনই-ফকিরন্নী নদীর পানি বরাবর ভাটির দিকে (নীচে) গেলেও এবারে ওই নদীর পানি উজান দিকে ছুটছে। হঠাৎ করে এমন পরিবর্তন দেখে অবাক স্থানীয়রা। জানা গেছে, উপজেলার প্রধান দুই নদী বারনই ও ফকিরন্নী নদী। এই দুই নদীর পানি পশ্চিম দিক হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। কিন্তু গত ৫/৬ দিন ধরে এই দুই নদীর পানি পূর্ব দিকে না গিয়ে (পশ্চিম) দিকে যাচ্ছে। পনির গতি পরিবর্তন হওয়া নিয়ে চলছে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা। প্রতিদিনই উপজেলার দেউলিয়া গ্রামের নীচ দিয়ে বয়ে যাওয়া ফকিরন্নী নদীর গতি দেখতে কয়েকজন উৎসক জনতা ভীড় জমাই। পানির এমন উপরে (উজানে) যাওয়ার দৃশ্য এর আগে তারা দেখেনি বলে বলাবলি করছিল। তবে উজান ভাটির এই দেশে বিচিত্র রুপে ভরা। এমনটি দেখে অবাক হবার কোন কারণ নেই বলছেন পানি বিশেষজ্ঞমহল। তাদের মতে, নদীর পানি সাধারণত ভাটির দিকে, যেদিকে নদী সমুদ্রে বা অন্য কোনো বৃহৎ জলাধারের দিকে প্রবাহিত হয়। কিন্তু কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে নদীর পানি উজানের দিকেও প্রবাহিত হতে পারে। এটি সাধারণত ঘটে, যখন নদীর মোহনার দিকে পানির স্তর বেড়ে যায়, যা নদীর স্বাভাবিক গতি বাধাগ্রস্ত করে পানিকে বিপরীত দিকে ঠেলে দেয়। এটি বন্যা, অতিবৃষ্টি, জোয়ার বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক কারণে হতে পারে। এমনটি নদীর পূর্ব এলাকায় বৃষ্টির পরিমান বেড়ে যাওয়ায় পশ্চিম এলাকায় পানির টানে পানি যথাযথ ভাবে পশ্চিম দিকে (উজানে) ছুটছে। তাই বাগমারার ফকিরন্নী নদীর পানি বিশেষ পরিস্থিতিতে উল্টা দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি সমানে সমান হলে এই পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়ে নীচের দিকে প্রবাহিত হবে।

  • রাকসু নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান ধর্মঘট

    রাকসু নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান ধর্মঘট

    রাকসু নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান ধর্মঘট

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ রাকসু নিয়ে প্রশাসনের টালবাহানার প্রতিবাদে এবং রাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও বাস্তবায়নের ১ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্স। সোমবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে এ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এরপর মিছিল নিয়ে প্রশাসন ভবন-১ এর সামনে অবস্থান করেন তারা। শিক্ষার্থীরা জানান, বর্তমান সপ্রশাসন রাকসু নিয়ে টালবাহানা শুরু করেছে। রাকসুর রোডম্যাপ ঘোষণা করলেও ৫ মাসে তফসিল ঘোষণা করতে পারেনি, রাকসু শিক্ষার্থীদের অধিকার। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার হরণ করে এই প্রশাসন দায়িত্ব পালন করছে। প্রশাসন দ্রুত সময়ের মধ্যে রাকসুর তফসিল ঘোষণা না করলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও হুশিয়ারী দেন তারা। দীর্ঘ ৩৫ বছর থেকে অকার্যকর হয়ে আছে রাকসু। শিক্ষার্থীরা আরোও বলেন, তাদের দাবী না মানা পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে যাবেন।

  • মাটিরাঙ্গা সীমান্তে ইউপিডিএফ-বিজিবি গোলাগুলি ॥ অস্ত্র উদ্ধার

    মাটিরাঙ্গা সীমান্তে ইউপিডিএফ-বিজিবি গোলাগুলি ॥ অস্ত্র উদ্ধার

    মাটিরাঙ্গা সীমান্তে ইউপিডিএফ-বিজিবি গোলাগুলি ॥ অস্ত্র উদ্ধার

    খাগড়াছাড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা সীমান্তে ইউপিডিএফের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আটক হয়নি। রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে সীমান্তবর্তী তাইন্দং ইউনিয়নের তং পাড়ায় এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে দুটি রাইফেল, একটি পিস্তল, একটি শটগান ও ১৬টি গুলিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধারের দাবি করেছেন বিজিবির যামিনী পাড়া জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. খালিদ ইবনে হোসেন। সোমবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী তং পাড়া এলাকার যামিনী পাড়া জোনের আওতাধীন বিজিবির একটি টহল দলের সঙ্গে ইউপিডিএফ মূল সংগঠনের (প্রসীত) সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি ঘটনাস্থলের আশপাশে অভিযান চালিয়ে রাইফেল, পিস্তল, শটগান, গুলিসহ ইউপিডিএফের ফেলে যাওয়া বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে। তবে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপিডিএফের খাগড়াছড়ি জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা। আমাদের সংগঠনের কর্মীদের সঙ্গে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমাদের সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন, তাই আমাদের ওপর মিথ্যা অপবাদ দেয়া হচ্ছে।

  • নজিপুরে পৌর বিএনপির কাউন্সিল ॥ মামুন-শাহিন প্যানেলের জয়

    নজিপুরে পৌর বিএনপির কাউন্সিল ॥ মামুন-শাহিন প্যানেলের জয়

    নজিপুরে পৌর বিএনপির কাউন্সিল ॥ মামুন-শাহিন প্যানেলের জয়

    নওগাঁর নজিপুর পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে প্রত্যক্ষ ভোটে মামুন হোসেনকে সভাপতি ও মো. বায়েজীদ রায়হান শাহিন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া, এজেড মিজান ও মাসুম আলী যৌথভাবে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। দীর্ঘ ১১ বছর পর রোববার (২০ জুলাই) ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ব্যালটের মাধ্যমে তাদের নির্বাচিত করেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ ২০১৪ সালে নজিপুর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন হয়েছিল। এরপর কোনো সম্মেলন করতে পারেনি দলটি।

    এদিন বিকেল ৫ টার দিকে পৌরসভার পাবলিক ফুটবল মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন পলাশ। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু। প্রধান বক্তা ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ন-আহবায়ক শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু। পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ওয়াজেদ আলীর সভাপতিত্বে এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নজমুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শফিউল আজম ভিপি রানা, সদস্য মাসুদ হাসান তুহিনসহ প্রমুখ।

  • খুলনায় আসছেন জামায়াতের আমীর ও সেক্রেটারি জেনারেল

    খুলনায় আসছেন জামায়াতের আমীর ও সেক্রেটারি জেনারেল

    খুলনায় আসছেন জামায়াতের আমীর ও সেক্রেটারি জেনারেল

    মঙ্গলবার (২২ জুলাই) খুলনার দাকোপে সফরে আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এবং সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। সফরসূচি অনুযায়ী, তাঁরা ঢাকায় দলীয় মহাসমাবেশে যোগদানের পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দাকোপ উপজেলার আমীর মাওলানা আবু সাঈদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং এক পথসভায় অংশগ্রহণ করবেন। সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে রওনা হয়ে সকাল সাড়ে ৯টায় তাঁরা চালনাস্থ বিএম গ্যাস কোম্পানির মাঠে অবতরণ করবেন। এরপর তাঁরা শহীদ মাওলানা আবু সাঈদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং চালনা সরকারি পৌর কবরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত করবেন। পরবর্তীতে চালনা বিল্লালিয়া আলিম মাদরাসা মাঠে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় অংশগ্রহণ করবেন জামায়াতের এই দুই শীর্ষ নেতা। সেখানে তাঁরা শহীদ মাওলানা আবু সাঈদের জীবন, আদর্শ ও আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরবেন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে দলীয় বার্তা পৌঁছে দেবেন। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মাওলানা আবু সাঈদ ঢাকায় জাতীয় সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেন। দিবাগত রাত ৩ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় আরও দুজন আহত হন। সফরের শেষ পর্যায়ে সকাল ১১টায় তাঁরা হেলিকপ্টারযোগে দাকোপ ত্যাগ করে পাবনার ঈশ্বরদীর উদ্দেশে রওনা হবেন, যেখানে শহীদ মোস্তাফিজুর রহমান কলম এর বাড়িতে তাঁদের পরবর্তী কর্মসূচি রয়েছে।

  • স্বাভাবিক হচ্ছে গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি ॥ কারফিউ ও ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

    স্বাভাবিক হচ্ছে গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি ॥ কারফিউ ও ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

    স্বাভাবিক হচ্ছে গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি ॥ কারফিউ ও ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

    কারফিউ ও ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরছে গোপালগঞ্জ। রাস্তায় জনসমাগম বাড়তে শুরু করেছে এবং জনমনে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। তবে গ্রেপ্তার আতঙ্কে যুবক শ্রেণী ছাড়াও বয়স্ক লোকজন এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়েছে। রোববার সন্ধ্যা রাত সাড়ে ৭টায় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সোমবার (২১ জুলাই) সকালে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শহরের বিভিন্ন ওষুধের দোকান, খাবারের দোকানসহ বিভিন্ন দোকান খুলতে শুরু করেছে। তবে অনেকেই গ্রেপ্তার আশঙ্কায় তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। শহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিস আদালত খুলেছে। তবে লোকজনের উপস্থিতি কম। অনেকেই তাদের সন্তানকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। উল্লেখ্য, গত বুধবার গোপালগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রা ও পথসভা ভন্ডুল করতে আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের শতশত নেতাকর্মী হামলা চালায়। পরে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। দিনভর চলা সংঘর্ষে ৫ যুবক নিহত ও পুলিশ সাংবাদিকসহ শতাধিক মানুষ আহত হন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪ হত্যা মামলাসহ মোট ৮টি মামলা হয়েছে।এতে ৮ হাজার ৪শ’ জনকে আসামি করা হয়েছে। আর গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩১০ জনকে। শনিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকে। তবে ৮টা থেকে রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত ফের কারফিউ জারি করা হয়। রোববার জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল।

  • ফার্মগেট স্টেশনে আটকিল মেট্রোরেল ॥ কয়েক মিনিট পর চালু

    ফার্মগেট স্টেশনে আটকিল মেট্রোরেল ॥ কয়েক মিনিট পর চালু

    ফার্মগেট স্টেশনে আটকিল মেট্রোরেল ॥ কয়েক মিনিট পর চালু

    রাজধানীর মেট্রোরেল স্টেশনে উত্তরা থেকে আসা একটি ট্রেন আটকে গিয়েছিলে। সোমবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আটকে যাওয়ার পর যাত্রীরা ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। অবশ্য পাঁচ থেকে ছয় মিনিট পর ট্রেনটি আবার চলতে শুরু করে। মিরপুর থেকে আসা এক যাত্রী বলেন, বিজয় সরণির মোড় ঘুরতেই শব্দ করে ট্রেনটির বেশির ভাগ আলো বন্ধ হয়ে যায়। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থাতেই ট্রেনটি ফার্মগেট স্টেশন পর্যন্ত আসে। সেখানে যাত্রী ওঠানো-নামানো হয়। এরপর ট্রেনটি আর চলেনি। কিন্তু এ সময়ে ট্রেনের আলো ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বন্ধ ছিল। অনেক যাত্রী ট্রেন থেকে নেমে নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যান। ট্রেনে এসব সমস্যা হলেও এর ঘোষণা দেওয়া হয়নি। অবশ্য মিনিট কয়েক পর ট্রেন চলতে শুরু করে। এ বিষয়ে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের উপ-প্রকল্প পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আহসানউল্লাহ শরিফী জানান, কিছু সমস্যার কারণে ফার্মগেট স্টেশনে মেট্রোরেল বন্ধ ছিল। এটা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হয়েছে। তবে এটা সাময়িক। পাঁচ মিনিট পরেই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।

  • সর্বোচ্চ শুল্ক বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে

    সর্বোচ্চ শুল্ক বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে

    সর্বোচ্চ শুল্ক বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে

    আগামী ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ট্যারিফ নীতির আওতায় বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর প্রায় ৫০ শতাংশ কার্যকর শুল্কহার (ইটিআর) প্রযোজ্য হতে পারে। এই উচ্চ শুল্কহার নির্ধারিত হয়েছে বর্তমানে কার্যকর ১৫ শতাংশ শুল্কের সাথে নতুন করে আরোপিত আরও ৩৫ শতাংশ শুল্ক যোগ করে। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতিতে এক বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দেশের শিল্প ও কর্মসংস্থানের উপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ হার যুক্তরাষ্ট্রের সব বাণিজ্য অংশীদার দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি, যা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের জন্য এক গুরুতর হুমকি। আন্তর্জাতিক ঋণমান সংস্থা ফিচ রেটিংস ১৮ জুলাই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করে। ফিচ রেটিংসের হালনাগাদ ‘ইউএস ইটিআর মনিটর’ নামের একটি ইন্টার‌্যাকটিভ টুল অনুযায়ী, বাংলাদেশ নতুন শুল্ক কাঠামোর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী। কারণ তেল-গ্যাস, তামা (কপার), ওষুধসহ যেসব পণ্যের ওপর অন্যান্য দেশকে বিশেষ শুল্কছাড় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ এ সুবিধা পাবে না। ফলে অন্যান্য দেশ শুল্কের কিছুটা ছাড় পেলেও বাংলাদেশ পুরোপুরি উচ্চ শুল্কের আওতায় চলে আসবে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক, যা দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য। এ অস্বাভাবিক শুল্ক বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এখন যুক্তরাষ্ট্রের শর্তাবলির পর্যালোচনায় ব্যস্ত। তবে এসব শর্তের অনেকগুলো শুধু বাণিজ্য নয়, বরং কূটনৈতিক ও নীতিগত বিষয়েও যুক্ত, যা নিয়ে আলোচনা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ সরকার এখন এমন একটি কৌশলগত জবাব খুঁজছে, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে এই নতুন শুল্ক আরোপ পুনর্বিবেচনায় বাধ্য করা যায়। এ বিষয়ে গতকাল আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ফিচের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নীতিতে বড় পরিবর্তন আসছে। বাংলাদেশের বর্তমান ইটিআর ১৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হচ্ছে। চীনের ইটিআর ৪১.৪ শতাংশ অপরিবর্তিত রয়েছে। এ ছাড়াও কানাডা ৩৫ শতাংশ, মেক্সিকো ৩০ শতাংশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশ ভেদে ১২ থেকে ৩০ শতাংশ, ভিয়েতনাম নতুন দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে ২০ শতাংশ অপরিবর্তিত, ইন্দোনেশিয়া নতুন দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে ১৯ শতাংশ অপরিবর্তিত রয়েছে। ‘ইটিআর মনিটর’ হচ্ছে ফিচ রেটিংসের তৈরি একটি ইন্টার‌্যাকটিভ বিশ্লেষণ টুল, যা আমদানি পণ্যের ভিত্তিতে দেশভিত্তিক ও খাতভিত্তিক শুল্কহার নির্ণয় করে। এটি নিয়মিত আপডেট হয় এবং ভবিষ্যতের শুল্ক পরিবর্তনের সম্ভাব্যতা বিশ্লেষণ করে।