Blog

  • বাংলা একাডেমি পুরস্কার নিলেন কবি মোহন রায়হান

    বাংলা একাডেমি পুরস্কার নিলেন কবি মোহন রায়হান

    বাংলা একাডেমি পুরস্কার নিলেন কবি মোহন রায়হান

    দীর্ঘ নাটকীয়তা ও বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৫ গ্রহণের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন কবি ও প্রাবন্ধিক মোহন রায়হান। রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে কবি তার এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে, পুরস্কারের অর্থ তিনি নিজে গ্রহণ না করে কোনো দুঃস্থ সাহিত্যিক বা সাংস্কৃতিক কর্মীর কল্যাণে দান করার ঘোষণা দিয়েছেন। এ সময় পুরস্কার স্থগিত করা থেকে শুরু করে পুনরায় প্রদানের ঘোষণা পর্যন্ত ঘটে যাওয়া নানা অনভিপ্রেত ঘটনার বর্ণনা দেন তিনি। রোববার (০১ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান অভিযোগ করেন, পুরস্কারের তালিকায় তার নাম ঘোষণার পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার শুরু করে। এমনকি ৪১ বছর আগে লেখা একটি কবিতার অজুহাত দেখিয়ে শেষ মুহূর্তে তার পুরস্কার স্থগিত করা হয়েছিল। কবি বলেন, এটি শুধু ব্যক্তিগত অপমান নয়, বরং মুক্তচিন্তার ওপর একটি বড় আঘাত ছিল। তিনি স্পষ্ট করেন যে, তিনি এই পুরস্কারের জন্য কোনো তদবির করেননি, বাংলা একাডেমি স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই তাকে মনোনীত করেছিল। কবি জানান, অধিকাংশের মত ছিল-ষড়যন্ত্রের কাছে নতি স্বীকার করা মানে অপশক্তিকে জয়ী হতে দেওয়া। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার আলোচনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও কলমের স্বাধীনতার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে আমি আশ্বস্ত হয়েছি। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার বৃহত্তর স্বার্থে বিভাজনের চেয়ে ঐক্যকেই আমি বেছে নিয়েছি। কবি শামসুর রাহমানকে নিয়ে অতীতে সৃষ্ট জটিলতার কথা স্মরণ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে কবি শামসুর রাহমানকে সম্মান জানিয়েছিলেন, সেই উদারতার ঐতিহ্য বর্তমান সময়েও বজায় থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অপমানের চেয়ে মর্যাদা বেছে নেওয়াই আমাদের কাজ। ২ মার্চ কবির হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

  • তালিকা করে চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে সারাদেশে অভিযান-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    তালিকা করে চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে সারাদেশে অভিযান-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    তালিকা করে চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে সারাদেশে অভিযান-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী দাগি আসামীদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ঢাকা মহানগর পুলিশের(ডিএমপি) উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ১১ টায় ডিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকতাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে শুরু হবে, সারাদেশেই চাঁদাবাজও অস্ত্রধারী, দাগি আসামীদের তালিকা করা হচ্ছে। স্বচ্ছ তালিকা করে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি দেশের সকল জনগণ সহযোগিতা করবেন। আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশের শান্তিশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। আশা করি আমরা খুব শিগগিরই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করবো।

  • ছাত্রলীগ করায় ঝিনাইদহে ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা

    ছাত্রলীগ করায় ঝিনাইদহে ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা

    ছাত্রলীগ করায় ঝিনাইদহে ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা

    নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকায় ঝিনাইদহে নিজের ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন এক বাবা। সোমবার (০২ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হলফনামার মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন মো. আবু জাফর। হলফনামা সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটী ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবু জাফর তার ছেলে মো. নাহিদ হাসান সবুজকে ত্যাজ্যপুত্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন। অভিযুক্ত নাহিদ হাসান সবুজ ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হলফনামায় মো. আবু জাফর উল্লেখ করেন, তার পুত্র দীর্ঘদিন ধরে তার অবাধ্য এবং অবান্তর জীবনযাপন করে আসছিলেন। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন না এবং নিজের খেয়ালখুশিমতো আলাদা থাকেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তীতে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও নাহিদ হাসান এই সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন। বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়ায় সবুজের সক্রিয় অংশগ্রহণের সংবাদ পাওয়ার পর তাকে নিজ বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন আবু জাফর। হলফনামায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, ‘আজ থেকে নাহিদ হাসান সবুজের কোনো প্রকার আয়-রোজগার, দায়-দেনা বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পিতা বা তার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের সম্পর্ক থাকবে না। তার কোনো অপকর্মের দায়ভার পরিবার বহন করবে না। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে পরিবারের সকল প্রকার রক্ত সম্পর্কীয় ও আইনি বিচ্ছেদ বজায় থাকবে’। আবু জাফর বলেন, দেশের আইন ও নীতিমালার পরিপন্থী কোনো কাজ আমার সন্তান করুক তা আমি চাই না। বারবার সতর্ক করার পরও সে শোধরায়নি, তাই বাধ্য হয়ে আমি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

  • জিএমপিতে তিন ওসিসহ ১৭ পরিদর্শকের রদবদল

    জিএমপিতে তিন ওসিসহ ১৭ পরিদর্শকের রদবদল

    জিএমপিতে তিন ওসিসহ ১৭ পরিদর্শকের রদবদল

    গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) তিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)সহ একযোগে ১৭ জন পুলিশ পরিদর্শকের পদে রদবদল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদারের পক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ জাহিদ হোসেন ভূঞার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। অফিস আদেশ অনুযায়ী, টঙ্গী পশ্চিম, কোনাবাড়ি ও গাছা থানার দায়িত্বে থাকা ওসিদের সরিয়ে নতুন ওসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আরও ১৪ জন পরিদর্শকের দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগে কর্মরত পরিদর্শক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামানকে গাছা থানার নতুন ওসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি শাহীন খাঁনকে বদলি করে গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগে পাঠানো হয়েছে। টঙ্গী পূর্ব থানার তদন্ত পরিদর্শক মোঃ ইফতেখার হোসেনকে কোনাবাড়ি থানার ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনাবাড়ি থানার ওসি খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদকে জিএমপির সদর দপ্তরের মিডিয়া শাখায় বদলি করা হয়েছে। গাছা থানার ওসি মুহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে পাঠানো হয়েছে গোয়েন্দা শাখার উত্তর বিভাগে। জিএমপির সদর দপ্তরের মিডিয়া শাখার পরিদর্শক মোহাম্মদ আরিফুর রহমানকে টঙ্গী পশ্চিম থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিকে, জিএমপির সদর দপ্তরে কর্মরত পরিদর্শক মোঃ মনিরুজ্জামানকে গোয়েন্দা শাখার উত্তর বিভাগে এবং পরিদর্শক ফরিদ আহমেদকে ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পর পূবাইল থানায় পরিদর্শক (তদন্ত) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরিদর্শক মোঃ আবু বকর সিদ্দিককে পূবাইল থানার তদন্ত পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, পরিদর্শক মোঃ আব্দুল আউয়াল সরদারকে গাছা থানার তদন্ত পরিদর্শক, পরিদর্শক মোঃ জিল্লুর রহমানকে টঙ্গী পূর্ব থানার তদন্ত পরিদর্শক এবং পরিদর্শক তরিকুল ইসলামকে কাশিমপুর থানার তদন্ত পরিদর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরিদর্শক দেব দুলালকে গোয়েন্দা শাখার দক্ষিণ বিভাগে, পরিদর্শক ইমানুর রহমানকে টঙ্গী পশ্চিম থানার তদন্ত পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিদর্শক শাহ্ ফরিদ আহমেদকে এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট শাখায়, পরিদর্শক শহিদুল ইসলামকে ট্রাফিক শাখার উত্তর বিভাগে এবং আরেক পরিদর্শক শহিদুল ইসলামকে ট্রাফিক শাখার দক্ষিণ বিভাগে বদলি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের আট থানার ওসি পদে একযোগে রদবদল করা হয়েছিল।

  • নাগরপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে মসজিদে ‘মুর্দা মশারী’ বিতরণ

    নাগরপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে মসজিদে ‘মুর্দা মশারী’ বিতরণ

    নাগরপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে মসজিদে ‘মুর্দা মশারী’ বিতরণ

    মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দুটি মসজিদে ‘মুর্দা মশারী’ প্রদান করেছে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা নাগরপুর উপজেলা ইউনিট। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) দুপুরে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সামগ্রী আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে নাগরপুর কাঁচাবাজার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও চৌধুরী বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আবদুল লতিফ-এর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ‘মুর্দা মশারী’ তুলে দেওয়া হয়। এসময় বক্তারা বলেন, মৃত্যু মানবজীবনের এক অনিবার্য সত্য। একজন মুসলমানের শেষ বিদায় যেন যথাযথ সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন হয়, সেই লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনেক সময় জানাজার পূর্বে মরদেহ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব দেখা দেয়। মুর্দা মশারী থাকলে মরদেহ মাছি ও পোকামাকড় থেকে সুরক্ষিত থাকে, যা মরহুমের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।সংগঠনের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় আখ্যা দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন উপস্থিত ইমাম ও মুসল্লিরা। সাংবাদিকতার পাশাপাশি এমন জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়া সমাজের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে বলে তারা মত প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তারা সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মহলকে এ ধরনের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। মশারী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা নাগরপুর উপজেলা ইউনিটের সভাপতি এস এম আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজিজুল হক বাবু, কোষাধ্যক্ষ মোঃ মনিরুল ইসলাম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ জাকির হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি’র হাতে বিপুল পরিমান ভারতীয় ‘ডিএনএ টেস্ট কিট’ জব্দ

    চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি’র হাতে বিপুল পরিমান ভারতীয় ‘ডিএনএ টেস্ট কিট’ জব্দ

    চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি’র হাতে বিপুল পরিমান ভারতীয় ‘ডিএনএ টেস্ট কিট’ জব্দ

    সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে নিয়ে আসা ‘ডিএনএ টেস্ট কিট’ জব্দ করেছে ৫৮ বিজিবি সদস্যরা। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমান ভারতীয় ‘ডিএনএ টেস্ট কিট’ জব্দ করা হয়। মঙ্গলবার উপজেলার রাজাপুর সীমান্ত এলাকার একটি ভুট্টা ক্ষেতের পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব কিট পাওয়া যায় বলে জানান মহেশপুর-৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক ইমদাদুর রহমান। বিজিবি’র এক প্রেসনোটে জানানো হয়, ভোর রাতে রাজাপুর বিওপি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার সুয়েব সঙ্গীয় ফোর্সসহ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় গোপন খবর পেয়ে সীমান্তের ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শুকুর আলীর ভুট্টা ক্ষেতের পাশে অভিযান চালানো হয়। সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২২০টি ভারতীয় ডিএনএ টেস্ট কিট পাওয়া যায়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। বিজিবির ধারণা, সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র অবৈধভাবে এসব পণ্য দেশে আনার উদ্দেশে সীমান্ত এলাকায় মজুত করে রেখেছিল। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটকে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধার করা কিট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়া হয়েছে।

  • রাতে ৬ দোকান ভষ্মিভূত ॥ ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    রাতে ৬ দোকান ভষ্মিভূত ॥ ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    রাতে ৬ দোকান ভষ্মিভূত ॥ ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায় গভীর রাতে আগুনে ছয়টি দোকান ভষ্মিভূত হয়েছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের।মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অবস্থিত বোর্ডের হাট বাজারে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাজারের সাঈদের চায়ের দোকান থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের দোকানগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নলছিটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও ততক্ষণে ছয়টি দোকান ও মালামাল সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়।নলছিটি থানার ওসি মো. আরিফুল জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ লাখ টাকা বলে দাবী ব্যবসায়ীদের।

  • মধ্যপ্রাচ্যের ৬ রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিমানের ফ্লাইট স্থগিত ॥ ১৪৭টি ফ্লাইট বাতিল

    মধ্যপ্রাচ্যের ৬ রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিমানের ফ্লাইট স্থগিত ॥ ১৪৭টি ফ্লাইট বাতিল

    মধ্যপ্রাচ্যের ৬ রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিমানের ফ্লাইট স্থগিত ॥ ১৪৭টি ফ্লাইট বাতিল

    যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি রুটে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করেছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্স বিমান। স্থগিত হওয়া রুটগুলো হচ্ছে, দাম্মাম, দোহা, দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ এবং কুয়েত। মঙ্গলবার বিকেলে বিমানের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।এসব রুটের যাত্রীদের বিমানের যে কোনো বিক্রয়কেন্দ্র বা ট্র্যাভেল এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। অথবা ১৩৬৩৬, +৮৮০৯৬১০৯১৩৬৩৬ (আন্তর্জাতিক) নম্বরেও যোগাযোগ করতে পারবেন যাত্রীরা। বার্তায় বলা হয়েছে, বিমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং যে কোনো হালনাগাদ তথ্য যথাসময়ে জানানো হবে।যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর মঙ্গলবার পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটের ১৪৭টি ফ্লাইট বাতিলের তথ্য দিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। তাতে ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

  • প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ॥ নওগাঁয় সরকারি খাল খননের মাটি অবৈধভাবে যাচ্ছে ইটভাটায়

    প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ॥ নওগাঁয় সরকারি খাল খননের মাটি অবৈধভাবে যাচ্ছে ইটভাটায়

    প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ॥ নওগাঁয় সরকারি খাল খননের মাটি অবৈধভাবে যাচ্ছে ইটভাটায়

    নওগাঁয় সরকারি খাল খননের মাটি টেন্ডার ছাড়াই রাতের আধাঁরে চুরি হয়ে যাচ্ছে বনফুল ব্রিক্স ইটভাটায়। খবর পেয়ে প্রশাসন সাময়িক কাজ বন্ধ করলেও সেই নির্দেশকে দেখিয়ে আবারও রাতে মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হয় ইটভাটায়। এজন্য খালের পাশে রাস্তায় পাড় না রেখে কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে এলাকার চলাচলের একমাত্র রাস্তাসহ খালপাড়ের গ্রামগুলো পরছে হুমকির মুখে।ইটভাটা মালিক ও খনন কাজের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদাদারী প্রতিষ্ঠানের জোগসাজসে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এই মাটি ইটভাটায় যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।‎জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে পিকেএসএফ এর সহযোগিতায় ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি) ব্যাস্তবায়নে এক্সটেন্ডেড কমিউনিটি ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রজেক্ট-ড্রট( ইসিসিসিপি-ড্রট) এর আওতায় নওগাঁ সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের তিন কিলোমিটার খাল খনন কার্যক্রম শুরু করেন ফেব্রুয়ারী মাসে প্রথম সপ্তাহে।পশ্চিম শিকারপুর জব্বার মেম্বারের বাড়ি থেকে মোবারক মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত খয়রাদারা খালটি খননের বরাদ্দ প্রতি কিলোমিটার ৩৩ লাখ হিসেবে মোট বারাদ্দ ৯৯ লক্ষ টাকা। খালটি খনন করছে টেকবে ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড় নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু খালটির খননকৃত মাটি কোন টেন্ডার ছাড়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে পাশের বনফুল ব্রিক্স নামের একটি ইটভাটায়। ইতিমধ্যে খালটির এক কিলোমিটার খনন কাজ শেষ হয়েছে। আর এই খাল খননের প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার মাটি কোন টেন্ডার ছাড়ায় রাতের আঁধারে বনফুল বিক্স ইটভাটায় নেওয়া হয়েছে। আর মাটির লোভে খালের পাশে রাস্তায় পরিমান মত পাড় না রেখে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে এলাকার চলাচলের একমাত্র রাস্তাসহ খালপাড়ের গ্রামগুলো পরছে বন্যায় প্লাবিত হওয়ার হুমকির মুখে। স্থানীয়দের এসব অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ড যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে কাজটি সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। এছাড়া ইটভাটায় মাটি নেওয়া বন্ধ করে দেয়। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঐদিন রাতেই ৪০/৫০টি ট্রাক্টর লাগিয়ে আবারও রাতভর মাটি কেটে ইটভাটায় নেওয়া হয়। এতে করে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।পশ্চিম শিকারপুর গ্রামের নজরুল হোসেন বলেন, খালের দিকে রাস্তার সিমানা রয়েছে প্রায় পনের ফিট। খাল খননের মাটি দিয়ে রাস্তা না বেঁধে সব মাটি কেটে ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমার বাড়ির সামনে একদিন আগে খনন করা হয়েছে। আর একদিন পরই ধসে যেতে শুরু করেছে। এভাবে রাস্তার পাশে না বেঁধে খাল খনন করা হলে সামনে বন্যায় রাস্তাটি ধসে যাবে। এতে খাল পাড়ের গ্রামগুলোও প্লাবিত হবে। এই ভাবে খাল খনন হলে তা আর্শিবাদ নয় অভিশাপ হবে।একই গ্রামের রাজুসহ একাধীক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, খাল খনন করে যে মাটি বের হচ্ছে সেগুলো রাতে বেলা ৪০/৫০টি ট্রাক্টরে করে পাশের ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। এতে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। মনে হচ্ছে মগের মুল্লুক। তারা এতটায় প্রভাাবশালী যে ইউএনও ও এসিল্যান্ড নিজে এসে দিনের বেলা বন্ধ করে দিয়ে চলে য়ায়। আর রাতে তারা আবারও মাটি কেটে ইটভাটায় নিয়ে যায়।ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান টেকবে ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের প্রতিনিধি ইসরাইল হোসেন বলেন, আমরা খাল খননের কোন মাটি ইটভাটায় নিচ্ছি না। খালের উপরে ব্যাক্তিমালিকানার জমি খনন করে নিয়ে যাচ্ছি। আর ঐ খননকৃত গর্তে খালের কাঁদা মাটি দিয়ে ভরাট করে দিচ্ছি।বনফুল ব্রিক্স ইটভাটায় মালিক একরামূল হোসেনর মুঠো ফোনে একাধীকবার ফোন করলেও তা রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ ইবনুল আবেদীন বলেন, খালটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে মাটি নিয়ে যাওয়াসহ কাজটি সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। খাল খনন করে কত সেপটি মাটি বের হবে হিসাব করে নিলাম আহবান করা হবে। তারপরও যদি কেউ পুনরায় মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার চেস্টা করে তাহলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • লালমনিরহাটে ত্রাণমন্ত্রীর নির্দেশে সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রি

    লালমনিরহাটে ত্রাণমন্ত্রীর নির্দেশে সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রি

    লালমনিরহাটে ত্রাণমন্ত্রীর নির্দেশে সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রি

    পবিত্র রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের স্বস্তি দিতে লালমনিরহাটে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তাঁর নির্দেশনায় নির্বাচনী এলাকায় সুলভ মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গত কয়েক দিন ধরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে এই কার্যক্রম চলছে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ক্রেতারা এখান থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সংগ্রহ করতে পারছেন। সরজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি স্টলের সামনে সাধারণ মানুষের দীর্ঘ সারি, যা এই উদ্যোগের প্রতি মানুষের ব্যাপক আস্থা ও আগ্রহের প্রতিফলন। স্টলগুলোতে প্রতি লিটার দুধ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০ টাকায়, যা খোলা বাজারে ৮০-১০০ টাকা। এছাড়া ডিম প্রতি হালি ৩০ টাকা, জ্যান্ত মুরগি প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, ড্রেসিং করা ব্রয়লার ২২০ টাকা (বাজারে ৩০০ টাকা) এবং গরুর মাংস প্রতি কেজি মাত্র ৬৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। রমজানের শুরুতেই বাজারের চড়া দামের মাঝে এমন উদ্যোগকে আশার আলো হিসেবে দেখছেন সাধারণ ক্রেতারা। বড়বাড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা হযরত আলী ও আলী আকবর জানান, বাজারের উচ্চমূল্যের কারণে যখন আমিষ বা পুষ্টিকর খাবার কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে, তখন এমন সুলভ মূল্যে দুধ-মাংস কিনতে পারা বড় স্বস্তির বিষয়। মহেন্দ্রনগরের আব্দুল হাকিম ও পঞ্চগ্রামের আব্দুল কাদের বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে এই কার্যক্রম ছড়িয়ে দিলে দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘব হতো। বাজারে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বড়বাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক আতাউর রহমান জানান, পণ্যের গুণগত মান ও সতেজতা নিশ্চিত করতে তারা কঠোর তদারকি করছেন। লালমনিরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল হক বলেন, “মাননীয় মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু মহোদয়ের নির্দেশনায় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমরা এই সেবা চালু করেছি। পুরো রমজান মাস জুড়ে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক দামের এই সময়ে এমন মানবিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় ধরনের সহায়তা হিসেবে কাজ করছে।