Blog

  • র‌্যাবের হাতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাবের হাতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাবের হাতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    মাদক বিরোধী অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা এলাকার আলীনগর রেলপাড়া হতে ২৬ পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারী আটক হয়েছে র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যদের হাতে। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কল্যানপুর গ্রামের মোঃ মনিরুল ইসলামের ছেলে মোঃ আব্দুল হাকিম (২৩)। র‌্যাবের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, র‌্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল ২৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড এর আলীনগর রেলপাড়া গ্রামস্থ পাকা রাস্তার উপর থেকে মাদক কারবারী মোঃ আব্দুল হাকিম কে ২৬ পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট’সহ ঘটনাস্থলে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

  • কাজী নজরুল ইসলাম সাহিত্য সম্মাননা পেলেন সাতক্ষীরার কবি রুহুল আমিন

    কাজী নজরুল ইসলাম সাহিত্য সম্মাননা পেলেন সাতক্ষীরার কবি রুহুল আমিন

    চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। বিভিন্ন জেলা থেকে কবি কাজী নজরুল ইসলামের উপর কবিতা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। এবং বিজয়ী কবিদের কে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সাহিত্য সম্মাননা প্রদান করা হয়। এবং উক্ত প্রতিযোগিতার বিজয়ী কবিতার ম্যাগাজিন উপহার দেওয়া হয়। আমি কবির এই সাফল্য অর্জনে গৌরব বোধ করছি। কবির সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ডাঃ শাহাদাত হোসেন। উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম নসরুল কদির। প্রধান আলোচক বহু ভাষাবিদ গবেষক ও সম্পাদক মাহামুদুল হাসান নিজামী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নজরুল গবেষণা কেন্দ্র পরিচালক অধ্যাপক ডা মোঃ ফরিদ উদ্দিন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি মোঃ সায়েদুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কবি, প্রাবন্ধিক ও সমাজচিন্তক মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম। এছাড়া সাংবাদিক কবি সাহিত্যিকগণ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। যৌথ কাব্যগ্রন্থ এবং কবি নজরুল ইসলাম সাহিত্য সম্মাননার ম্যাগাজিনের মৌড়ক উন্মোচিত হয়।

  • মায়ের স্মৃতিতে এক যুগ ॥ নাটোরে রত্নগর্ভা হাজেরা খাতুন স্মৃতি পদক প্রদান

    মায়ের স্মৃতিতে এক যুগ ॥ নাটোরে রত্নগর্ভা হাজেরা খাতুন স্মৃতি পদক প্রদান

    মায়ের স্মৃতিতে এক যুগ ॥ নাটোরে রত্নগর্ভা হাজেরা খাতুন স্মৃতি পদক প্রদান

    পৃথিবীতে মা-বাবার চেয়ে বড় সম্পদ আর কিছু নেই। বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে মা-বাবার স্মৃতি রক্ষার্থে নিঃস্বার্থ ও ধারাবাহিক উদ্যোগ খুব একটা চোখে পড়ে না। সেই বিরল দৃষ্টান্তই স্থাপন করেছেন নাটোরের বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ রবিউল আউয়াল (রবি বাঙালি)। নিজ মায়ের স্মৃতিকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ধারণ করে তিনি নিজ উদ্যোগে ও নিজ অর্থায়নে দীর্ঘ এক যুগ ধরে প্রবর্তন করে আসছেন ‘রত্নগর্ভা হাজেরা খাতুন স্মৃতি পদক’, যা সমাজ ও সাহিত্যের শুদ্ধ মেধা বিকাশে একটি অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ ডিসেম্বর ঐতিহ্যবাহী নাটোর ভিক্টোরিয়া পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় ‘রত্নগর্ভা হাজেরা খাতুন স্মৃতি পদক-২০২৫’ প্রদান ও সাহিত্য সম্মেলন। হাজেরা ফাউন্ডেশন, নিতাইনগর, বড়াইগ্রাম, নাটোরের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

    অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত বরেণ্য কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদার। ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক রবিউল আউয়াল (রবি বাঙালি)-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছড়াকার ও গীতিকার অনীক রহমান বুলবুল, ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস এবং আলমগীর কবীর হৃদয়। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে অধিকাংশ সম্মাননা যখন রেজিস্ট্রেশন ফি কিংবা বাণিজ্যিক বিনিময়ের সঙ্গে যুক্ত, তখন কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন ছাড়াই সম্পূর্ণ মেধা, সাহিত্যচর্চা ও মানবিক অবদানের ভিত্তিতে এই সম্মাননা প্রদান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। মা–বাবার স্মৃতির প্রতি এমন নিঃস্বার্থ শ্রদ্ধা কেবল একটি পদক প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা সমাজে নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও মানবিক দায়বদ্ধতার বার্তা পৌঁছে দেয়। পদকপ্রাপ্তদের তালিকা:এ বছর শিক্ষা, গবেষণা, সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ জন গুণী ব্যক্তিত্বকে ‘রত্নগর্ভা হাজেরা খাতুন স্মৃতি পদক–২০২৫’ প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন, ১. শফিউদ্দীন সরদার (মরণোত্তর), ঐতিহাসিক উপন্যাস, ২. কবিরত্ন মোহাম্মদ হাছার উদ্দিন (মরণোত্তর), সনেট সাহিত্য, ৩. জাকির তালুকদার, কথাসাহিত্য, ৪. ডা. মো. জাহেদুল ইসলাম — চিকিৎসা ও সমাজসেবা, ৫. মোশাররফ হোসেন মুসা, সাংবাদিকতা, ৬. মো. নূরুল আবসার সাহিত্য পত্রিকা, ৭. ইদ্রিস আলী মধু কবিতা, ৮. নাহিদ হাসান রবিন ছোটগল্প, ৯. গোলাম রসূল প্লাবন আধুনিক কবিতা, ১০. ড. মো. হাফিজুর রহমান সনেট সাহিত্য, ১১. মো. আজিজুল ইসলাম উজ্জ্বল গবেষণা, ১২. অনিমা দেবনাথ কথাসাহিত্য, ১৩. নাজমা নাহার মাধবী সাহিত্য ও সংস্কৃতি, ১৪. জনি সিদ্দিক উদীয়মান তরুণ লেখক (প্রবন্ধ, গল্প, ছড়া ও কবিতা), ১৫. মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ উপন্যাস, ১৬. প্রফেসর মো. আব্দুস সবুর খন্দকার শিক্ষা ও সাহিত্য, ১৭. আহমুদুল হক চৌধুরী স্বপন সংগঠক ও সমাজসেবা, ১৮. কবি মো. আব্দুল মান্নান শেখ কবিতা, ১৯. বাউল কার্তিক উদাস গীতিকার, ২০. আব্দুল খালেক শিশু সাহিত্য পত্রিকা এবং ২১. মোছা. মাইমুনা খাতুন কৃতি শিক্ষার্থী (এমবিবিএস)। অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া, ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কবি ও সাহিত্যিকরা স্বরচিত কবিতা পাঠ ও সাহিত্য আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এতে মিলনায়তন পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত সাহিত্য মিলন মেলায়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অধ্যাপক রবিউল আউয়াল (রবি বাঙালি) রচিত ‘শহিদ জিয়ার জীবনদর্শন’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। মায়ের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই আয়োজন কেবল একটি সম্মাননা অনুষ্ঠান নয়; এটি আগামী দিনের সাহিত্যকর্মী ও সমাজসেবীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে।

  • অবৈধ অনুপ্রবেশকালে বিভিষন সীমান্তে ৫ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি

    অবৈধ অনুপ্রবেশকালে বিভিষন সীমান্তে ৫ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি

    অবৈধ অনুপ্রবেশকালে বিভিষন সীমান্তে ৫ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি

    ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে (বিজিবি)। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল আনুমানিক ৭টা ৪০ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিভিষন বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সীমান্ত পিলার ২১৯/৭১-আর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে লালমাটি খাড়ির ঘাট নামক স্থান দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় তাদের আটক করা হয়। আটককৃত পাঁচজনই বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা ভারতের বিভিন্ন কারাগারে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফেরার চেষ্টা করছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক ব্যক্তিদের গোমস্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম, পিএসসি জানান, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় গরু ও মাদক পাচার, অবৈধ সীমান্ত পারাপার এবং সব ধরনের চোরাচালান রোধে বিজিবির সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত থাকবে। সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

  • নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন ভালুকার বিএনপি নেতা মোর্শেদ আলম

    নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন ভালুকার বিএনপি নেতা মোর্শেদ আলম

    দলীয় সব পদ-পদবি থেকে পদত্যাগ করে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি নেতা আলহাজ মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম। তিনি ভালুকা উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। উপজেলা ও জেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) উপজেলার জামিরদিয়া এলাকায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। এসময় মোর্শেদ আলম জানান, তিনি কোনো পদ বা ক্ষমতার আশায় রাজনীতি করেন না। ভালুকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ ও তাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, এই পথে যে কোনো ধরনের শাস্তি, বাধা কিংবা আঘাত আসুক না কেন, তা অতিক্রম করে তিনি জনগণের পাশেই থাকবেন। ভালুকাবাসীর প্রতি নির্বাচনে সহযোগিতা ও সমর্থনের আহ্বান জানিয়ে তিনি জনগণের সঙ্গে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • গোমস্তাপুরে মাদকবিরোধী মোরগ লড়াই-দৌড় ও ফুটবল টুর্নামেন্ট

    গোমস্তাপুরে মাদকবিরোধী মোরগ লড়াই-দৌড় ও ফুটবল টুর্নামেন্ট

    গোমস্তাপুরে মাদকবিরোধী মোরগ লড়াই-দৌড় ও ফুটবল টুর্নামেন্ট

    “খেলাধুলায় বাড়ে বল, মাদক ছেড়ে খেলতে চল” এই স্লোগানে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ব্যতিক্রমধর্মী মাদকবিরোধী ক্রীড়া আয়োজন হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে সোমবার (সকাল ১০টা) উপজেলার রহনপুর পিএম আইডিয়াল কলেজ মাঠে মোরগ লড়াই, দৌড় প্রতিযোগিতা, বড় ছেলে-মেয়েদের বল নিক্ষেপ এবং ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও খেলোয়াড়দের নিয়ে মাদকবিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। পরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, যা মাঠজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রহনপুর পুনর্ভবা মহানন্দা (পিএম) কলেজের অধ্যক্ষ ইমতিয়াজ মাসরুর এবং হুজরাপুর মডেল একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক নাহিদ ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, সারোয়ার জাহান সুমন, আল মামুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। খেলার সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রহনপুর ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ইফতিখার মাসরুর শুভ, সাংবাদিক এমরান আলী বাবু এবং কিশোর কমল প্রাইভেট একাডেমির পরিচালক শামসুদ্দিন সামশু। ফুটবল টুর্নামেন্টে ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে মাদক নয়, আম চাষে করবো বিশ্বজয়’ এবং ‘খেলাধুলায় বাড়ে বল, মাদক ছেড়ে খেলতে চল’, এই দুটি স্লোগান ধারণ করে দল অংশগ্রহণ করে। চূড়ান্ত খেলায় পুনর্ভবা ফুটবল একাদশ ও মহানন্দা ফুটবল একাদশ মুখোমুখি হয়। উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় পুনর্ভবা ফুটবল একাদশ বিজয় লাভ করে। অনুষ্ঠানজুড়ে মাদকবিরোধী বার্তা সংবলিত পোস্টার প্রদর্শন ও প্রচারণা চালানো হয়। বক্তারা বলেন, তরুণ সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পারলেই মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করা সম্ভব। একটি সুস্থ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলেও তারা মত প্রকাশ করেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হবে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

  • গাইবান্ধায় ঘুষ কেলেঙ্কারির পরও বহাল শিক্ষা অফিসার নকিবুল-নীরব প্রশাসন

    ভুয়া নিয়োগ-জাল নথিতে একাধিক এমপিও আবেদন ফাঁস!

    গাইবান্ধায় ঘুষ কেলেঙ্কারির পরও বহাল শিক্ষা অফিসার নকিবুল-নীরব প্রশাসন

    গাইবান্ধায় ভুয়া নিয়োগ ও জাল-জালিয়াতির নথিপত্র তৈরি করে শিক্ষক-কর্মচারীদের অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদন দাখিলের ঘটনা একের পর এক প্রকাশ্যে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত নভেম্বর মাসে সাদুল্লাপুর, সুন্দরগঞ্জ ও পলাশবাড়ী উপজেলার সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্তত ১১ জন ভুয়া নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও আবেদনে ভয়াবহ অনিয়ম ও জাল নথির তথ্য-প্রমাণ প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও কথিত নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দায়িত্বপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবিএম নকিবুল হাসানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও ‘ম্যানেজ’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব এমপিও আবেদন দাখিল করেন। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতিটি আবেদন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অগ্রায়নের বিনিময়ে মোটা অংকের অর্থ লেনদেন হয়েছে। একাধিক শিক্ষক-কর্মচারীর অভিযোগ, শিক্ষা অফিসার নকিবুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে পলাশবাড়ী উপজেলায় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাদুল্লাপুর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। তিন উপজেলার দায়িত্বে থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি এমপিও আবেদন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও ঘুষ-বাণিজ্যে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
    ভুয়া নিয়োগ ও জাল নথিভিত্তিক এমপিও আবেদনের বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে নড়েচড়ে বসেন জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আতাউর রহমান। তবে তিনি নিজেই একাধিক ভুয়া ও জাল এমপিও আবেদন ফাইল বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অগ্রায়নের বিষয়টি স্বীকার করেন। যদিও পরে কয়েকটি আবেদন বাতিল করা এবং কিছু ফাইল আলাদা করে রাখার দাবি করেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষা অফিসার এবিএম নকিবুল হাসানকে ব্যাখ্যা তলব করে নোটিশ দেন জেলা শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান। নোটিশে তাকে গত ২১ ডিসেম্বর স্বশরীরে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আতাউর রহমান বলেন, ‘নকিবুল যেসব জাল-জালিয়াতিপূর্ণ এমপিও আবেদন ফাইল অগ্রায়ন করেছে, সেগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। তার লিখিত জবাব পাওয়া গেছে। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের কাছেও শিক্ষকদের অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে।’ তবে অধীনস্ত কর্মকর্তা নকিবুল হাসানের সঙ্গে ঘুষ গ্রহণ ও অর্থ ভাগাভাগিতে জেলা শিক্ষা অফিসারের কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, এই প্রশ্ন শিক্ষক সমাজে তীব্রভাবে উঠেছে। একাধিক ভুয়া ও সৃজনকৃত কাগজপত্রের আবেদন অগ্রায়নের ঘটনায় জেলা শিক্ষা অফিসারকেও ঘিরে শিক্ষকরা ক্ষোভ ও সন্দেহ প্রকাশ করছেন।
    একাধিক অভিযোগ ও অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছয়জন, সাদুল্লাপুর উপজেলার দুটি বিদ্যালয়ের তিনজন এবং পলাশবাড়ী উপজেলার দুটি বিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও আবেদন ভুয়া নিয়োগ ও জাল নথির ভিত্তিতে দাখিল করা হয়েছে। এসব আবেদনে নিয়োগ প্রক্রিয়া, সিএস কপি ও সংশ্লিষ্ট নথিতে গুরুতর অসংগতি ও জালিয়াতির বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
    এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম বাগানচালী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক রাশেদা খাতুন ও নৈশপ্রহরী আল আমিন মিয়ার এমপিও আবেদন আগেই বাতিল হলেও পরবর্তীতে তা পুনরায় অগ্রায়ন করা হয়। একইভাবে শোভাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) গোলেনুর জাহান আকতার বানু এবং আব্দুল কাদের মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের জয়নাল আবেদীন (শারীরিক শিক্ষা) ও আখতারুজ্জামান রাজু (সামাজিক বিজ্ঞান), এই তিনজনের নিয়োগসংক্রান্ত সব কাগজপত্র অনুসন্ধানে সম্পূর্ণ জাল ও সৃজনকৃত বলে উঠে এসেছে। এর আগে সাদুল্লাপুর উপজেলার হিংগারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড বিএম কলেজের কথিত সহকারী শিক্ষক (আইসিটি) মোজাম্মেল হকের এমপিও আবেদন নিয়েও ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তিনি ২০০৪ সালে নিয়োগের দাবি করে ২০২৪ সালের ১১ জানুয়ারি এমপিও আবেদন করেন। অথচ যাচাই কমিটি জানায়, সংযুক্ত সিএস কপিতে শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর নেই। এছাড়া ২০২৪ সালের ২৮ মার্চে জেলা কমিটির যাচাই-বাছাইয়েও তার নিয়োগ ভুয়া ও জাল বলে প্রমাণ হয়েছিল। একইভাবে মাদারহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (আয়া) খালেদা খাতুনের এমপিও আবেদনও দাখিল করা হয়, যদিও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে নিয়োগ পরীক্ষা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব নথি শতভাগ ভুয়া ও কৃত্রিমভাবে তৈরি। অভিযোগ রয়েছে, ওই বিদ্যালয়ের এক সুচতুর প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী ৪ লাখ টাকা ঘুষ চুক্তিতে এমপিওভুক্তির সুপারিশ করে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাদের আবেদন দাখিল করান। এর আগে নকিবুল হাসানের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে গত ১০ ডিসেম্বর ছয়জন শিক্ষক-কর্মচারী গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগকারীদের দাবি, অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর কোনো তদন্ত শুরু হয়নি, বরং তারা নানাভাবে চাপ ও ভয়ভীতির মুখে রয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষা অফিসার এবিএম নকিবুল হাসান ফোনে ভুয়া নিয়োগ ও জালিয়াতিপূর্ণ এমপিও ফাইল অগ্রায়নের প্রশ্ন এড়িয়ে যান। এ সময় তিনি তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দেওয়া এবং তার পক্ষে ‘পজেটিভ’ সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানিয়ে ফোন কেটে দেন। নকিবুলের ঘুষ-বাণিজ্য ও ভুয়া নিয়োগে এমপিও ফাইল অগ্রায়নসহ নানা অভিযোগে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ কাধিক অভিযোগকারী জানান, অভিযোগের পরও নকিবুল হাসান প্রভাব খাটিয়ে এমপিও আবেদন অগ্রায়নের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। অভিযোগ ও নিজের দুর্নীতির বিষয় ধামাচাপা দিতে তদবির, দৌড়ঝাঁপ, সংবাদকর্মী ‘ম্যানেজ’ এবং অভিযোগকারীদের হুমকির অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগকারীদের একজন সহকারী প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবিরকে ফোনে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকিবুলের চাকরির মেয়াদ দেড়-দুই বছর বাকি থাকায় তিন উপজেলায় অফিস না করে জেলা শহরে বাসায় বসেই ‘অফিস’ পরিচালনা করছেন তিনি। এ কারণে ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে নিজের আখের গোছাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ। এদিকে, জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে শিক্ষক সমাজ দ্রুত সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমান তদন্ত শেষে দুর্নীতিবাজ নকিবুলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে।

  • জিলাপি বিক্রি করে মাসে ৪০ হাজার টাকা আয় করেন সিংড়ার আসাদ

    জিলাপি বিক্রি করে মাসে ৪০ হাজার টাকা আয় করেন সিংড়ার আসাদ

    জিলাপি বিক্রি করে মাসে ৪০ হাজার টাকা আয় করেন সিংড়ার আসাদ

    জিলাপি, পিয়াজু আর সিঙ্গাড়া বিক্রি করে মাসে আয় করেন ৪০ হাজার টাকা। তরুণ এই উদ্যোক্তার নাম আসাদ আলী (২৮)। বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলার ২নং ডাহিয়া ইউনিয়নের বিয়াশ গ্রাম। সিংড়া-বারুহাস রাস্তা সংলগ্ন বিয়াশ চার মাথায় আছে তার দোকান। এখানেই বিক্রি করেন মুখরোচক খাবার জিলাপি, পিয়াজু ও সিঙ্গাড়া। প্রতিদিন দোকানেই তৈরী করেন এসব খাবার। খাবারের গুণগত মান ভালো ও খেতে সুস্বাদু হওয়ায় অনেক দুরের ক্রেতারা আসেন এখানে। মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানসহ সামাজিক যে কোন অনুষ্ঠানে আসাদের জিলাপি এখন সবার কাছে পরিচিত নাম। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিয়াশ চার মাথার দক্ষিণ পাশে একটা লম্বা টেবিল, দুইটা বেঞ্চ, ১টা চেয়ার, ১টা মাটির চুলা, আর মাথার ওপরে কালো পলিথিনের ছাউনি। এই হলো সাদামাটা আসাদ আলীর দোকান। এখানেই মাটির চুলোয় গরম তেলে জিলাপি ভাজছেন আসাদ। সকালে ভাজেন জিলাপি আর বিকেলে ভাজেন পিয়াজু ও সিঙ্গাড়া। প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে সন্ধা ৭ টা পর্যন্ত টানা ১২ ঘন্টা সাদামাটা ও জরাজীর্ণ এই দোকানেই বেচাকেনা হয় আসাদের সেই মুখরোচক খাবার জিলাপি, পিয়াজু ও সিঙ্গাড়া। এসময় কথা হয় তাঁর সাথে। উদ্যোক্তা আসাদ বলেন,

    আগে শ্রমিকের কাজ করতাম। চার বছর ধরে এই ব্যবসা করছি। সব কিছু নিজের হাতেই তৈরী করি। তবে সিঙ্গাড়া ও পিয়াজুর চেয়ে বেশি বিক্রি হয় জিলাপি। মুলত জিলাপি থেকেই আমার আয় হয় বেশি। আসাদ জানান, ১ কেজি জিলাপি তৈরী করতে খরচ পড়ে ৯০ টাকা। বিক্রি করি ১৪০ টাকায়। খরচ বাদে কেজি প্রতি লাভ থাকে ৫০ টাকা। জিলাপির পাশাপাশি সিঙ্গাড়া ও পিয়াজু বিক্রি করি। সবমিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৭ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকার বিক্রি হয়। খরচ বাদে প্রতিদিন আয় ১৫০০ শত থেকে ১৮০০শত টাকা। আসাদ জানান, ছুটিছাটা বাদে মাসে গড়ে আয় হয় ৪০ হাজার টাকার ওপরে। ছোট ব্যবসা নিয়ে আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। সকলের কাছে দোয়া চাই। আসলামের দোকানে জিলাপি কিনতে আসা তানজিল ইসলাম ও মনতাজুর রহমান নামের দুই ক্রেতা বলেন, আমরা কোম্পানিতে চাকুরী করি। প্রায় দিনই মার্কেট শেষ করে এখানে গরম গরম জিলাপি খাই। আসাদ ভাইয়ের জিলাপি যেমন মচমচে তেমনি সুস্বাদু। বিয়াশ চার মাথার ব্যবসায়ী মৃদুল হাসান জানান, আসাদ আগে শ্রমিকের কাজ করতো। তিন কি চার বছর আগে এ ব্যবসা শুরু করেছেন তিনি। সকাল বিকাল অনেক ক্রেতার ভীড় লেগে থাকে তার দোকানে। খাবারের গুণগত মানও ভালো। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। এজন্য তার দোকানের খাবার সবাই পছন্দ করেন।

  • পত্নীতলার কৃতি সন্তান অধ্যাপক ফিরোজের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন

    পত্নীতলার কৃতি সন্তান অধ্যাপক ফিরোজের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন

    নওগাঁ পত্নীতলার কৃতি সন্তান ও পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) এর ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) ডিপার্টমেন্ট এর সহযোগী অধ্যাপক মোঃ ফিরোজ আলী পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের চকদোচাই (বাবনাবাজ) গ্রামের মোঃ শাহাজাহান আলীর ছেলে। তিনি নজিপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি, রাজশাহী গভ সিটি কলেজ থেকে এইচ.এস.সি এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হোন। ড. ফিরোজ আলী আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করে বলেন, পিএইচডি চলাকালীন তিনি ১০টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন, যার মধ্যে রয়েছে ৬টি উচ্চ প্রভাব ফ্যাক্টর র‌্যাঙ্কযুক্ত জার্নাল নিবন্ধ এবং ৪টি আই ইইই এক্সপ্লোর আন্তর্জাতিক সম্মেলন পত্র। বাংলাদেশে হাইব্রিড নবায়নযোগ্য শক্তি ভিত্তিক মাইক্রোগ্রিড অপ্টিমাইজেশন এই বিষয়ে গবেষণা করে গত ২৪ ডিসেম্বর পিএইচডি রেজাল্ট পেয়েছি। এই ডিগ্রি অর্জনে তত্ত্বাবধায়ক, শিক্ষক, সহকর্মী, পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের নিরন্তর সমর্থন এবং প্রার্থনার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। এই অর্জন তাদের সকলেরও। উল্লেখ্য, উপজেলার মধ্যে এই গ্রামটি শিক্ষার দিক থেকে অনেক এগিয়ে, অধিকাংশ চাকরিজীবী, অধ্যাপক, ডক্টর, ব্যাংকারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উচ্চ পদস্থ পদে কর্মরত রয়েছেন।

  • ডিএসসি’র অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে হেরোইন ও চোলাইমদসহ গ্রেফতার-২

    ডিএসসি’র অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে হেরোইন ও চোলাইমদসহ গ্রেফতার-২

    ডিএসসি’র অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে হেরোইন ও চোলাইমদসহ গ্রেফতার-২

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয় (ডিএসসি)’র পৃথক অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে হেরোইন ও চোলাইমদসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন সাইফউদ্দিনপাড়া এলাকা থেকে হেরোইনসহ গ্রেফতার হয়- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার সাইফউদ্দিনপাড়ার মো: আকরাম আলীর স্ত্রী মোসা: হাবিবা বেগম ওরফে শাপলা (৩৯) এবং চোলাইমদসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ঝিলিম ইউনিয়নের এরশাদ ডাইং এলাকা থেকে গ্রেফতার হয়-এরশাদ ডাইং গ্রামের মৃত তাইনুস মন্ডলের ছেলে ইসরাফিল হক ওরফে টিংকু (৪০)। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয় (ডিএসসি)’র উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর পাঠানো পৃথক প্রেসনোটে জানানো হয়, মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ২৭ ডিসেম্বর দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার সাইফউদ্দিনপাড়া এলাকা থেকে একটি পলিথিন প্যাকেটে ৫০ (পঞ্চাশ) গ্রাম হেরোইন,

    ৩৪০(তিনশত চল্লিশ)টি হেরোইনের পুরিয়া, যার ওজন ৩০(ত্রিশ) গ্রাম-সর্বমোট ৮০ (আশি) গ্রাম হেরোইন, ৩০ (ত্রিশ) পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারী মোসা: হাবিবা বেগম ওরফে শাপলা (৩৯) কে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে নগদ অর্থ ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৪০ টাকা জব্দ করা হয়। এঘটনায় আসামীর বিরুদ্ধে পরিদর্শক মো: রফিকুল ইসলাম মামলার বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। অন্যদিকে, ২৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার এরশাদ ডাইং এলাকা থেকে ১০ (দশ) লিটার চোলাইমদসহ মাদক ব্যবসায়ী মো: ইসরাফিল হক ওরফে টিংকু কে গ্রেফতার করা হয়। এঘটনায় আসামীর বিরুদ্ধে উপ-পরিদর্শক মো: মুস্তাফিজুর রহমান মামলার বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।