Blog

  • ট্রাক চাপায় পাবনায় স্কুল শিক্ষার্থীসহ নিহত ৩

    ট্রাক চাপায় পাবনায় স্কুল শিক্ষার্থীসহ নিহত ৩

    ট্রাক চাপায় পাবনায় স্কুল শিক্ষার্থীসহ তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ২ জন। রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার বাঙ্গাবাড়িয়া এলাকার ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-পাবনা ক্যাডেট কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসমিয়া আক্তার, পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আবু তোহা ও ভ্যানের চালক আকরাম হোসেন। পাবনা সদর থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, রবিবার সকালে একটি অটোরিকশা ভ্যানে করে কয়েকজন শিক্ষার্থী পাবনা ক্যাডেট কলেজের দিকে যাচ্ছিল। পথে বাঁশবোঝাই একটি ট্রাক পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ভ্যানটি উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিহত হন। পুলিশ ট্রাকটি আটক করলেও চালক পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বিক্ষুদ্ধ লোকজন পাবনা-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

  • রহনপুরে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে মানবতার সৈনিকরা

    রহনপুরে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে মানবতার সৈনিকরা

    রহনপুরে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে মানবতার সৈনিকরা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুরে একটু একটু করে গড়ে উঠেছে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত ‘মানবতার সেবায় রহনপুর’। নামের মতোই এ সংগঠনের লক্ষ্য ও কাজ একটাই ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। সমাজের প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে এ সংগঠন এখন রহনপুরের মানুষের কাছে এক উজ্জ্বল আশার নাম। এই মহৎ উদ্যোগের সূচনা করেন স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জেম। মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা আর মানবতার টান থেকেই তাঁর এই পথচলা। ২০২১ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মাত্র ১৫-২০ জন স্বেচ্ছাসেবীকে সঙ্গে নিয়ে যাত্রা শুরু হয় সংগঠনটির। শুরুটা ছিল ক্ষুদ্র, কিন্তু লক্ষ্য ছিল বিশাল ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। গত পাঁচ বছরে একদিনের জন্যও থেমে থাকেনি তাদের কাজ। বছরের ৩৬৫ দিনই সন্ধ্যার পর চলে খাবার বিতরণের কার্যক্রম। রহনপুর রেলস্টেশন, স্থানীয় হাসপাতালের অতিরিক্ত রোগী, পথচারী, মানসিক ভারসাম্যহীন ও অসহায় মানুষ সবাই এই মানবিক উদ্যোগের পরিধির মধ্যে পড়ে। এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের মুখে খাবার তুলে দিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনের উদ্যোক্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জেম বলেন, “মানুষই মানুষের জন্য। কেউ যেন ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে না যায়, এই চিন্তা থেকেই আমাদের এই যাত্রা। আমাদের পাশে যারা আছেন তাদের সহযোগিতা ও ভালোবাসাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।” ‘মানবতার সেবায় রহনপুর’-এর আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক। দাতাদের তথ্য গোপন রাখা হয়, আর প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করা হয় শুধুমাত্র মানবিক কাজে। সংগঠনের হিসাবরক্ষক মোঃ খাইরুল অনাম বলেন, “প্রত্যেকটি টাকার হিসাব আমরা রাখি অত্যন্ত সতর্কভাবে। দাতাদের বিশ্বাসই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।” এ কাজে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিরা। তাদের আন্তরিকতা ও অংশগ্রহণে সংগঠনটির পরিধি দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছে। স্থানীয় সহযোগী আজম আলী বলেন, “মানবতার সেবায় রহনপুর আমাদের এলাকায় মানবিকতার নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। এমন কাজে অংশ নিতে পারাটাই আমাদের সৌভাগ্য।” প্রতিদিন সন্ধ্যায় ৪০ থেকে ৫০ জন মানুষ সংগঠনের দেওয়া খাবার পান। কেউ হাসপাতালের বারান্দায় বসে খান, কেউ স্টেশনের ধারে তাদের মুখের হাসিই যেন সংগঠনের সবচেয়ে বড় পুরস্কার। তিনবেলা না হোক, অন্তত একবেলা খাবার পেয়ে তারা খুঁজে পান বেঁচে থাকার আনন্দ ও স্বস্তি। গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার মেসবাউল হক মেসবা বলেন, “রহনপুরের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। সমাজে এমন মানবিক কার্যক্রম যত বাড়বে, দুর্বল মানুষের জীবন ততই সুন্দর হবে।” ‘মানবতার সেবায় রহনপুর’ এখন শুধু একটি সংগঠন নয় এটি এক আন্দোলন, এক ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলস্টেশনের কোণে এক চীনাবাদাম বিক্রেতার জীবনের গল্প

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলস্টেশনের কোণে এক চীনাবাদাম বিক্রেতার জীবনের গল্প

    ‘প্যারালাইজড রোগীর জীবন বাঁচানোর লড়াই’

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলস্টেশনের কোণে এক চীনাবাদাম বিক্রেতার জীবনের গল্প

    “জীবন যোদ্ধা আলী মোহাম্মদ এর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পৌরভার রহমতপাড়ায়। তিনি মৃত হেদাত আলীর ছেলে। এক ছেলে-দুই মেয়ে নিয়ে তাঁর সংসার। নিত্য অভাব-অনটনের মধ্য দিয়েই চলে এই বাদাম বিক্রেতার সংসার। মেলেনি কোন সরকারী সহায়তা, বয়স্ক বা প্রতিবন্ধী ভাতাও। কেউ শোনেনি এই অসহায় মানুষটির কষ্টের কথা। দূরারাগ্য ব্যধি প্যারালাইজড রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে যান প্রবীন এই বাদাম বিক্রেতা। তবে, হাল ছাড়েন নি, জীবন নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন আজও।” চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলস্টেশনের ব্যস্ত প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন দেখা যায় এক পরিশ্রমী মানুষের নীরব সংগ্রাম। হাতে বাদামের বাটি, পাশে ছোট্ট ঝুড়ি, আর মুখে একটুখানি মলিন হাসি, এই দৃশ্য যেন বলে দেয়, ‘জীবন মানেই লড়াই’। এই বাদাম বিক্রেতার নাম আলী মোহাম্মদ। প্যারালাইজড রোগী হয়েও চালিয়ে যাচ্ছেন লড়াই। হার মানেন নি শত কস্টের মাঝেও। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি চীনাবাদাম বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন। জীবনের রোদ-বৃষ্টি, ঝড়-ঝঞ্ঝা পেরিয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বসেন রেলস্টেশনের কোণে। কিন্তু এক দশক আগে জীবনের এক কঠিন অধ্যায় শুরু হয়। হঠাৎ তিনি প্যারালাইজড হয়ে পড়েন,

    শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে যায়। দীর্ঘ চিকিৎসার কারণে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর ব্যবসা। তখন সংসারে নেমে আসে চরম দুঃসময়। অনেক কষ্টে সুস্থ হয়ে আবারও ফিরে আসেন নিজের পুরনো জায়গায়, রেলস্টেশনে বাদাম বিক্রিতে। এখনো প্রতিদিনের মতো ট্রেনের সিটি বাজলে তিনি বলেন, ‘বাদাম নেন ভাই, গরম গরম বাদাম!’ এই ডাকে লুকিয়ে আছে তাঁর বেঁচে থাকার সাহস, জীবনের জেদ। অভাবের সংসারে অবিচল মানুষটি, তাঁর সংসারে আছেন এক ছেলে ও দুই মেয়ে। জীবনের কষ্টের মধ্যেও এক ছেলে ও এক মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন নিজের উপার্জিত কস্টের টাকায়। বাকি মেয়েটিও লেখাপড়া করছে তাঁর কষ্টের টাকায়। ক্ষোভের সঙ্গে তিনি বলেন, ‘এত বছর বাদাম বিক্রি করছি, অথচ বয়স্ক ভাতা বা প্রতিবন্ধী ভাতা কেউ দেয়নি। অভাবে দিন কাটাই, কিন্তু কাজ বন্ধ করিনি।’ তাঁর মুখের সেই ক্লান্ত অথচ দৃঢ় হাসি যেন সমাজের কাছে এক বার্তা, মানুষ যত কষ্টেই থাকুক, সম্মানজনক জীবনের জন্য পরিশ্রমের বিকল্প নেই। বয়স, অসুস্থতা, অভাব-কিছুই তাঁকে হার মানাতে পারেনি। জীবন এখনও চলছে বাদামের গন্ধে আর ঘামের দামে। মানবিক দৃষ্টির আহ্বান-রেলস্টেশনের যাত্রীদের কাছে তিনি হয়তো এক সাধারণ বিক্রেতা। কিন্তু তাঁর জীবনের গল্প আমাদের সমাজের অবহেলিত প্রান্তের বাস্তবতা তুলে ধরে। একজন পরিশ্রমী, অসুস্থ, অথচ আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন মানুষ এখনো সরকারি কোনো সহায়তা পাচ্ছেন না-এ এক নির্মম এবং নিষ্ঠুর সত্য। সমাজের সচেতন মানুষ ও প্রশাসনের দৃষ্টি যদি তাঁর দিকে পড়ে, তবে হয়তো এই প্রবীণ বাদাম বিক্রেতার জীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ মোঃ মুকুল (৪০) ও সেলিম রেজা (৩৬) নামে ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই হরেন্দ্রনাথ দেবদাস সহ সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স রানিহাটি ইউনিয়নের কামারপাড়ায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১ কেজি গাঁজাসহ ২ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়নের কৃষ্ণগোবিন্দপুর কামারপাড়ার মৃত আলম এর ছেলে মোঃ মুকুল এবং একই ইউনিয়নের কৃষ্ণ গোবিন্দপুর বেলপাড়ার মৃত শাম মোহাম্মদ এর ছেলে মোঃ সেলিম রেজা। সদর মডেল থানার পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ শুক্রবার জানান, উদ্ধারকৃত গাঁজার ওজন ১ কেজি, মূল্য অনুমান-৩০ হাজার টাকা। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

  • ধর্ষণের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও অপ-প্রচারের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন

    ধর্ষণের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও অপ-প্রচারের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন

    ধর্ষণের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও অপ-প্রচারের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণের মিথ্যা ও সাজানো সংবাদ প্রকাশ ও অপ-প্রচারের মাধ্যমে মান-সম্মানের ক্ষতি, সামাজিকভাবে হেয় করা, ব্ল্যকমেইলিং করে বিভিন্নভাবে হুমকীসহ মানষিকভাবে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভূক্তভোগী পরিবার। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) মডেল প্রেসক্লাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর হল রুমে মো: আমিরুল ইসলাম ওরফে নাইরুল (৪৮) নামে সেনা বাহিনীর (অবঃ) এক সদস্য এই সংবাদ সম্মেলন করেন। লিখিত বক্তব্যে নাইরুল নামে এই সাবেক সেনা কর্মকর্তা বলেন, কতিপয় বিপদগামী ও ধান্দাবাজ সাংবাদিক মিথ্যা তথ্য সন্ত্রাসের ম্যাধমে অনলাইন প্লাটফর্মে আমাকে জড়িয়ে প্রতিবদ্ধি এক নারীকে নিয়ে মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ তুলে অনিবন্ধিত ভূইফোড় ফেসবুক পেজসহ বেশ কিছু পেজে সংবাদ প্রকাশিত করেছে। যাহা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও পরিকল্পিত। আমি ধর্ষণের এমন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও অপ-প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে আপনাদের জানাতে চাই, উক্ত প্রতিবন্ধী নারী আমার এলাকার এবং পরিচিত হওয়ায় প্রয়োজনে আমার স্ত্রীর কাছে আসা যাওয়া করে, এই বিষয়টিকে পুজি করে একটি স্বার্থানেষি মহল আমাকে ব্ল্যাকমেইল করে আমার থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু আমার কাছ থেকে কোন আর্থিক সুবিধা না পেয়ে- আমাকে ধর্ষক, ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের নেতা, ককটেল বিস্ফোরণ, মসজিদ ভাংচুর, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ডান হাত উল্লেখ করে যে সংবাদ প্রকাশিত করেছে, যা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসিকে জানাতে চাই, আমি মহারাজপুর ইউনিয়নের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। আমি দির্ঘদিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সুনামের সাথে চাকরি করে অবসর গ্রহণ করেছি। আমি আওয়ামীলীগ বা অন্য কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত নয়। এখন ব্যবসা বানিজ্য এবং সমাজসেবার সাথে জড়িত, আমি কোন দিন কারো বাড়ি ঘড়ে হামলা লুটপাট এমনকি কোন ককটেল বিস্ফোরণ ঘটনার সাথে জড়িত ছিলাম না। মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাহিদ ইসলাম রাজন অত্র এলাকার কৃতি সন্তান, তার ভালো এবং সমাজসেবা মূলক কাজগুলোই আমি উপস্থিত থেকে একসাথে করে থাকি বলে আমাকে তার ডান বলে নিউজ করা হয়েছে। আমি আপনাদের জ্ঞাতার্থে আবারও আমার বিরুদ্ধে করা সকল তথ্য সন্ত্রাসের তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোঃ আমিরুল ইসলাম ওরফে নাইরুল, সেনা বাহিনীর সার্জেন্ট (অঃ) আখতার, কথিত ধষিতা নুপুর (ছদ্মনাম), নুপুরের পিতা জালাল, বোন মমতাজ, দুলাভাই সেলিম আহম্মদ জিন্জির, প্রফেসর খালিদ, নাসির উদ্দীনসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভূক্তভোগী পরিবার, সাজানো ধর্ষণের ঘটনার পরিবারের সদস্যরা, সকলেই এমন সংবাদ প্রকাশের তিব্র নিন্দা জানিয়ে এসব ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

  • নওগাঁর ধামইরহাটে গরুবাহী ভুটভুটি উল্টে চালকসহ নিহত ২

    নওগাঁর ধামইরহাটে গরুবাহী ভুটভুটি উল্টে চালকসহ নিহত ২

    নওগাঁর ধামইরহাটে গরুবাহী ভুটভুটি উল্টে চালকসহ নিহত ২

    নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় বাইপাস সড়কে গরুবাহী একটি ভুটভুটি উল্টে চালকসহ দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বিহারীনগর বাইপাস সড়কের ডাবল ব্রীজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-আড়ানগর গ্রামের মাসুদুর রহমান (মওলা) ও ভূট্টু।

    তারা উভয়েই ভুটভুটিটির চালক ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে দ্রুতগতিতে আসা ভুটভুটিটি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং উল্টে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ভুটভুটিটির দুই চালক প্রাণ হারান।

    ধামইরহাট থানার ওসি ইমাম জাফর জানান, নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহন শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুইজনের এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাংগা সীমান্তে ৭টি ভারতীয় মহিষ জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাংগা সীমান্তে ৭টি ভারতীয় মহিষ জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাংগা সীমান্তে ৭টি ভারতীয় মহিষ জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাংগা সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধভাবে আনা ৭টি ভারতীয় মহিষ জব্দ করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদস্যরা। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে বিজিবির একটি বিশেষ অভিযানে এসব মহিষ জব্দ করা হয়। বিষয়টি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এক প্রেসনোটে সত্যতা নিশ্চিত করেন। বিজিবি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে ভোর সোয়া ৬টার দিকে চরবাগডাংগা বিওপির একটি টহলদল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শাহজানপুর ইউনিয়নের রাণীনগর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় সীমান্ত থেকে প্রায় ৯০০ গজ ভেতরে পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় ৪টি এবং নদীর মধ্যবর্তী চরে আরও ৩টি ভারতীয় মহিষ জব্দ করা হয়। বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, জব্দকৃত মহিষগুলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ শুল্ক কার্যালয়ে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ ও চোরাচালানকৃত গবাদিপশু, অন্যান্য মালামাল এবং মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। চোরাচালান দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় প্রতিদিনই অবৈধভাবে ভারতীয় গবাদিপশু আনার চেষ্টা করা হয়। এসব রোধে বিজিবির টহল দল নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। সীমান্ত এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং চোরাচালান রোধে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এদিকে, স্থানীয়রা জানান, পদ্মা নদী সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় গবাদিপশু চোরাচালান হয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিজিবির কড়াকড়ির কারণে এ ধরণের কর্মকাণ্ড অনেকটা কমেছে।

  • গাইবান্ধায় পুলিশ সুপার ও ওসি’র বিরুদ্ধে পুলিশের স্ত্রীর মামলা

    গাইবান্ধায় পুলিশ সুপার ও ওসি’র বিরুদ্ধে পুলিশের স্ত্রীর মামলা

    অধীনস্থ এক উপ-পরিদর্শক (এস.আই) কে পুর্বপরিকল্পিতভাবে এসপি কার্যালয়ে অন্যায়ভাবে ডেকে নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ আটকের অভিযোগে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার ও ওসির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে গাইবান্ধা সদর আমলী আদালতে ভুক্তভোগি এস.আই মনিরুজ্জামানের স্ত্রী কাজলী খাতুন বাদি হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ ও দুই/তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন, গাইবান্ধা পুলিশ সুপার (এসপি) নিশাত এ্যঞ্জেলা, গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার, লালমনিরহাট জেলার তারেকুজ্জামান তুমিন (২৩)। তিনি পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারি-ইসলামপুর এলাকার মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে ও ভুক্তভোগি এস.আই মনিরুজ্জামানের বোনের সাবেক স্বামীর মামাতো ভাই। মামলা সুত্রে জানা গেছে, বাদির স্বামী এস.আই মনিরুজ্জামান তখন গাইবান্ধা সদর থানায় কর্মরত ছিলেন। মনিরুজ্জামানের আত্নীয় আসামি তারেকুজ্জামান তুহিন পারিবারিক পুর্ব শক্রতার জেরে ফেসবুকে ছাত্রলীগের ট্যাগ দিয়ে ছবি প্রকাশ করাকে কেন্দ্র করে এসআই মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা এসপি কার্যালয়ে একটি মৌখিক অভিযোগ দেন। সেই অভিযোগে চলতি বছরের ২৫ মার্চ পুলিশ সুপার ও ওসি, এসআই মনিরুজ্জামানকে এসপি কার্যালয়ে ডেকে নেয়। মনিরুজ্জামান এসপি কার্যালয়ে প্রবেশ করা মাত্রই গাইবান্ধার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব জ্যোর্তিময় গোপ মনিরুজ্জামানের কাছ থেকে তার মোবাইল ফোন, ল্যাপটব ও ১৩ হাজার টাকা জোরপুর্বক কেড়ে নেয়। পরে মোবাইল ও ল্যাপটপ যাচাই-বাচাই শেষে ডিভাইসগুলো সদর থানার ওসির কাছে আটক রাখে। এসময় বিষয়টি বাহিরে প্রকাশ করলে চাকুরীর ক্ষতি হবে বলে ভয় দেখানো হয় মনিরুজ্জামানকে। নিষেধ না শুনলে, ভাড়াটিয়া গুণ্ডা দিয়ে গুম হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি কৌশলে পূর্বের আয়না ঘরের মতো গুম করা হবে। এক পর্যায়ে উদ্দেশ্য মুলক ভাবে মনিরুজ্জামানকে গাইবান্ধা থেকে রাজশাহী রেঞ্জে বদলী করা হয়। পরে মনিরুজ্জামান উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে মোবাইল ও ল্যাপটপ উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। বিষয়টি তিনি তার পরিবারকে জানায়। পরে আসামিদের ভয়ভীতি ও চাপে নিরুপায় হয়ে প্রাণ বাঁচাতে আদালতে মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদি পক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আমলী আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর আলম মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামি ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় এজাহার নামীয় তিনজন ও অজ্ঞাত ২/৩ আসামি করা হয়েছে।

  • নওগাঁয় মসজিদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধনে সাবেক প্রতিমন্ত্রী

    নওগাঁয় মসজিদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধনে সাবেক প্রতিমন্ত্রী

    জেলার আত্রাই উপজেলাধীন সাহাগোলা স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় একটি অত্যাধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মান কাজ শুরু হয়েছে। সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীরের নামে পরিচালিত আলমগীর কবির ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যায়ে ১১ বিঘা জমির উপর এই মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে মসজিদের সম্ভাব্য স্থানে এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আলমগীর কবির ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আশা কবির। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোঃ আলমগীর কবির। প্রধান আলোচক ছিলেন নওগাঁ গাউছুল আযম আলিয়া মাদরাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মওলানা আব্দুস সাত্তার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি শিক্ষক স্থপতি সুজাউল ইসলাম সুজা, রানীনগর শেরেবাংলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোফাখ্খার ইসলাম খান পথিক, নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম রায়হান আলম, নাসির উদ্দীন টনি, রফিকুল ইসলাম, আবু সাঈদ ডালিম, শহিদুল ইসলাম শহিদ, নূরুল ইসলাম, আব্দুল জলিল, মোযাহারুল ইসলাম, ফাইমা বেগম, রেজা দেওয়ানসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এর আগে প্রধান অতিথি আলমগীর কবির, আলমগীর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আশা কবির এবং প্রধান আলোচক আব্দুস সাত্তার ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।

  • দলীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নওগাঁয় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

    দলীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নওগাঁয় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

    দলীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নওগাঁর মান্দা উপজেলা বিএনপির সদস্য ডা. একরামুল বারী টিপুর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার উপজেলার প্রসাদপুর বাজারে এলাকায় এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। লিখিত বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন বলেন- ডা. একরামুল বারী টিপু দলীয় নেতৃত্ব ও সংগঠনকে পাশ কাটিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সাতটি নাশকতার মামলা হয়েছিল’ বলে দাবি করেছেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক। তিনি আরও বলেন-অতীতে ডা. টিপু মুনসুর মৃধা হত্যা মামলার ১নম্বর আসামি ছিলেন এবং ওই মামলায় দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এছাড়া তিনি বিকল্পধারায় যোগ দিয়ে প্রার্থী হন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেন। তার এসব কর্মকাণ্ড দলীয় শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করায় তার সঙ্গে সব রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতিন, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বাবুলসহ দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাতর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।