Blog

  • নাটোরে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের জামায়াতে যোগদান

    নাটোরে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের জামায়াতে যোগদান

    নাটোরে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা জামায়াতে যোগদান করেছেন। নাটোর-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মোঃ ইউনুস আলী নবাগতদের ফুলের মালা পড়িয়ে বরণ করে নেন। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারী) সকাল ১১টা দিকে নলডাঙ্গা উপজেলার পিপরুল ইউনিয়ন জামায়াত আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে পিপরুল ইউনিয়নে বিএনপির সাবেক ইউনিয়ন সহ-সভাপতিসহ ১২জন নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, পিপরুল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ ইস্রাফিল, সাবেক যুবদল নেতা মোঃ খালেদুল ইসলামসহ বিএনপির মোট ১২ জন সক্রিয় নেতাকর্মী। এসময় বিএনপি থেকে আগত নেতাকর্মীদের স্বাগত জানিয়ে অধ্যাপক মোঃ ইউনুস আলী বলেন, আগামী দিনে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নাটোর সদর ও নলডাঙ্গার সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি আধুনিক ও উন্নত নাটোর গড়ে তোলা হবে। নাটোর হবে বাংলাদেশের জন্য একটি মডেল জেলাসদর। জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হলে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি উপজেলা উপহার দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নাটোর জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান, জেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোঃ আতিকুল ইসলাম রাসেল, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি আলী আল মাসুদ মিলন, শিবিরের সাবেক নলডাঙ্গা উপজেলা সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক আইনের একটি মামলায় এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, একই সাথে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) জেলা ও দায়রা জজ হায়দার আলী খোন্দকার আসামীর অনুপস্থিতে (পলাতক) রায় প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের সরজন গ্রামের মৃত বেলাল উদ্দিনের মেয়ে মামলায় লুসিয়ারা বেগম(৪৫) নামে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আব্দুল ওদুদ জানান, ২০২৩ সালের ১ অক্টোবর চাঁপাইনবাবগঞ্জ র‌্যাব ক্যাম্পের অভিযানে নিজ বাড়ি থেকে ২০৫ গ্রাম হেরোইনসহ আটক হন লুসিয়ারা। এ ঘটনায় ওইদিন র‌্যাবের উপ-পরিদর্শক জাহেদুল ইসলাম সদর থানায় মামলা করেন। ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো. আশরাফুজ্জামান লুসিয়ারাকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা করেন।

  • নবীগঞ্জে তুলার গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড ॥ ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি

    নবীগঞ্জে তুলার গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড ॥ ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা বাজারে তোলার একটি গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পানিউমদা বাজারের সোনা মিয়া মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের জানান, সকালে হঠাৎ তিন তলা বিশিষ্ট সোনা মিয়া মার্কেটের নিচতলায় অবস্থিত তোলার গোডাউন ও একটি লেপ-তোশকের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো নিচতলায়। মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কৃষি ব্যাংকের একটি শাখা থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

    খবর পেয়ে বাহুবল ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও নবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে ততক্ষণে গোডাউনে রাখা তোলা ও দোকানের বিভিন্ন মালামাল পুড়ে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। বাহুবল ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার এনামুল হোসেন চৌধুরী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য ॥ সাতক্ষীরায় বিএনপির ২২ নেতা বহিষ্কার

    দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য ॥ সাতক্ষীরায় বিএনপির ২২ নেতা বহিষ্কার

    দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় সাতক্ষীরার দুই উপজেলা বিএনপির ২২ জন নেতাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু স্বাক্ষরিত পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাতক্ষীরা-৩ আসনে ধানের শীষ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ কাজী আলাউদ্দীনের সুপারিশ এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশের সিদ্ধান্তক্রমে এ বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়। বহিষ্কৃত কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতারা হলেন, নলতা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য আজিজুর রহমান পাড়, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম, রতনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শিহাবউদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি সিরাজুল ইসলাম বাবলু, নলতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কিসমাতুল বারী ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াকুব আলী খান, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল আজিজ গাইন, নলতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিলন কুমার সরকার, মৌতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল কবীর, মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান আঙ্গুর, ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি জাকির হোসেন, তারালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোনাজাত সানা, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মো. সফিরউদ্দীন সবুজ ও কোষাধ্যক্ষ নুর ইসলাম মিলন, কুশুলিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য এস এম হাফিজুর রহমান বাবু এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য শেখ রবিউল ইসলাম। এছাড়া, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. খায়রুল আহসান, সাবেক সদস্য জুলফিকার আলী জুলি ও মিজানুর রহমান, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল এবং বুধহাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতাদের সঙ্গে দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

  • একটি মহল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে ॥ ক্ষমতায় গেলে পদ্মা ব্যারাজ বানাতে চাই-রাজশাহীতে তারেক রহমান

    বরেন্দ্র প্রকল্প চালু-খাল-বিল ও পদ্মা নদী খনন করতে চাই

    একটি মহল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে ॥ ক্ষমতায় গেলে পদ্মা ব্যারাজ বানাতে চাই-রাজশাহীতে তারেক রহমান

    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পদ্মা নদীর ওপর উজানে ভারতের নির্মিত ফারাক্কা ব্যারাজের বিপরীতে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, পদ্মা নদীতে কোনো পানি নেই। বহু মানুষ থাকলেও কর্মসংস্থান নেই। আমরা বরেন্দ্র আঞ্চলে বরেন্দ্র প্রকল্প চালু করতে চাই, খাল-বিল খনন করতে চাই, পদ্মা নদীকে খনন করতে চাই। পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের কাজে হাত দিতে চাই।

    এছাড়া আমের জন্য হিমাগার তৈরি, আইটি পার্ককে সচল, ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট গড়া, শিক্ষিতদের স্বাবলম্বী করা, প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান, রাজশাহীতে বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরি, কৃষককে কৃষি কার্ড, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ, বিশেষ সহায়তায় মিল-ফ্যাক্টরি গড়ে তোলার পাশাপাশি কৃষিনির্ভর শিল্পায়ন গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি। আমরা কোনো ঝগড়া, ফ্যাসাদ ও বিবাদের মধ্যে যেতে চাই না। সেজন্য আমরা সমালোচনা করছি না। সমালোচনা করে পেট ভরবে না। তারেক রহমান বলেন, বিগত সময়ে দেশের মানুষ কোনো ভোট দিতে পারেনি। এবারও আরেকটি মহল ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে কীভাবে ভোটকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়, ভোটকে বাধাগ্রস্ত করা যায়। সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কেউ ভোট বানচাল করতে না পারে।

    তারেক রহমান বলেন, বিগত ১৬ বছর আমরা কয়েকটি তথাকথিত নির্বাচন দেখেছি, নিশিরাতের নির্বাচন দেখেছি, গায়েব নির্বাচন দেখেছি, দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেননি। পেরেছিলেন আপনারা? পারেননি আপনারা ভোট দিতে। যারা ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল তারা চলে গেছে। তারেক রহমান বলেন, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন যাতে কেউ বানচাল করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, সজাগ থাকতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে, তার সঠিক ও সুষ্ঠু তদন্ত করুন। বিএনপির কোনো ভূমিকা থাকলেও আমরা সহাযোগিতা-সাহায্য করব।

    কিন্তু সঠিক সুষ্ঠু তদন্ত হতে হবে। সেই অনুযায়ী, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার করতে করতে হবে। কিন্তু সেটা সঠিক সুষ্ঠু-তদন্ত করতে হবে। উত্তরবঙ্গে ভোটের প্রচারে নামার আগে রাজশাহীতে শাহ মখদুমের (র.) মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টায় নগরীর দরগাহ পাড়ায় এ সুফি সাধকের মাজারে যান তিনি। জিয়ারতের পর তিনি পরিদর্শন বইয়ে সই করেন। এর আগে বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটে রাজশাহী বিমানবন্দরে পৌঁছান বিএনপির চেয়ারম্যান।

    দুপুর ১টা ৫১ মিনিটে নগরের মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিয়ে বক্তব্য দেন তিনি। এ বিশাল জনসভায় অংশ নেন, রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৩টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীরা। তারা হলেন- শরীফ উদ্দীন (রাজশাহী-১), মিজানুর রহমান মিনু (রাজশাহী-২), মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন (রাজশাহী-৩), ডি এম ডি জিয়াউর রহমান (রাজশাহী-৪), নজরুল ইসলাম, আবু সাইদ চাঁদ (রাজশাহী-৫); শাহ্জাহান মিঞা (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১), আমিনুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), হারুনুর রশীদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩); ফারজানা শারমীন (নাটোর-১), এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (নাটোর-২), আনোয়ারুল ইসলাম (নাটোর-৩) ও আব্দুল আজিজ (নাটোর-৪)। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। বেলা সাড়ে ১২টার মধ্যে মাদরাসা মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়। আশপাশের মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতা-কর্মী-সমর্থকরা সমাবেশে আসেন মিছিল নিয়ে।

    মাদ্রাসা মাঠের সমাবেশ শেষ করে তারেক রহমান সড়ক পথে যান নওগাঁয়। বিকেল সাড়ে ৫টায় শহরের এটিম মাঠে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য বিএনপি চেয়ারম্যানের বক্তব্য দেন। এরপর রাত সাড়ে ৭টায় বগুড়ার আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি।
    উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি সিলেটে হযরত শাহ জালাল (র.) ও হযরত শাহ পরাণ (র.) মাজার জিয়ারতের পর সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে সমাবেশের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারাভিযান শুরু করেন তারেক রহমান। সেদিন সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়নগঞ্জে ৭টি সমাবেশ করেন তিনি। এরপর গত রোববার চট্টগ্রাম থেকে দ্বিতীয় পর্বের প্রচারাভিযান চালান বিএনপির চেয়ারম্যান। সেদিন চট্টগ্রামসহ ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে পাঁচটি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান। মঙ্গলবার ময়মনসিংহের সার্কিট হাউস মাঠে বিভাগীয় জনসভা করেন তিনি।

    তারেক রহমান সেদিন গাজীপুর ও ঢাকার উত্তরায় আরও দুটি সমাবেশে বক্তৃতা প্রদান করেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান উত্তরাঞ্চলে তিন দিনের সফরের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার যাবেন রংপুর। পীরগঞ্জে আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের পর সেদিন বিকালে রংপুর ঈদগাহ মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান। এরপর শনিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জে বিসিক শিল্প পার্কে এবং বিকেলে টাঙ্গাইলের চরজানা বাইপাস এলাকায় তার নির্বাচনি জনসভা রয়েছে। এ সফরকালে বিএনপি চেয়ারম্যান দুইদিন বগুড়ায় রাত্রিযাপন করবেন। দীর্ঘ ১৯ বছর পর বগুড়া সফরে পৈতৃক ভিটা গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামে জিয়াবাড়িতেও যাওয়ার কথা রয়েছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।

  • সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে এলো ১১৮৮ টন ভারতীয় চাল

    সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে এলো ১১৮৮ টন ভারতীয় চাল

    দীর্ঘ পৌনে দুই মাস বন্ধ থাকার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে আবারও ভারতীয় চাল আমদানি শুরু হয়েছে। ২৪ জানুয়ারি শনিবার থেকে ২৯ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত এই বন্দর দিয়ে মোট ১ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর থেকে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) পর্যন্ত মোট ১ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন চাল বন্দরে এসেছে। সোনামসজিদ স্থলবন্দর কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হুমায়ন কবির জানান, আমদানিকৃত এই চালের বাজারমূল্য সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “প্রকারভেদে এসব চালের প্রতি কেজিতে গড়ে আমদানি ব্যয় পড়ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ ডিসেম্বরের পর থেকে এই বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ ছিল। সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ জানান, ৩ ডিসেম্বর সর্বশেষ ৫৬৩.৭ মেট্রিক টন চাল এসেছিল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই চাল আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • নাচোলে সরকারি ঔষধ পাচারকালে প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তাসহ ৫জন আটক

    নাচোলে সরকারি ঔষধ পাচারকালে প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তাসহ ৫জন আটক

    মুচলেকা নিয়ে খালাশ-ক্ষুদ্ধ জনতা

    নাচোলে সরকারি ঔষধ পাচারকালে প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তাসহ ৫জন আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কাউসার আলী ও কর্মচারীদের যোগসাজসে হাসপাতালের গো-খাদ্য ও ওষুধ পাচারের সময় স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ তাদেরকে অত্র হাসপাতালে রেখে ২ জনকে থানায় নিয়ে আসে। ২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। পাচারের ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য অজ্ঞাত কারণে অভিযুক্তদের নিকট থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী নাচোল রেলস্টেশন বাজারের নাইটগার্ড দোসমোহাম্মদ জানান, ডিউটি করার সময় রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইউএলও ডাঃ কাউসার আলী এবং ৫-৬ জন কর্মচারী মিলে একটি স্টিয়ারিং গাড়িতে ফিডের বস্তা ঔষুধ ভর্তি করছিলেন। বিষয়টি তিনি ইউএনও, ওসি ও লেবার সর্দার রিপনকে জানান। রিপন উপস্থিত হলে তারা দ্রুত গাড়ী থেকে মালামাল নামিয়ে ফেলে। রাতে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ আছলাম আলী ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে রেখে গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালীয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে
    ক্রেতা গাজু আলী (৪৮) ও একই উপজেলার বচনাটোলা গ্রামের আবুল কালামের ছেলে স্টিয়ারিং চালক ফারিকুল (৪৯)কে আটক করেন। এতে ক্ষুব্ধ জনতা সকাল ১০টা পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম রব্বানী সরদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়া ও নাচোল থানার ওসি আছলাম আলী বিক্ষুব্ধ জনতাদের আশ্বাস দিলে জনসাধারণকে শান্ত করেন। হাসপাতাল থেকে গো-খাদ্য ও ওষুধ পাচারের সাথে জড়িতরা হলেন, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কাউসার আলী, কর্মচারী আশিক, নারায়ন, বাবুসহ আরও কয়েকজন। ইউএলওর সহযোগিতায় ম্ল্যূবান সরকারী মালামাল হাসপাতাল থেকে রাতের বেলায় পাচারের ঘটনাটি তদন্তের নামে মুচলেকা নিয়ে অভিযুক্তদের ছেড়ে দেয় প্রশাসন। এতে জনগণের মাঝে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এ বিষয়ে অতিরিক্ত ইউএলও ইনচার্জের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি ও তদন্তের জন্য নাচোল থানা ও ইউএনও এর সাথে কথা বলতে এসেছি। ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে অফিসিয়াল আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এ ঘটনা ঘিরে সচেতন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

  • ডিএনসি’র ডিজি হাসান মারুফ’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ কার্যালয় পরিদর্শন ও মতবিনিময়

    ডিএনসি’র ডিজি হাসান মারুফ’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ কার্যালয় পরিদর্শন ও মতবিনিময়

    ডিএনসি’র ডিজি হাসান মারুফ’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ কার্যালয় পরিদর্শন ও মতবিনিময়

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)’র মহাপরিচালক হাসান মারুফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে মহাপরিচালক মহোদয়কে গার্ড অব অনার (স্যালুট) প্রদান করা হয় এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়। পরিদর্শন শেষে মহাপরিচালক হাসান মারুফ জেলা কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মাদক নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়সমূহ নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় জেলায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    মতবিনিময় সভায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয় উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান বিগত এক বছরের মাদকবিরোধী কার্যক্রমের সার্বিক চিত্র উপস্থাপন করেন। উপস্থাপিত কার্যক্রমের ওপর সন্তোষ প্রকাশ করেন উপস্থিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান। মহাপরিচালক হাসান মারুফ ডিএনসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন মতামত মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। মতবিনিময় সভায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সিনিয়র সচিব বরাবর ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির স্মারকলিপি

    হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভূমি সহকারী ও ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তারা

    সিনিয়র সচিব বরাবর ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির স্মারকলিপি

    দলিলের যথাযথ যাচাই ও নিষ্পত্তি ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক ফৌজদারি মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। এতে করে মাঠ পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এই কর্মকর্তারা চরম মানসিক চাপ, হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি। প্রেক্ষিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর একটি লিখিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ফয়সাল রায়হান। স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। স্মারকলিপিতে বলা হয়, দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব আদায়ে ভূমি সহকারী ও উপ-সহকারী কর্মকর্তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও বাস্তবে তাদের ক্ষমতা সীমিত। দলিলের সত্যতা যাচাই কিংবা রেজিস্ট্রেশন বাতিলের এখতিয়ার না থাকলেও নানা সময় ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হচ্ছে। স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সারাদেশে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ একটি সংবেদনশীল বিষয় হলেও কিছু অসাধু মহল ব্যক্তিস্বার্থে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের হয়রানি করছে। এতে করে স্বাভাবিক দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং সরকারি রাজস্ব আদায় ও সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, এসব অযৌক্তিক মামলা বন্ধে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন ও কর্মকর্তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করারও আহ্বান জানানো হয়েছে। স্মারকলিপিতে ছয় দফা যৌক্তিক দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হচ্ছে, দলিলের সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও মামলা দায়ের বন্ধ করা, বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে শূন্য পদে নিয়োগ প্রদান, ভূমি সহকারী ও উপ-সহকারী কর্মকর্তাদের গ্রেড উন্নীত করা, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং রেশন নির্ধারণ ও ভাতা কাঠামো যুগোপযোগী করা। বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, বিষয়টি মানবিক ও ন্যায়সঙ্গতভাবে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • ভালুকায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা ঔষধ ও চশমা বিতরণ

    ভালুকায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা ঔষধ ও চশমা বিতরণ

    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার আলহাজ্ব মোঃ আবুল কাশেমের স্ত্রী মরহুমা মাহমুদা খাতুনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ শতাধিক অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা, ওষুধ, চশমা ও খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মাহমুদা-কাশেম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও মায়ের মাদরাসার উদ্যোগে এবং ভালুকা ভিশন সেন্টার ও ডাঃ কে জামান বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় ডাঃ প্রমার নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের পাড়াগাঁও (বড়চালা) এলাকায় দিনব্যাপী এই মানবিক কর্মসূচি পরিচালনা করে। মেডিকেল ক্যাম্পে চক্ষু চিকিৎসায় অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বিনামূল্যে সেবা প্রদান করেন। নারী, শিশু ও বয়স্কসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ এ সেবা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে ওষুধ ও চশমা সরবরাহ করা হয়। “চোহে খোয়া দেহি, বিশ করে। নিচমুখ চাহিলে চোখ ভাইঙ্গা যায়। এক মাস ধইরা আমার এই সমস্যা। পয়সা নাই তাই এতোদিন ওষুধ, চিকিৎসা করাইতে পারি নাই। মাইক মারছে, হুনছি ফ্রি চোখ দেখবো তাই এইহানে আইছে।” বলছিলেন, হবিরবাড়ী ইউনিয়নের গাংগাটিয়া গ্রাম থেকে আসা ৭০ বছর বয়সের রহিমা খাতুন। বিকেলে মরহুমা মাহমুদা খাতুনসহ এলাকার মৃতদের জন্য ইছালে সওয়াব মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রায় এক হাজার মুসল্লির মধ্যে খাবার পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে মাদরাসার দাতা আলহাজ্ব আবুল কাশেম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বড়চালা কেন্দ্রীয় মসজিদ ও মাদরাসার সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম সরকার, প্রভাষক জাহান আশরাফ, বিসমিল্লাহ সুইটসের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ উল্লাহ আলম, শিক্ষক তরিকুল ইসলাম, সাংবাদিক রোমান আহমেদ নকিব, স্বেচ্ছাসেবী খালিদ জামিল কাব্যসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ ও গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন। মায়ের মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি হাবিব জিহাদী বলেন, “আম্মার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ওষুধ-চশমা বিতরণ করা হয়েছে। সবার সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।” স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণ অসহায় মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং এলাকাবাসীর জন্য বাস্তব সহায়তা হিসেবে কাজ করেছে।
    উল্লেখ্য, মরহুমা মাহমুদা খাতুন সাংবাদিক সফিউল্লাহ আনসারীর গর্ভধারিনী মা।