Blog

  • ‘চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ’ পরিদর্শনে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত ॥ আমজাত পণ্য নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ

    ‘চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ’ পরিদর্শনে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত ॥ আমজাত পণ্য নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ

    ‘চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ’ পরিদর্শনে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত ॥ আমজাত পণ্য নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সদরের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ‘চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ’ পরিদর্শন করেছেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস্টার আরিফ সোয়ুকু। পরিদর্শন শেষে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত কৃষি পণ্য বিশেষ করে আম ও আমজাত পন্য নিয়ে কাজ করা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার (০১ জুলাই) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের মেলার মোড় এলাকায় অবস্থিত প্রথম ‘ফ্রুট প্রটেক্টিং পেপার ব্যাগ প্রস্তুতকারক’ প্রতিষ্ঠান চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের একথা বলেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস্টার আরিফ সোয়ুকু।

    ইন্দোনেশিয়া আম পাঠাতে চাইলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়ে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত আরিফ সোয়ুক বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ীরা ইন্দোনেশিয়া আম পাঠাতে চাইলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে ইন্দোনিশয়া দূতাবাস। রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, এই অঞ্চলের আম বিখ্যাত হওয়ায় যদি কেউ ইন্দোনেশিয়ায় পাঠাতে চান তাহলে ঢাকাস্থ দূতাবাস প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। তবে এটা নির্ভর করছে এখানকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ীদের উপর। এসময় চাঁপাই এগ্রোর চলমান প্রজেক্ট এবং ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বিশদ আলোচনা হয় এবং আমের বহুবিধ ব্যবহার এবং রপ্তানী খাতে আমের উজ্জল সম্ভাবনা ঘিরে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন আমবাগান পরির্দশন করেন রাষ্ট্রদূত মিস্টার আরিফ সোয়ুকু। উল্লেখ্য, ‘চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ’ নিরাপদ ও রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছে। চাঁপাই এগ্রো প্রথম ফ্রুট প্রটেক্টিং পেপার ব্যাগ ম্যানুফ্যাকচারার।

    এখান থেকে কৃষকরা সুলভ মূল্যে ব্যাগ পেয়ে থাকেন। ইন্দোনিশয়া দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মিস্টার আরিফ সোয়ুকু, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত চার্জ ডি এফেয়ার্স এর নেতৃত্বে দশ সদস্যের একটি ডেলিগেট দল এই ‘চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ’ পরিদর্শণ করতে আসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইন্দোনেশিয়ার ঢাকাস্থ দূতাবাসের থার্ড সেক্রেটারি রব্বি ফেরলি হারখা, ‘চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড’র চেয়ারম্যান ও নারী উদ্যোক্তা জেসমিন আকতার, ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা মো: সফিকুল আলম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শস্য বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ ড. মোঃ জহুরুল ইসলাম।

    ‘চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ’ পরিদর্শন কালে চলমান প্রজেক্ট এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে দীর্ঘক্ষন বিস্তারিত আলোচনা হয়। আমের বহুবিধ ব্যবহার এবং রপ্তানি খাতে আমের উজ্জ্বল সম্ভাবনা ঘিরে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় দূতাবাসের মিস্টার ওহিউ রিয়াদি, মিস্টার ইমাম সেটিওয়ান, মিস্টার শাহিদ নূরকারিম, মিস্টার জামিয়ান্ত মিরান, মিস্টার সিটি শ্রী নূরইয়ানি, মিস্টার আহমাদা নুরুদযাসা, মিস্টার সুপ্ত রুদিয়ান্ত ও মিস্টার দিওফানি প্রিসাতিয়া, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মী ও ‘চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ’র বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ

    নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ

    নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতেই হবে-এমনটা ধরে সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেপ্টেম্বর ও নির্বাচনের ঠিক আগে দুটি যৌথ মহড়া পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে এক উপদেষ্টা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘নির্বাচনে সহিংসতা হবে, এটা ধরেই প্রস্তুতি নিতে হবে’। তিনি জানান, সহিংসতা প্রতিরোধে সব বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বয়ে মহড়া চালাতে হবে। উদাহরণস্বরূপ বলা হয়, কোনো একটি কেন্দ্রে সহিংসতা শুরু হলে তা মোকাবিলায় যৌথভাবে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলার ওপর বিশেষ সভা হয়েছে। ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময়ে বিভিন্ন দল, সামাজিক সংগঠনের অনেক অনুষ্ঠান থাকবে। এসব অনুষ্ঠান কীভাবে নির্বিঘ্নে হতে পারে, সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, কুমিল্লার মুরাদনগর ও পটুয়াখালীর ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা প্রশংসনীয়। তারা এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে সক্ষম হয়েছে।

  • জুলাই সনদ নিয়ে কোন টালবাহানা বরদাস্ত করা হবে না-নাহিদ

    জুলাই সনদ নিয়ে কোন টালবাহানা বরদাস্ত করা হবে না-নাহিদ

    জুলাই সনদ নিয়ে কোন টালবাহানা বরদাস্ত করা হবে না-নাহিদ

    ‘জুলাই সনদ’ বা ‘জুলাই ঘোষণা’ নিয়ে কোন ধরনের টালবাহানা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে রংপুরের পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের পর এ কথা বলেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি মানেই দেশ গঠনের উদ্যোগ। এ কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা মানুষের সঙ্গে কথা বলব। আবু সাঈদের স্বপ্ন, জুলাইয়ের স্বপ্ন-আমরা মানুষের কাছে তুলে ধরব। আবু সাঈদ আমাদের লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা। তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদ আমরা আদায় করেই ছাড়ব। আমরা বাংলার প্রতি প্রান্তরে যাবো এবং সব মানুষকে আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করব। আবু সাঈদরা যে কারণে শহীদ হয়েছিলেন আমরা সেই আকাঙ্ক্ষা মানুষের কাছে তুলে ধরব। আবু সাঈদ যেভাবে পুলিশের গুলির সামনে বুক চেতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, সেটাই ছিল আমাদের অনুপ্রেরণা। কারণ, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন তখন তুঙ্গে। আমরা ১৬ জুলাই ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। ওই সময় শুনতে পাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন। তখন গোটা বাংলাদেশ শোকে, দ্রোহে-বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। সেই সময় আবু সাঈদের মৃত্যুতে আন্দোলন অন্যদিকে মোড় নেয়। তরুণ শিক্ষার্থীরা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে পড়ে। যার ফলশ্রুতিতে স্বৈরাচার সরকারের পতন হয়। তিনি আরও বলেন, আবু সাঈদের মতো অন্য সব শহীদের লড়াই, ফ্যাসিবাদী বিলোপের বিরুদ্ধে অনুপ্রেরণা। যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের মানুষ আবু সাঈদ, ওয়াসীম, মুগ্ধসহ সব শহীদের এবং আহত যোদ্ধাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। নাহিদ বলেন, একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের অবশ্যই বিচার, সংস্কার এবং গণপরিষদের মাধ্যমে নতুন সংবিধানের দিকে যেতে হবে। জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে যে টালবাহানা শুরু হয়েছে, তা সহ্য করা হবে না। আমরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, যারা মনে করছেন হাজারো লক্ষ মানুষ যারা রাজপথে নেমে এসেছিল, তারা ঘরে ফিরে গেছে, তাহলে আপনারা ভুল ভাবছেন। দরকার হলে ছাত্র-জনতা, তরুণ, শ্রমিকদের আবারও রাজপথে নেমে আসতে আহ্বান জানাব। তারপর জুলাই ঘোষণাপত্র এবং জুলাই সনদ আদায় করে নেয়া হবে।

  • কর্মক্ষম সন্তানকে হারিয়ে অভাব-অনটনে দিন কাটছে শহীদ জুয়েল এর বাবা-মা’র

    কর্মক্ষম সন্তানকে হারিয়ে অভাব-অনটনে দিন কাটছে শহীদ জুয়েল এর বাবা-মা’র

    সরকারী সুযোগ-সুবিধাগুলি সমবন্টনের দাবী

    কর্মক্ষম সন্তানকে হারিয়ে অভাব-অনটনে দিন কাটছে শহীদ জুয়েল এর বাবা-মা’র

    সন্তানের ছবি বুকে নিয়ে এখনও স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান, ফ্যাসিস শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আন্দোলনে, গুলি বিদ্ধ হয়ে নিহত গোবিন্দগঞ্জের যুবক জুয়েল রানা (২৭)’র বৃদ্ধ বাবা-মা। জুলাই থেকে অগষ্ট পর্যন্ত নিজের কাজের ফাঁকে ফাঁকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার ডাকে সাড়া দিয়ে সফিপুর আনসার ক্যাম্প এলাকায় নিয়মিত মিছিল মিটিংয়ে মাঠে ছিল সে। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনার পতনের দিন মিছিল করার সময় গুলি বিদ্ধ হয়ে শহীদ হয় জুয়েল। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের শাখাহাতী গ্রামের মমতাজ উদ্দন ব্যাপারী আর জমিলা বেগম দপ্ততির পুত্র জুয়েল রানা। মমতাজ জমিলা দম্পতির দুই পুত্রের মধ্যে ছোট ছিল জুয়েল রানা। সেই তার বাবা-মাকে ভরন পোষন সহ সংসার চালাতে যাবতীয় দরকারি সহায়তা দিত। ছেলেকে বিয়ে দিয়েছিলেন পাশের গ্রামে। এক সময় ছেলে জীবিকার টানে ঢাকা গিয়ে পোষাক তৈরীর কারখানায় চাকুরী নেয়। দুই কন্যা সন্তানের পিতা জুয়েল। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান ছাড়াও দুই ঈদে বাড়ী আসত স্বপরিবারে। তার ইচ্ছে ছিল মেয়েদের পড়ালেখা শেষ হলেই বাড়ী ফিরবে। নিজের টিনের ঘরটি সরিয়ে ইট দিয়ে ঘর দিবে। সাথে বাবা মা’র থাকার রুম টাও পাকা করবে। কিন্তু, তার শেষ ইচ্ছে তার পুরন হয়নি। ৫ আগষ্ট মিছিলে পুলিশের বৃষ্টির মত গুলি তার সে স্বপ্ন মূহর্তে মিশে যায়। গুলিতে সড়কে লুটিয়ে পড়া জুয়েলকে সহযোদ্ধারা হাসপাতালে নিয়েছিল, কিন্তু তাদের সব চেষ্টায় ব্যর্থ করে এক বুক স্বপ্ন নিয়ে জুয়েল না ফেরার শেষে চলে যায়। তবে তার নিথর দেহটা যেন সেই সব সাধ পূরণ করতে বাড়ী এসেছিল কফিন বন্দি হয়ে। সন্তানের লাশ কবরে নামিয়েছে বৃদ্ধ পিতা মমতাজ ব্যাপারী। এযে কতবড় কষ্টের, নিজ ঘরের বারান্দার জল চকির ওপর বসে তারই বর্ণনা দিচ্ছিলেন তিনি। জয়েল রানার মা জমিলা বেগম বলেন, জুয়েলের নিহত হওয়ার পর অনেক সহায়তা এসেছে, কিন্তু সে সুবিধাগুলো তারা সঠিক ভাবে পায়নি। কারন জুয়েলের মরদেহ দাফনের দুই দিন পর তার স্ত্রী দুলালি বেগম দুই নাতনিকে নিয়ে পিতার বাড়ী চলে যায়। যদিও এখন সে গাজীপুরের পল্লিবিদ্যুৎ এলাকায় একটি গার্মেন্টে কাজ করছেন। আর পাশেই একটি বাসায় বসবাস করছে জুয়েলের বড় মেয়েকে সাথে নিয়ে। ছোট মেয়েটিকে রেখে গেছে তার নানার বাড়ীতে। তিনি বলেন, সন্তান হারানো দুঃখ বড়ই কঠিন। তারপরেও যদি মাঝে মধ্যে ওর সন্তান দুটোকে দেখতে পেলে কিছুটা হলেও শান্তি পেতাম। তার আর হয়ে ওঠে না এই দম্পতির। দুর থেকেই দোয়া করি ওরা যদি ভাল থাকে কোন দু:খ নেই। তবে সরকারের কাছে তার আবেদন, পুত্রকে আর ফিরে পাবনা, যেহেতু সারা দেশে জুলাই যোদ্ধাদের সরকার নানাভাবে সহযোগিতা দিচ্ছেন। শহীদ জুলাই যোদ্ধার বাবা-মা হিসেবে সেই প্রাপ্যটা যেন সঠিক ভাবে পাই। অথাৎ সরকারিভাবে যে অনুদান ও ভাতা আসবে তার যেন সমবন্ঠন করা হয়। শালমারা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মাস্তফা কামাল বলেন, ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল রানা গত ৫ আগষ্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার দোসরদের গুলিতে শহীদ হয়। তার পরিবার অত্যন্ত গরীব, তার বাবা-মা আছে। সংসার চলতো জুয়েলের আয়ে। কিন্ত এখন সে আয় বন্ধ হওয়ায় খুব কষ্টে রয়েছে পরিবারটি। সরকারি ভাবে যে সুযোগ সুবিধাগুলি আসে, তা যেন সমবন্টনের মাধ্যমে স্ত্রী, সন্তান এবং বৃদ্ধ-বাবা-মা পায়, সে ব্যাপারে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি দেয়ার এই দাবী জানাচ্ছি। শালমারা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম বলেন, শহীদ জুয়েলের সরকারিভাবে যে অর্থ ও সুযোগ সুবিধা আসবে, তা যেন সমবন্টণের মাধ্যমে শহীদ জুয়েল রানার বাবা-মা,তার সন্তান এবং যেন সমবন্টন পায়, সে ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে সহায়তা দেয়া দরকার তা অব্যহত থাকবে।

  • জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়া কোন রাজনৈতিক দলের উচিত হবে না-শিবির সভাপতি

    জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়া কোন রাজনৈতিক দলের উচিত হবে না-শিবির সভাপতি

    জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়া কোন রাজনৈতিক দলের উচিত হবে না-শিবির সভাপতি

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ৩৬ দিনব্যাপী ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সোমবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহিদুল ইসলাম বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা উচিত হবে না। এটি সরকারের দায়িত্ব। আমরা আশা করি, সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রদান করবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় থাকবে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, রিসার্চ কনফারেন্স, আলোচনা সভা, দোয়া অনুষ্ঠান, শহীদদের কবর জিয়ারত ও পরিবার-আহতদের সঙ্গে মতবিনিময়, শাখাভিত্তিক বিক্ষোভ মিছিল, আলোকচিত্র ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী, গ্রাফিতি অঙ্কন, সাহিত্য ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা, পডকাস্ট, বিশেষ সাহিত্য প্রকাশনা, প্রকাশনা প্রদর্শনী ও অনলাইন ক্যাম্পেইন। শিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, শহীদদের নিয়ে যখন বিভিন্ন মহল দলীয়করণ ও ক্রেডিটের রাজনীতিতে লিপ্ত, তখন ছাত্রশিবির জুলাই স্পিরিট ধরে রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ছাত্রশিবির সভাপতি বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে একটি গোষ্ঠী নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে। ছাত্রসমাজ এসব ষড়যন্ত্র মানবে না। এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ, প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এস.এম ফরহাদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

  • রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতে এনসিপি নেতৃবৃন্দ

    রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতে এনসিপি নেতৃবৃন্দ

    রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতে এনসিপি নেতৃবৃন্দ

    জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারাতের পর রংপুর পদযাত্রা কর্মসূচি শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ শীর্ষক মাসব্যাপী পদযাত্রা কর্মসূচির প্রথম দিন মঙ্গলবার সাড়ে ১০টায় পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন এনসিপির নেতাকর্মীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তর অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আবু সাঈদ লিওন, রংপুর মহানগরীর প্রধান সমন্বয়কারী সাদিয়া ফারজানা দিনাসহ বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীরা।
    আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের জন্য কেবল একটি আন্দোলনের দিন নয়, এটি আমাদের আত্মত্যাগ, প্রত্যয় ও স্বপ্নের প্রতীক। দেখতে দেখতে এক বছর পার হয়ে গেছে, এই সময়ের মধ্যে এসেছে কিছু অর্জন, কিছু চ্যালেঞ্জ। ৩ জুলাই জাতীয় শহীদ মিনারে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ঘোষণা করবে এনসিপি। সেখানে আহত ও শহীদ পরিবারগুলোকেও সম্মান জানানো হবে। এ ছাড়া ১৬ জুলাই পালিত হবে ‘বৈষম্যবিরোধী শহীদ দিবস’। পরে তারা গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের পথে যাত্রা করেন। তিনি আরও বলেন, গাইবান্ধার কর্মসূচি শেষে এনসিপি নেতাকর্মীরা বিকালে ফের রংপুরে ফিরে রংপুর শহরের পার্ক মোড় এলাকায় শহীদ আবু সাঈদের গুলিবিদ্ধ স্থান পরিদর্শন, শাপলা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, পায়রা চত্বর হয়ে টাউন হল শহীদ মিনারে পথসভা করে এনসিপি নেতৃবৃন্দ। দিনের কর্মসূচির শেষাংশে ডিসি মোড়, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে চেকপোস্টে এসে পদযাত্রা কার্যক্রম শেষ হয়। রাতে কাউনিয়া উপজেলায় জনসংযোগ ও পথসভায় অংশ নেন এনসিপি নেতৃবৃন্দ।

  • পত্নীতলায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ২ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

    পত্নীতলায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ২ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

    পত্নীতলায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ২ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

    নওগাঁর পত্নীতলায় আলিম পরীক্ষা কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ২ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার। মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকালে নজিপুর সিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসা পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তাদের বহিষ্কার করা হয়। তারা দুজনই গগনপুর মাদরাসার ছাত্র। কেন্দ্র সচিব সানাউল্লাহ নূরী বলেন, মঙ্গলবার এই কেন্দ্রে বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষায় ২১৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে। ২জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আলীমুজ্জামান মিলন বলেন, নজিপুর মাদরাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ২জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

  • জুলাই অপরাধীদের তালিকা না দেয়াও অপরাধ

    জুলাই অপরাধীদের তালিকা না দেয়াও অপরাধ

    জুলাই অপরাধীদের তালিকা না দেয়াও অপরাধ

    নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, জুলাই অপরাধীদের তালিকা না দেয়াও অপরাধ। সেই অপরাধের দায় নিয়ে ৩৬ জুলাই পালিত হলে ইতিহাস শিক্ষার্থীদের সরকার, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বা এনসিপির কাউকে ক্ষমা করবে না। ৩০ জুন ২৭/৭ তোপখানা রোডস্থ কার্যালয়ের বিজয় মিলনাতনে ৩০ জুন বিকেলে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই অপরাধীদের তালিকা না দেয়ার কারণ ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, নতুন দল গঠনের মধ্য দিয়ে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতারা নব্য ফ্যাসিজমের পথে এগিয়ে চলছে। যে কারণে আজ জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা দিলেও জুলাই অপরাধীদের তালিকা না দিয়ে জাতির সাথে প্রতারণা করছে। এই প্রতারণার কারণে অদূর ভবিষ্যতে চরম খেসারত তাদেরকে দিতে হবে। কেননা, জনগণকে বোকা বানানো গেলেও ইতিহাসকে কখনো কেউ বোকা বানাতে পারেনি। যে কারণে যুগে যুগে কালে বিজয় আর পরাজয়ের মূল ঘটনা প্রজন্মের পর প্রজন্ম জেনেছে এবং শিখেছে এই ইতিহাস থেকেই। অতএব, খুব দ্রুত জুলাই অপরাধীদের তালিকা প্রকাশ ও বিচার কাজ সম্পাদনের জন্য নতুন কমিশন গঠন করাটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান চন্দন সেনগুপ্ত, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কাজী মুন্নি আলম, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সদস্য হরিদাস সরকারসহ অন্যরা।

  • নওগাঁয় স্থানীয়দের উদ্যোগে এক কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার

    নওগাঁয় স্থানীয়দের উদ্যোগে এক কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার

    নওগাঁয় স্থানীয়দের উদ্যোগে এক কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার

    নওগাঁর রাণীনগরে দীর্ঘদিন থেকে সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হওয়া এক কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা স্থানীয়দের উদ্যোগে সংস্কার করা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতার আর্থিক সহায়তায় এবং গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে এই রাস্তাটি সংস্কার করা হয়। কয়েকদিন আগে নওগাঁ-জামালগঞ্জ প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়কের রাণীনগর উপজেলার ভক্তের মোড় থেকে মিরাট ব্রিজ পর্যন্ত এই সড়কটি ইট বালি দিয়ে সংস্কার করে যাতায়াতের উপযোগী করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, ১৭ বছর যাবৎ নওগাঁ-জামালগঞ্জ সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় ৫-৬ বছর ধরে রাণীনগর উপজেলার ভক্তের মোড় থেকে মিরাট ব্রিজ পর্যন্ত সড়কটির বেহাল দশা হয়ে যায়। ইট উঠে গিয়ে ছোট বড় অসংখ্য খালের সৃষ্টি হওয়ায় সড়কটি চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় এই সড়কে যাতায়াতকারী স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রিকশাভ্যানের চালক, যাত্রী, মোটরসাইকেল আরোহী ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছিল। সরকারিভাবে রাস্তা সংস্কারের জন্য বহুবার আবেদন করেও কোনো ফল পাইনি। অবশেষে রানীনগর উপজেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রাসেল সরকার আর্থিক সহায়তা দেন এবং স্থানীয় বাসিন্দারা বিনা পারিশ্রমিকে রাস্তা সংস্কারের কাজ করেন। স্থানীয়রা আরও জানান, এই গ্রামীণ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন নওগাঁ থেকে রাজশাহী, বাগমারা, নাটোর, বান্দাইখারা, রাণীনগর ও আত্রাইসহ আশেপাশের হাটবাজারে বিভিন্ন যানবাহন যাতায়াত করে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি মেরামতের কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, ফলে জনসাধারণকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনাও। স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তাটি খোয়া, বালু ও ভাঙা ইট দিয়ে সংস্কার করা হয়েছে। এখন এলাকার শিক্ষার্থী, রিকশাভ্যান চালক, যাত্রী ও ব্যবসায়ীসহ সকলের উপকার হবে। রানীনগর উপজেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও সমাজকর্মী রাসেল সরকার বলেন, উপজেলার ভক্তের মোড় থেকে মিরাট ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কটি সংস্কার করার জন্য এলজিইডি অফিসে বার বার ধরনা দিয়েও কোন কাজ হয় নাই। অবশেষে স্থানীয়দের অনুরোধে আমি আর্থিক সহায়তা দেই। পরে স্থানীয় লোকজন ও রিকশাভ্যান শ্রমিকদের স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তাটি যাতায়াতের উপযোগী করা হয়েছে। এখন এলাকার মানুষ যাতায়াতে দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। এ ব্যাপারে নওগাঁর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ জানান, আগামী অর্থবছরে প্রকল্প নিয়ে ওই সড়কটি সংস্কার করা হবে।

  • এসএসসি’তে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী’ গোবিন্দগঞ্জের মাহাবুবা আক্তার মুসকান

    এসএসসি’তে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী’ গোবিন্দগঞ্জের মাহাবুবা আক্তার মুসকান

    এসএসসি’তে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী’ গোবিন্দগঞ্জের মাহাবুবা আক্তার মুসকান

    ২০২২ সালের এসএসসি পরিক্ষায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীর পুরস্কার পেয়েছেন গোবিন্দগঞ্জ বিএম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহাবুবা আক্তার মুসকান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস স্কিম এসইডিপি এ পুরুস্কার প্রদান করেন।

    মঙ্গলবার (০১ জুলাই) বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ননী গোপাল রায় মাহাবুবা আক্তারের অভিভাবকের হাতে এ পুরুস্কার তুলে দেন। সে গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের শিল্পপাড়ার আদনান প্রধান মেয়ে এবং মরহুম সোহারাব হোসেন প্রধান ও রওশন আরা হীরার নাতনি। তার দাদি রওশন আরা হীরা জানান, মুসকান এর আগে পঞ্চম শ্রেণীতে বৃত্তি পরিক্ষায় ১ম বিভাগ অর্জন করে। তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তার নাতনি মুসকানের উচ্চ শিক্ষার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।