Blog

  • নাচোলে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভা ॥ ইনসাফ কায়েমের প্রতিশ্রুতি

    নাচোলে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভা ॥ ইনসাফ কায়েমের প্রতিশ্রুতি

    নাচোলে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভা ॥ ইনসাফ কায়েমের প্রতিশ্রুতি

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে এলাকা। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. মু. মিজানুর রহমানের সমর্থনে নাচোলে এক বিশাল নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নাচোল হাটচাতালে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ড. মু. মিজানুর রহমান। নাচোল উপজেলা আমীর ইয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে এবং পৌর আমীর মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর আবুজার গিফারি ও জেলা সহ-সেক্রেটারি তথা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক ইয়াহ্ইয়া খালেদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মু. মিজানুর রহমান বলেন, আমরা এমন এক সমাজ গড়তে চাই যেখানে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ঘুষ ও দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না। জনপদে শান্তি ও ন্যায়বিচার তথা ইনসাফ কায়েমের লক্ষ্যে আমি আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি। তিনি আগামী নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে এই জনপদে আমূল পরিবর্তনের আহ্বান জানান। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, নাচোল পৌর নায়েবে আমীর ডাঃ রফিকুল ইসলাম। গোমস্তাপুর উপজেলা আমীর ইমামুল হোদা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ইসাহাক। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মারুফুল ইসলাম। এছাড়াও স্থানীয় জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সভায় অংশ নেন। বক্তারা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায় প্রতিফলিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

  • টাঙ্গাইলে ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি-জামায়াতসহ অন্য প্রার্থীরা

    টাঙ্গাইলে ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি-জামায়াতসহ অন্য প্রার্থীরা

    টাঙ্গাইলে ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি-জামায়াতসহ অন্য প্রার্থীরা

    টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ৩৪১ জন। এ আসনে বিএনপির মো. রবিউল আওয়াল (ধানের শীষ), বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জুয়েল সরকার(হরিণ), জামায়াতে ইসলামীর একেএম আব্দুল হামিদ (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয়পার্টির (জেপি) তারেক শামস খান হিমু (বাইসাইকেল), জাতীয় পার্টির মো. মামুনুর রহিম (লাঙল), ইসলামী আন্দোলনের মো. আখিনুর মিয়া (হাতপাখা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুল ইসলাম (মোরগ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে বিএনপির প্রতিশ্রুতি পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সংস্কার, জামায়াতের প্রতিশ্রুতি ইনসাফ ও সামাজিক নিরাপত্তা এবং অন্যান্য দলের প্রতিশ্রুতি সংস্কার ও সংহতি। নীরব’ ভোটাররাই ফ্যাক্টর। টাঙ্গাইলের ৬ আসনের প্রার্থীরা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উঠোন বৈঠক, পথসভা এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। প্রত্যেক প্রার্থী উপজেলা থেকে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়াচ্ছেন। কেবল পোস্টার বা মাইকিং নয়, এবার প্রার্থীরা জোর দিচ্ছেন ব্যক্তিগত গণসংযোগে। ভোটার পরিবারগুলোতে গিয়ে প্রার্থীরা অভয় দিচ্ছেন এবং উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন। আওয়ামীলীগের নাগরপুর-দেলদুয়ার একটি বড় অংশ এখনও নির্বাচন নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছেন এবং তারা এ নির্বাচন মানেন না। এখনো তারা আশায় আছে তাদের নেত্রী এক সময় ফিরে আসবে। তবে অনেকেই বিএনপি/জামায়েত বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সাথে যোগ দিয়েছে। তবে যাইহোক না কেন.. সংখ্যালঘু হিন্দু ভোটারদের টানতে বিএনপি ও জামায়াত কৌশলী ভূমিকা পালন করছে। অনেক সাধারণ ভোটার উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক শান্তি ও চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশের প্রত্যাশা করছেন। ভোটাররা এবার নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে এমনটা আশা করছেন সকলে।

  • সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি ॥ সভাপতি সোহেল-সম্পাদক পলাশ

    সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি ॥ সভাপতি সোহেল-সম্পাদক পলাশ

    সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি ॥ সভাপতি সোহেল-সম্পাদক পলাশ

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে আগামী দুই বছরের জন্য ৯ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি হিসেবে দৈনিক সমকাল-এর প্রতিনিধি মো. শাহজাহান সোহেল এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যমুনা টিভি-র জেলা প্রতিনিধি জিল্লুর রহমান পলাশ নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের নিজস্ব কার্যালয়ে এ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি তাজুল ইসলাম রেজার সভাপতিত্বে সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কার্যকরী কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম (করতোয়া), সহ-সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল হোসেন জাকির (একাত্তর টিভি, কালবেলা), সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম (দৈনিক ভোরের ডাক), অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম (ডেসটিনি, জনসংকেত)। কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাজুল ইসলাম রেজা (ইত্তেফাক, বিডিনিউজ), খোরশেদ আলম (দৈনিক সংবাদ, ঘাঘট) ও ছোলায়মান সরকার (যুগান্তর)। এছাড়া সাধারণ পরিষদের সদস্য হিসেবে রয়েছেন, আবদুল জব্বার আকন্দ (সাতমাথা), এস এম আসাদুজ্জামান (আমার দেশ), নয়ন কুমার সাহা (প্রভাতের আলো), সাইদুর রহমান (নিউজ ডটনেট), আব্দুল কাফি সরকার (ক্যাম্পাস টাইমস) ও শামিম সর্দার (নয়া দিগন্ত)। সাধারণ সভায় বিদায়ী কমিটির গত দুই বছরের কার্যক্রম ও প্রেসক্লাবের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বক্তারা উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ববোধ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। সভা শেষে বিদায়ী সভাপতি তাজুল ইসলাম রেজা এবং সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম আনুষ্ঠানিকভাবে নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ সময় নবনির্বাচিত কমিটি প্রেসক্লাবের সকল সদস্যসহ কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। এরআগে, ২০২০ সালেও দুই বছর মেয়াদি কমিটিতে শাহজাহান সোহেল সভাপতি ও জিল্লুর রহমান পলাশ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। জিল্লুর রহমান পলাশ যমুনা টিভির পাশাপাশি বাংলা ট্রিবিউনের গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি। উল্লেখ্য, গাইবান্ধা জেলার পেশাদার সাংবাদিকদের একমাত্র ঐক্যবদ্ধ সংগঠন সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাব ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১১ সালে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের পর সাদুল্লাপুরে কর্মরত সাংবাদিকরা সকল বিভেদ ভুলে ঐক্যের ভিত্তিতে সংগঠনটি পুনর্গঠন করেন। বর্তমানে প্রেসক্লাবটি সাদুল্লাপুর বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে অবস্থিত।

  • নওগাঁ-১ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার দ্বিমুখী লড়াইয়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

    নওগাঁ-১ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার দ্বিমুখী লড়াইয়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

    নওগাঁ-১ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার দ্বিমুখী লড়াইয়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা, সাপাহার) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা তুঙ্গে। উপজেলার পাড়া-মহল্লা ও অলিগলি, রাজপথগুলো মুখর হয়ে উঠেছে। এ আসনে এবার ভোটের লড়াই মূলত বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মধ্যে কেন্দ্রীভূত। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ-১ আসনটি বিএনপি’র ঘাঁটি হিসাবে সুপরিচিত। মাঝে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হোঁচট খাওয়ায় বিএনপি এই আসনটি হারিয়ে ফেলে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনটি পুনুরুদ্ধার করার জন্য বিএনপি’র সামনে অপার সম্ভাবনা হাতছানি দিচ্ছে। এখানে বিএনপি’র জন্য ঝুঁকি ছিলো নিজেদের মধ্যে গ্রুপিং। কিন্তু বর্তমানে নির্বাচনী ডামাডোলে সকল গ্রুপ ভেদাভেদ ভুলে কাজ করছে। নওগাঁ-১ আসনে বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় এই আসনটি বিএনপি সহজেই পুনুরুদ্ধার করতে পারবে তো। তবে আওয়ামী লীগ সমর্থক, নতুন ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারেরা ভোটে এ আসনের জয়-পরাজয় নির্ধারণ করতে পারে। প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকেই প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা উপজেলার ২০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা শুরু করেন। শুক্রবার ছুটির দিনেও সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে তাদের দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা দলে দলে ভাগ হয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কেন্দ্রভিত্তিক প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা, সাপাহার) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৫ জন প্রার্থী। তারা হলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাহবুবুল আলম (দাঁড়িপাল্লা), স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. ছালেক চৌধুরী (মোটরসাইকেল)। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল হক শাহ (হাত পাখা), জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী আকবর আলী কালু (লাঙ্গল)। নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ -১ আসন (নিয়ামতপুর, পোরশা, সাপাহার) ভোটকেন্দ্রের সংখ্যার -১৬৬ টি। মোট ভোটার সংখ্যা ৪৭৪০৬৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২৩৫৩৭৭ জন ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ২৩৮৬৮৪জন এবং হিজড়া ভোটার সংখ্যা ৪ জন। এ আসনে ২০০৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় তরুণ ভোটারের সংখ্যা ৯৭ হাজার এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। তরুণ ভোটার মাসুদ রানা বলেন, নির্বাচনে প্রচারণা হলো ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করার একটা প্রক্রিয়া। এ সময় প্রার্থীরা নানা রকম কথার ফুলঝুঁরি প্রদান করবেন, প্রতিশ্রুতি দিবেন এটাই স্বাভাবিক। এর মধ্য থেকেই মানুষকে তাদের পছন্দের নেতাকে বেছে নিতে হবে। যে প্রার্থী আমাদের এলাকায় উন্নয়ন করবে, কৃষকদের পাশে থাকবে আমরা এমন প্রার্থীকে ভোট দিব। কোরআন ও সুন্নাহের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিশ্রতি যারা প্রদান করবেন তাকেই ভোট দেওয়া দরকার বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক প্রবীণ নেতা বলেন, খোলা চোখে বিএনপি নেতৃবৃন্দ মনে করছে সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগের সমর্থকরা দাঁড়িপাল্লা তথা জামায়াতের প্রার্থীকে কখনওই ভোট দিবে না। এদের ভোট ধানের শীষেই আসবে। কিন্তু রাজনীতির নিমর্ম বেড়াজালে পড়ে যদি এই হিসাব পাল্টে যায় তাহলে ধানের শীষের জয়ের ক্ষেত্রে একটা বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। বিএনপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিএনপির ক্ষমতায় গেলে তিন উপজেলার মধ্যে রেল যোগাযোগের স্থাপনা নিমার্ণ করা হবে। যাতে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্য অল্প খরচে সহজেই শহরে নিয়ে গিয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে পারে। শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়ন, সুদ মুক্ত কৃষি ঋণ, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে। এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন করা হবে। কৃষকদের প্রয়োজনে সাইলো নির্মাণ করা হবে। তিনি আরোও বলেন, এসব উপজেলা সীমান্তবর্তী হওয়ায় এখানে সহজেই মাদকদ্রব্য প্রবেশ করে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এ আসনটিতে বর্তমানে বিএনপি বেশ শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে। এলাকার উন্নয়নের জন্য আসন্ন নির্বাচনে ভোটাররা ধানের শীষের প্রার্থীকেই বেছে নিবে। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মাহবুবুল আলম বলেন, এবারের নির্বাচনে এ অঞ্চলের মানুষ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেবেন। কারণ ভোটাররা এবার পরিবর্তনের একটি আবহাওয়া দেখতে চায়। সেই হিসেবে সাধারণ ভোটাররা এবার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে।

  • হারিয়ে গেছে গ্রামের পাটকুয়ার হাসি! নতুন প্রজন্মের কাছে পাটকুয়া ইতিহাস

    হারিয়ে গেছে গ্রামের পাটকুয়ার হাসি! নতুন প্রজন্মের কাছে পাটকুয়া ইতিহাস

    হারিয়ে গেছে গ্রামের পাটকুয়ার হাসি! নতুন প্রজন্মের কাছে পাটকুয়া ইতিহাস

    হারিয়ে গেছে গ্রামীন অঞ্চলের সেই পাটকুয়া। একসময়ের বিষুদ্ধ পানির একমাত্র মাধ্যম এই পাটকুয়া নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস। নতুন প্রজন্ম চেনেই না এই পাটকুয়া কি, জানেও না এই পাটকুয়ার ইতিহাস। অথচ এক সময় এই পাটকুয়ার পানি দিয়েই চলতো গ্রামীন জনপদের খাওয়া, গোসল করাসহ অন্যান্য প্রয়োজন। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় পাল্টে গেছে পানির উৎস। এক সময় এই গ্রামের সকাল শুরু হতো পাটকুয়া ঘিরে। টুপটাপ পানির শব্দ, কলসির ঠকঠক আওয়াজ, আর নারীদের হাসি-আড্ডা মিলে যেন এক অনবদ্য সুরে বেজে উঠতো গ্রামীণ জীবনের সকালটা। শিশুরা তখন পাটকুয়ার পাশে ছুটে বেড়াত, কেউ পানিতে পা ডুবিয়ে খেলত, কেউ মাটিতে লাট্টু ঘোরাত। পাটকুয়া শুধু পানির উৎস ছিল না, ছিল গ্রামের প্রাণের স্পন্দন। আজ সেই পাটকুয়া যেন নির্বাক এক স্মৃতিস্তম্ভ। পাশে আর কোনো নারী আসে না, শিশুর কোলাহলও নেই। আধুনিকতার দৌড়ে টিউবওয়েল, ডিপটিউবওয়েল, মোটরচালিত পানির লাইন এসে যেন গ্রামীণ জীবনের সেই সজীব অধ্যায়টাকে নিঃশব্দে মুছে দিয়েছে। পাটকুয়ার পাশের পুরনো গাছটা এখনো দাঁড়িয়ে আছে—কিন্তু তার নিচে আর কেউ বসে গল্প করে না। এক সময় সেই গাছের ছায়াতেই রোজ বিকেলে হতো মেয়েদের হাসি-ঠাট্টা, শাড়ি ধোয়ার ফেনায় মিশে যেত এক অন্যরকম আনন্দ। এখন সেখানে নিঃস্তব্ধতা। কেবল বাতাসে উড়ে আসে শুকনো পাতার শব্দ।
    গ্রামের প্রবীণদের মুখে এখনো শোনা যায় সেই দিনের গল্প। “সেই সময় পাটকুয়ার পানি ছিল সবার অভিন্ন অধিকার। কে আগে, কে পরে—এ নিয়ে হাসি-ঠাট্টা চলত সকাল থেকে দুপুর। কেউ কলসি ভরত, কেউ পাশে বসে সুর করে গান ধরত। আর শিশুরা? তারা ছিল পাটকুয়ার প্রাণ।”
    এখন গ্রামের শিশুরা মোবাইল হাতে খেলে। পাটকুয়ার গল্প তারা জানেই না। জানে না, একসময় সেই কুয়া ঘিরেই গড়ে উঠেছিল ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, এমনকি ছোটখাটো উৎসবও। পাটকুয়া এখন শুকিয়ে গেছে, কিন্তু তার সঙ্গে শুকিয়ে গেছে গ্রামীণ সম্পর্কের উষ্ণতাও। আধুনিকতা সুবিধা এনে দিয়েছে, কিন্তু কেড়ে নিয়েছে সেই সরল আবেগ, সেই মিলনের মুহূর্তগুলো। যে পাটকুয়া একসময় হাসির প্রতিধ্বনিতে মুখর ছিল, আজ সেখানে নীরবতার প্রতিধ্বনি বাজে। আর গ্রামবাংলার সেই স্মৃতি, এখন শুধু ইতিহাসের পাতায়, বুড়ো কণ্ঠের গল্পে, আর কিছু হারানো চোখের জলে।

  • এমপিওভুক্ত হচ্ছে নতুন ১৭১৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

    এমপিওভুক্ত হচ্ছে নতুন ১৭১৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

    এমপিওভুক্ত হচ্ছে নতুন ১৭১৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

    নতুন করে এমপিওভুক্ত হতে যাচ্ছে দেশের বেসরকারি নন-এমপিও এক হাজার ৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এমপিওভুক্তির জন্য মোট তিন হাজার ৬১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৭১৯টিকে যোগ্য বিবেচনা করা হয়েছে। নির্বাচিত তালিকায় রয়েছে; ৪৭১টি নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৬২৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৩৫টি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৪৫টি উচ্চমাধ্যমিক কলেজ, ৭৮টি দাখিল, ২০২টি আলিম ও ৩৫টি ফাজিল মাদ্রাসা, ৭৮টি স্নাতক (পাস) কলেজ, ২৩২টি স্নাতক (সম্মান) কলেজ, ৩৫টি স্নাতকোত্তর কলেজ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে বছরে অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ৬৭০ কোটি টাকা। এজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চেয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। তার অনুমোদনও মিলেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, তালিকাভুক্ত অনেক প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী নেই, পাঠদান কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। তবু অর্থের বিনিময়ে সেগুলো যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
    এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হয় গত ১৪ জানুয়ারি এবং শেষ হয় ২৫ জানুয়ারি। এরপর মাত্র আট কর্মদিবসের মধ্যেই তিন হাজার ৬১৫টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই-বাছাই শেষ করে তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। মাউশির ওই কর্মকর্তা বলেন, দিনে গড়ে ৪৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই করা প্রায় অসম্ভব। এতে সন্দেহ জাগে, কিছু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আগেই সমঝোতা ছিল। ফলে আবেদন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলো অনুমোদনের তালিকায় চলে এসেছে, আর বাকিগুলো যাচাই না করেই বাদ দেওয়া হয়েছে।
    এমপিওভুক্তি চূড়ান্ত হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় বাড়বে ৬৭০ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে—৪৭১টি নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যয় হবে ১৮৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, ১৪৫টি উচ্চমাধ্যমিক কলেজে ১২৭ কোটি ১১ লাখ টাকা, ২৩২টি স্নাতক (সম্মান) কলেজে ১২৫ কোটি টাকা, ৬২৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, ১৩৫টি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০২ কোটি ২২ লাখ টাকা, ২৩২টি স্নাতক (পাস) কলেজে ৩৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এমপিওভুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচন করা হয়েছে।

  • সোনামসজিদ স্থলবন্দর পর্যন্ত রেল সম্প্রসারণ করা হবে-শাহজাহান মিঞা

    সোনামসজিদ স্থলবন্দর পর্যন্ত রেল সম্প্রসারণ করা হবে-শাহজাহান মিঞা

    সোনামসজিদ স্থলবন্দর পর্যন্ত রেল সম্প্রসারণ করা হবে-শাহজাহান মিঞা

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সোনামসজিদ স্থলবন্দর পর্যন্ত রেল সম্প্রসারণ ও চার লেন রাস্তা নির্মাণ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা। শুক্রবার বিকেলে জেলার রাণীহাটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইসলামকে ধংস করার জন্য জামায়াত যথেষ্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোজা ও পূজাকে তারা এক করে দিয়েছেন। জামায়াত ইসলামী ছোট দল দাবি করে তিনি বলেন, খালি কলস বাজে বেশি, পুটির মাছ লাফাই বেশি। নয়ালাভাঙা ইউনিয়ন বিএনপি এ জনসভার আয়োজন করে। নয়ালাভাঙা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আশরাফুল হক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ ও শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব তোসিকুল আলমসহ অন্যরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সৌদি আরবের আরাফার ময়দানে হাজার হাজার নিমগাছ রোপণ করেছিলেন, যা বর্তমানে হজযাত্রীদের ছায়া দিচ্ছে। সেখানে আজও তৃপ্তিভরে হাজিরা জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশের নাম উচ্চারণ করা হয়। জনসভায় অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ইসলামের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তিনি দাবি করেন, বিএনপিই প্রকৃত ইসলামী দল এবং সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন। দলটির বক্তব্য ও কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইসলামকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য অন্য কারও প্রয়োজন নেই, জামায়াতই যথেষ্ট। তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করে বলেন, যেন জনগণকে জামায়াতে ইসলামীর কার্যক্রম থেকে রক্ষা করা হয়। অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে এলাকার উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিষদ মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নিবার্হী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন।
    সভায় বক্তব্য রাখেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন তানভীর, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আলম, বারঘরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, ঝিলিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফল হাসান, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় চ্যাটার্জী, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি অর্জন চৌধুরী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক অজিত দাস, সিসিডিবি মোড়স্থ গীর্জা পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিথিকা বাড়ই, আদিবাসী নেতা কর্ণে লুইস মুরমু প্রমুখ। বক্তারা, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার এবং সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায়, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, হিন্দু, আদিবাসী, বৌদ্ধ
    খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের এবং মন্দির, মঠ ও গির্জার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আদিবাসীসহ ধর্র্মীয় সংখ্যালঘুদের ৫ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আদিবাসীসহ ধর্র্মীয় সংখ্যালঘুদের ৫ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আদিবাসীসহ ধর্র্মীয় সংখ্যালঘুদের ৫ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আদিবাসীসহ ধর্র্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের লক্ষে ৫ দফা দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে আদিবাসী নেতৃবন্দ। শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবে উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম এর আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এই দাবি উত্থাপন করেন উচ্চ আদালতের আইনজীবী ও উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক প্রভাত টুডু। নিরাপদে ভোট দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের কাছে দাবী জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী মহানগর সভাপতি সুমি মুরমু, সংগঠনটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক প্রদীপ হেমব্রম, কোল নেত্রী রুমালী হাসদাঁ, আদিবাসী নেত্রী মনিকা মনিকা সরেন। উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম এর দাবিগুলো হচ্ছে (১) নির্বাচন ও নির্বাচনকালীন সরকারকে আদিবাসী ও সংখ্যালঘুদের সুষ্ঠু ভোটাধিকার প্রয়োগে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণসহ বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। (২) নির্বাচন পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে আদিবাসী ও সংখ্যালঘু বিরোধী সহিংসতা প্রতিরোধে রাষ্ট্র তথা সেনা, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। (৩) নির্বাচন কমিশনকে আরো সক্রিয়, নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো ধরনের ভয়ভীতি, হুমকি বা প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। (৪) সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল তাদের অঙ্গীকার নির্বাচনী ইশতেহারে আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, উত্তরবঙ্গ থেকে একজন আদিবাসী টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ও সংরক্ষিত আসনে সংসদে প্রতিনিধি নির্বাচন,

    সমতলের আদিবাসীদের পৃথক মন্ত্রণালয় ও ভূমি কমিশন গঠন করার বিষয়গুলো অর্ন্তভুক্ত করতে হবে। (৫) আদিবাসী ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভোটারদের সচেতনতা ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। প্রভাত টুডু বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আদিবাসী ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে বৈষম্য, ভীতি, নিপীড়ন ও সহিংসতার শিকার হয়ে আসছে। নির্বাচন এলেই এই জনগোষ্ঠীর মানুষ আরো বেশি আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ১১, ২৭, ২৮ এবং ৩৭ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে সকল নাগরিকের সমান অধিকার, নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ ও ভোটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। সম্মেলনে প্রভাত টুডু বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই-ভোটাধিকার কোনো দয়া নয়, এটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। নিরাপত্তা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আমরা বিশ্বাস করি, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই পারে দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে। আর সেই গণতন্ত্র তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন দেশের সর্বস্তরের মানুষ-আদিবাসী, সংখ্যালঘু, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী-নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

  • বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন জাকসু ভিপি জিতুসহ ১১ ছাত্রনেতা

    বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন জাকসু ভিপি জিতুসহ ১১ ছাত্রনেতা

    বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন জাকসু ভিপি জিতুসহ ১১ ছাত্রনেতা

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) আবদুর রশিদ জিতু আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দিয়েছেন। একই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল সংসদের ভিপি-জিএসসহ আরও ১১ জন শীর্ষ ছাত্রনেতা ছাত্রদলে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই যোগদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের উপস্থিতিতে তাঁরা দলে যোগ দেন। এ সময় জাকসু ভিপি আবদুর রশিদ জিতু বলেন, ‘৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১ ও ২৪-এর চেতনাকে ধারণ করে একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমি আজ থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হয়ে কাজ করব ইনশা আল্লাহ।’ ছাত্রদলে যোগদান করা হল সংসদের নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, নবাব সলিমুল্লাহ হলের ভিপি ইবনে শিহাব, আল বেরুনী হলের ভিপি রিফাত আহমেদ শাকিল, আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের ভিপি জি এম এম রায়হান কবীর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের ভিপি অমিত বনিক, নওয়াব ফয়জুননেসা হলের ভিপি বুবলি আহমেদ, বেগম খালেদা জিয়া হলের ভিপি ফারহানা রিথী এবং শহীদ সালাম বরকত হলের ভিপি মারুফ হাসান। এছাড়া জিএস ও এজিএস পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—মীর মোশাররফ হোসেন হলের জিএস শাহরিয়া নাজিম রিয়াদ, শহীদ রফিক জব্বার হলের জিএস শরীফুল ইসলাম, শহীদ সালাম বরকত হলের জিএস মাসুদ রানা মিষ্টু এবং আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের এজিএস রিপন মন্ডল। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নবীন এই নেতাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।