Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ওসি’র বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, আ’লীগপ্রীতি-দালালপ্রীতি ও সেবা গ্রহীতাদের হয়রানীর অভিযোগ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ওসি’র বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, আ’লীগপ্রীতি-দালালপ্রীতি ও সেবা গ্রহীতাদের হয়রানীর অভিযোগ

    মানেন না এসপি’র আদেশও

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ওসি’র বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, আ’লীগপ্রীতি-দালালপ্রীতি ও সেবা গ্রহীতাদের হয়রানীর অভিযোগ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, আওয়ামীলীগপ্রীতি-দালালপ্রীতি ও এজাহার-অভিযোগ পরিবর্তন ও পরামর্শ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অন্যায়কারীদের বাঁচাতে ভুল-ভাল বুঝিয়ে পরামর্শ দিয়ে অভিযোগ, এজাহার, জিডি করিয়ে নেয়ারও অভিযোগ নানা ভূক্তভোগীর। অনেক ক্ষেত্রেই মানেন না পুলিশ সুপারের নির্দেশনাও। টাকা ছাড়া মেলেনা কোন সেবাই। থানায় সালিসের নামেও চলে আর্থিক লেনদেন। সালিস খরচের নামে চলছে নীরব অর্থ আদায়। আওয়ামীলীগের অনেক নেতার সাথে সখ্যতা এবং তাদের থানায় নিয়ে বসে নানা তদবির ও পরামর্শ করারও অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে। থানায় দালালদের ভীড়ে অতিষ্ট সেবা প্রার্থীরা। ওসি মতিউর রহমানকে বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে বলা হলেও তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আওয়ামীলীগের লোকজনকে রীতিমত পৃষ্ঠপোষকতা করে চলেছেন বলেও জানা গেছে। তবে, ওসি মতিউর রহমান গুছিয়ে এবং ঠান্ডা মাথায় কথা বলে নিজের স্বার্থমত কাজ করে নিতে পারেন, এটা তাঁর একটা বিশেষ গুন। দেশী অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ভাড়াটিয়া হয়ে গিয়ে একটি পরিবারের উপর হামলা, মহিলাদের উপর শারিরিক নির্যাতন, পরনের কাপড় কেড়ে নিয়ে শ্লীলতাহানী, প্রাননাশের হুমকী দিলেও বিষয়টি কে এহাজার বা মামলা না নিয়ে সন্ত্রাসীর পক্ষে পরামর্শ দিয়ে জিডি এন্ট্রি করিয়েছেন বলেও অভিযোগ ভূক্তভোগীর। কোন ভূক্তভোগী থানার আইনী সেবা নিতে গেলেই ভূক্তভোগীর বিপরিত পক্ষের সাথে দালালের মাধ্যমে দ্রুত যোগযোগ করে ভূক্তভোগীদের নানাভাবে প্রভাবিত করে থাকেন ওসি। এমন অভিযোগের পাহাড় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে। ওসির পরামর্শ বা নির্দেশের বাইরে কোন মামলার সঠিক বা নিরপেক্ষ তদন্ত বা প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় অসন্তষ্ট থানার অধিকাংশ অফিসারও। আর্থিক সুবিধা নিয়ে অন্যায়কারীর পক্ষে পরামর্শ দিয়ে এজাহার বা জিডি লিখে নিয়ে তারপর মামলা, এজাহার বা জিডি এন্ট্রি করারও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে গভীর রাত পর্যন্ত দালালদের নিয়ে আড্ডা দেয়ার অভিযোগও। এতে সেবাগ্রহিতারা হচ্ছেন বঞ্চিত এবং অবহেলিত এবং নির্যাতিত। টাকা ছাড়া মেলেনা কোন সেবা। টাকা দিলেই পক্ষে-বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগও অনেক। প্রতিপক্ষের কাছে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নিয়ে ঈদের আগের রাতে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করে নিয়ে এসে নানাভাবে একটি পরিবারের উপর নির্যাতনের ঘটনাও রয়েছে। রয়েছে মিডিয়াকর্মীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন ও উল্টো-পাল্টা পরামর্শ দেয়ার ঘটনাও। থানায় গিয়ে আইনী সঠিক সেবা না পেয়ে ক্ষুদ্ধ সেবাগ্রহীতারা। এমন ওসির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবী জানিয়েছেন ভূক্তভোগীরা। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা রাত ৭টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা এলাকার মহাডাঙ্গায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে (একটি মামলার জের ধরে) বাড়িতে সন্ত্রাসী কাজে ভাড়াটে হয়ে গিয়ে অন্য গ্রাম ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গার সন্ত্রাসী আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ মনিরুল ইসলাম মনি মেম্বার (সাবেক) ১৫ থেকে ২০ জন সন্ত্রাসী নিয়ে গিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মহাডাঙ্গার মৃত ধুল্লুর রহমানের ছেলে মোঃ ছবির বাড়িতে গিয়ে পরিবারের নারী-পুুরুষসহ পুরো পরিবার ও সেখানে থাকা আত্মীয়দের উপর হামলা চালায় এবং ভাংচুর করে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এসময় সেখানে থাকা ওই পরিবারের আত্মীয়সহ বেশ কয়েকজন মহিলার পরনের কাপড় টেনে ফেলে দিয়ে শারিরীক নির্যাতন চালানো হয়। বাড়ি ঘিরে রাখে কয়েক ঘন্টা। পরবর্তীতে এলাকার লোকজন গিয়ে তাদের সাথে প্রতিবাদ করলে স্থানীয় কয়েকজনকেও মারধর করে তারা, পরে প্রাণনাশের হুমকী দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। হামলা-মারপিটের ঘটনা নিয়ে বেশী বাড়াবাড়ি করলে এলাকার বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেয়ারও হুমকী দেয় এবং স্থানীয়দের ধাওয়া করে। উল্লেখ্য, হামলার ঘটনার ২দিন আগে পূর্বের একটি মামলার বিষয় নিয়ে মামলার বাদী ‘ফেরদৌসী এবং বিবাদী কেতাবুল ইসলামের স্ত্রী নাসিমা’ দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি এবং সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। মনি মেম্বারের সাথে কোন প্রকার ঝামেলা না থাকলেও কেতাবুল ইসলামের পক্ষে ভাড়াটে হয়ে ভূক্তভোগী পরিবারের উপর হামলা চালায় সন্ত্রাসী মনি ও তার লোকজন। এঘটনায় হামলার শিকার ওই পরিবারের লোকজন, স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে থানায় গেলে শুরু হয় নানা টালবাহানা। প্রথমে ওসি মতিউর রহমানের সাথে দেখা করে ঘটনার কথা তুলে ধরলে অভিযোগ দেয়ার কথা বলেন ওসি। সন্ত্রাসী মনি মেম্বারের পক্ষ থেকে তদবিরের (অজ্ঞাত সুবিধা নিয়ে) কারণে ঘন্টাখানেক পর অভিযোগ বাদ দিয়ে জিডি করার জন্য বলেন। শেষ পর্যন্ত অভিযোগ না নিয়ে জিডি এন্ট্রি করে ভূক্তভোগীদের পাঠিয়ে দেন থানা থেকে। এঘটনায় শারিরিকভাবে নির্যাতিতা ও শ্লীলতাহানির শিকার ফেরদৌসি বেগমের বোন শহরের মৃধাপাড়ার মৃত রবিউল ইসলামের স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে থানায় জিডি করেন। জিডি নম্বর-১৫১৯, তারিখ-২৫-০৯-২৫। এঘটনায় কয়েকজন মিডিয়াকর্মীও ওসিকে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার কথা বললেও কোন কর্ণপাত করেন নি ওসি। এঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এঘটনার সঠিক বিচার ও সদর থানার ওসির এমন অবিচারের ব্যবস্থার দাবী জানিয়েছেন ভূক্তভোগী পরিবার। এঘটনায় শারিরিকভাবে নির্যাতিতা ও শ্লীলতাহানির শিকার ফেরদৌসি বেগমের বোন শহরের মৃধাপাড়ার মৃত রবিউল ইসলামের স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা বেগম জানান, আমার বোনের ছেলের আত্মহত্যা প্ররোচনার বিষয়ে নিয়ে একটি মামলা হয়। ঘটনার বাদি ফেরদৌসি বেগম ও বিবাদী কেতাবুল ইসলাম সম্পর্কে ভাই বোন। সেই মামলার বিষয় নিয়ে গত ২দিন আগে ফেরদৌসির বাড়ি পার্শে ভাবি-ননদের মধ্যে ঝগড়া হয়, হাতাহাতিও হয়। ঘটনার পর থেকে কেতাবুল ও তার ছেলেরা ফেরদৌসি বেগম ও তার পরিবারকে হুমকী দিতে থাকে। এঘটনা শুনে আমি সেখানে যায়। আমার বোনের সাথে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে যায়। কিন্তু হঠাৎ করেই ১৫-২০ জন লোক লাঠি-সোঠা, দেশী ধারালো বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে এসে হামলা-ভাংচুর শুরু করে। হামলা-ভাংচুর, মারধরের সময় কেতাবুল ইসলাম, তার ছেলে বাবু, কেতাবুল ইসলামের স্ত্রী নাসিমার ভাই কালুর ছেলে আশরাফুল, শরিফুল ও তরিকুল উপস্থিত থেকে হামলা ও মারধর করে। এক পর্যায়ে বাড়িতে থাকা আমিসহ আমার বোন ফেরদৌসি, বোনের মেয়ে, বোনের স্বামী ছবিসহ বাড়িতে থাকা সকল-নারী-পুরুষকে বেধড়ক মারধর করে। সন্ত্রাসীদের বর্বর হামলায় ছবি বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে, দরিদ্র মানুষ অর্থের অভাবে চিকিৎসা পর্যন্তও করতে পারেনি। মনি মেম্বারের ছেলে ও লোকজন আমার গলা টিপে ধরে হত্যার চেষ্টা করে। আমি কোনভাবে প্রাণ রক্ষা করি। ঘটনা বেগতিক দেখে স্থানীয় লোকজন বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তাদের উপরও চড়াও হয় মনি মেম্বার, মনি মেম্বারের ২ ছেলে সাব্বির ও আতিক ও তার লোকজন। স্থানীয় লোকজনের উপর ধাওয়াও করে সন্ত্রাসীরা। পরে বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায় সন্ত্রাসী মনি মেম্বার। থানায় আসার খবর শুরে পরে আবারও রাত ১১টা পর্যন্ত ফেরদৌসির বাড়ি ঘেরাও করে সন্ত্রাসীরা। পরে পুলিশের ফোন পেয়ে সেখান থেকে সরে মনি মেম্বারের সন্ত্রাসী বাহিনী। তিনি আরও বলেন, আমার বোন অসহায় দরিদ্র মানুষ। মানুষের কাছ থেকে চেয়ে চিন্তে কোনভাবে সংসার চালায়। রেললাইনের ধারে সরকারী জমিতে কোনভাবে বাস করে। তার উপর এভাবে সন্ত্রাসীদের দিয়ে হামলা, পরিবারের ৪জনকেই মেরে ফেলার হুমকি!। তাহলে কি, গরিব এর জন্য কোন বিচার নেই। এঘটনায় ভূক্তভোগী পরিবারও স্থানীয়রা আতংকের মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, এঘটনা নিয়ে থানায় গেলে থানার ওসি আমাদের নানাভাবে সন্ত্রাসী মনির পক্ষে সাফায় গায়, ভুল ভাল বুঝিয়ে ঘটনা অন্যদিকে গড়িয়ে দেয়ার জন্য কৌশল করে এবং শেষ পর্যন্ত ওসির কথা মোতাবেক মামলার পরিবর্তে জিডি করে এসেছি। থানার ওসি সন্ত্রাসী মনি মেম্বারের পক্ষে কাজ করছেন। তিনি আরও বলেন, ফেরদৌসি ও কেতাবুলের মধ্যে বিবাদ থাকলেও ভাড়াটে হয়ে হামলা, শ্লীলতাহানি এবং মেয়েদের উপর হামলা ঘটনা নিয়ে সদর থানার ওসির ভূমিকা ছিলো বিতর্কিত। নির্যাতিত হয়ে গিয়েছিলাম থানায় বিচার চাইতে, কিন্তু পেয়েছি সন্ত্রাসীদের পক্ষের পরামর্শ এবং অবহেলা। অন্যায়কারীর পক্ষের হয়ে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে এসে ঘটানো এমন সন্ত্রাসী ঘটনার সঠিক বিচার চান তিনি। অন্যদিকে, সন্ত্রাসী মনি মেম্বারের বিরুদ্ধে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অনেক অভিযোগ রয়েছে আগেরও। এলাকার নারীদের মারধর করা, নেশাগ্রস্থ হয়ে এলাকার মানুষকে গালিগালাজ করা, হামলা-ভাংচুরের ঘটনাও ঘটিয়েছে এই সন্ত্রাসী আওয়ামীলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম মনি মেম্বার। তারপরও কোন অজ্ঞাত কারণে বা সুবিধা পাওয়ায় তাকে বাঁচাতে নানা ফন্দি ও কৌশল করছেন সদর থানার ওসি মতিউর বলেও জানা গেছে। এছাড়া, সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের বালুবাগানের একটি ঘটনায় ভূক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করলে, উল্টো প্রতিপক্ষকে পাল্টা মামলা করিয়ে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে গত কোরবানীর ঈদের আগের রাতে মিজানুর ও তার ছেলেকে ধরে থানায় নিয়ে আসে থানায়। সকালে পুলিশ সুপার কে বিষয়টি অবহিত করা হলে পরিবারটির পাশে দাঁড়ান পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম সেবা। পরিবারটির উপর অন্যায়ের বিষয়টি নিয়ে সদর থানার ওসিকে বললেও নানা ষড়যন্ত্র করে। পুলিশ সুপার নির্দেশ দেয়ার পরও বিষয়টিকে আমলে না নিয়ে পরিবারটিকে হেনস্থা করার চেষ্টা করে অনেকভাবে। ঈদের ছুটির জন্য আদালত ছুটি থাকায় পরে বিশেষ আদালতে জামিন নিয়ে গ্রেফতার করা বাবা ছেলে পরিবার নিয়ে ঈদ করতে পায় পুলিশ সুপারের সহায়তায়। ওসির এমন এঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশিষ্টজন, গীতিকার, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কলেজের প্রভাষক, সাপ্তাহিক সোনামসজিদ পত্রিকার সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মোহাঃ জোনাব আলী, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কলেজে শিক্ষকদের কাছ থেকে অধ্যক্ষের চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ দিতে গেলে তিনি নানা টালবাহানা এবং কৌশল করেন। পরে বিভিন্ন অযুহাত দিয়ে অভিযোগ গ্রহণ করেন নি, উল্টো সখ্যতা থাকায় আওয়ামীলীগ নেতা বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কলেজের অধ্যক্ষ এজাবুল হক বুলির পক্ষে সাফায় শোনান। পরিস্থিতি জেনে-বুঝে জোনাব আলী পুলিশ সুপারের কাছে যান এবং বিষয়টি খুলে বলেন। পুলিশ সুপার সদর থানার ওসিকে-বিষয়টি কে গুরুত্বের সাথে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিলেও মোহাঃ জোনাব আলীর বিষয়টির দায়সারাভাবে কাজ করেন। বিষয়টি নিয়ে একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা কে দায়িত্ব দেয়া হলেও তিনি ওসির নির্দেশের বাইরে কাজ করতে পারছেন না। সব মিলিয়ে তিনি আওয়ামীলীগ নেতা এজাবুল হক বুলিকে বাঁচাতে সবকিছু করছেন বলে বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কলেজের প্রভাষক মোহাঃ জোনাব আলী। প্রভাষক জোনাব আলী বলেন, সদর থানার ওসি আমার কথার কোন মূল্যায়ন তো করেন নি, তিনি পুলিশ সুপারের কথারও কোন মূল্যায়ন করেন নি। দেড় মাসের উপর সময় চলে গেলেও কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেন নি এখন পর্যন্ত। তদন্তকারী কর্মকর্তাকেও সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে দিচ্ছেন না। উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ অমান্যকারী ও অনেক অনিয়ম, সেবাগ্রহণকারীদের বঞ্চিতকারী, অর্থলিপ্সু, আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের পৃষ্ঠোপোষক এমন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে জেলা থেকে শাস্তিমূলক বদলী করা অন্যন্ত জরুরী বলেও জানা তিনি। এদিকে, কয়েকমাস আগে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন দিলু’কে কটাক্ষ ও হুমকি দেয়ার ঘটনায় আলোচনা শেষে সাংবাদিক মহলের সিদ্ধান্তে থানায় প্রায় ১৫জন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মী জিডি করতে যান। ওসির কক্ষে বসে বিষয়টি সাংবাদিকরা ওসি মতিউর রহমানকে অবহিত করলে তিনি প্রথমে জিডি করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে ভুল-ভাল আইন বুঝিয়ে নানাভাবে সাংবাদিকদের জ্ঞান দিতে থাকেন। ওসির এমন আচরনে উপস্থিত সাংবাদিকরা উনার কাছে জিডি না করতে পারার বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অবশেষে জিডি এন্ট্রি করার নির্দেশ দেন ওসি। সদর ওসি মতিউর রহমানের এমন অসৌজন্যমূলক আচরনে সেদিন সাংবাদিক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক রাজনীতিবিদ বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ।

    টাকা ছাড়া কোন সেবা মিলেনা। সালিসের খরচের নামে টাকা আদায় করছেন। আওয়ামীলীগ নেতাদের নিয়ে বসে রাতে দিনে থানায় আড্ডা দিচ্ছেন, আওয়ামীলীগ আমলেরসহ বর্তমান সময়েরও থানার দালালাদের নিয়ে সব সময় ব্যস্ত তিনি। সাধারণ মানুষের কথা শোনার বা ব্যবস্থা নেয়ার কোন সময় উনার হাতে থাকে না। কেউ কোন বিষয়ে অভিযোগ নিয়ে থানায় গেলে ওসি সাহেবের কথার বাইরে মামলা, এজাহার, অভিযোগ বা জিডি হবে না। কোন ভূক্তভোগী থানায় গেলে ঘটনা জানার পরই দালাল বা নিজেই প্রতিপক্ষের সাথে তাৎক্ষনিক যোগাযোগ করে সুবিধা নিয়ে প্রতিপক্ষকে বাঁচানোর চেষ্টায় মেতে উঠেন। তবে, সদর ওসি সাহেবের একটি ভালো গুন আছে, সেটি হলো, মিষ্টি করে কথা বলেন এবং ঠান্ডা মাথায় বুঝিয়ে তার কথামতো কাজ করিয়ে নেন। তিনি বলেন, সব মিলিয়ে ৫ আগষ্টের পর এমন ওসি আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাই নি। কিন্তু বিভিন্নভাবে উর্ধ্বতন মহলকে বিষয়গুলো জানালেও কোন অজ্ঞাত কারনে ওসি মতিউর এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, চাঁপানবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের মধ্যে স্বৈরাচারের দোষর ডিআইও ওয়ান ওবায়দুলসহ বেশ কিছু কর্মকর্তা থাকলেও উর্ধ্বতন পুলিশের কর্মকর্তাগণ কোন পদক্ষেপই নিচ্ছেন না। ফলে আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীরা এবং সদর উপজেলার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারী, সন্ত্রাসী, হত্যা মামলার আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরলেও কোন গ্রেফতার বা ব্যবস্থা নেই। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিউর রহমানের অনিয়ম, দূর্ণীতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং সেবা গ্রহিতাদের উপর মানষিক, আর্থিক অত্যাচারের সঠিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবী জানান এই নেতা। অন্যদিকে, চলতি মাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা এলাকার দূর্গাপুর গ্রামের হওয়া একটি মামলার বাদিপক্ষকে ফাঁসাতে প্রতিপক্ষের একটি মামলায় বাদীর সাজানো বর্ণনা অনুযায়ী ঘটনার কোনো সত্যতা না থাকা সত্ত্বেও অজ্ঞাত সুবিধা নিয়ে বা কারণে ওসি মতিউর রহমান মামলা রেকর্ড করেন। ফলে নিরীহ মানুষ মানসিক নির্যাতন ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হন। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, এটি আরেকটি উদাহরণ যে, অর্থনৈতিক সুবিধা ও রাজনৈতিক তদবিরের কাছে নতি স্বীকার করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিউর রহমান। এ বিষয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পৌর এলাকার মহাডাঙ্গা গ্রামের ছবির বাড়িতে হামলা মারধর নারী শ্লীলতাহানির অভিযোগের বিষয়ে অভিযোগকারীরা আমার কাছে তাদের যে, অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন এবং তাদের বক্তব্য অনুযায়ী উভয় পক্ষের মধ্যে হাতা হাতি, ধস্তাধস্তি হয়েছে। সে অনুযায়ী একটি জিডি গ্রহন করা হয়েছে। তারা যদি এজাহারের বর্ণনা নিয়ে আছে তাহলে এজাহার হিসেবে গ্রহণ হবে। পুলিশ সুপারের আদেশ অমান্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি মতিউর রহমান বলেন, পুলিশ সুপার মহোদয়ের আদেশের বিষয়টি আমার স্মরণে আছে এবং আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ সুপার মহোদয়ের মাধ্যমে সাইবার ক্রাইম আদালতে প্রেরণ করেছি। সদর মডেল থানায় দালালের উৎপাত এবং সেবাগ্রহীতাগণ প্রাপ্ত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওসি মতিউর রহমান জানান, আমি সদর মডেল থানায় যোগদানের সময় থেকে জনগণকে তাদের প্রাপ্ত সেবা দিয়ে আসছি এবং বর্তমানেও দিচ্ছি। ওসি আরো বলেন, আমি সকাল ১১টা থেকে শুরু করে রাত্রী ৪টা পর্যন্ত জনগণকে সেবা দিয়ে আসছি। এছাড়া দালাল হিসেবে কারা চিহ্নিত, তা আমি জানিনা। এখানে কোন দালালকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। সাধারণ মানুষ সেবা নিতে প্রয়োজনে যারা আমার কাছে অফিসে আসে, তারা আমার কাছে থেকেই সেবা নিয়ে যাই এবং আমার অফিসারদের কাছে যারা আসে, তারা আমার অফিসারের কাছ থেকেই সেবা নিয়ে যাই বলে জানান ওসি মোঃ মতিউর রহমান।

  • রংপুরে বালুবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩

    রংপুরে বালুবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩

    রংপুর নগরীতে বালুবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় পিকআপভ্যানে থাকা মা ও ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর দমদমা এলাকায় রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, পিকআপভ্যানের সহকারী আরিফ হোসেন (২০), যাত্রী শাহিনা বেগম (২৮) এবং তার এক বছরের শিশু সন্তান ওয়ালিদ হোসেন স্বাধীন। নিহত আরিফ নগরীর মীরগঞ্জ এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে। শাহিনা বেগম রংপুরের পীরগাছার সাতদরগা এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের দমদমা ব্রিজের একটু আগে মাহিগঞ্জগামী একটি পিকআপভ্যান ইউটার্ন নেয়ার সময় ঢাকাগামী বালুবোঝাই ট্রাকটি পিকআপভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ভ্যানে থাকা তিনজন নিহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত চালক নিশাত মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত শাহিনা বেগমের দেবর ও তার স্ত্রী প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন। দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর মহানগর পুলিশের তাজহাট থানার ওসি মো. শাহজাহান আলী বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। ট্রাকচালক ও তার সহকারী পালিয়ে যায়।

  • রংপুরে বালুবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩

    রংপুরে বালুবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩

    রংপুর নগরীতে বালুবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় পিকআপভ্যানে থাকা মা ও ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর দমদমা এলাকায় রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, পিকআপভ্যানের সহকারী আরিফ হোসেন (২০), যাত্রী শাহিনা বেগম (২৮) এবং তার এক বছরের শিশু সন্তান ওয়ালিদ হোসেন স্বাধীন। নিহত আরিফ নগরীর মীরগঞ্জ এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে। শাহিনা বেগম রংপুরের পীরগাছার সাতদরগা এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের দমদমা ব্রিজের একটু আগে মাহিগঞ্জগামী একটি পিকআপভ্যান ইউটার্ন নেয়ার সময় ঢাকাগামী বালুবোঝাই ট্রাকটি পিকআপভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ভ্যানে থাকা তিনজন নিহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত চালক নিশাত মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত শাহিনা বেগমের দেবর ও তার স্ত্রী প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন। দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর মহানগর পুলিশের তাজহাট থানার ওসি মো. শাহজাহান আলী বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। ট্রাকচালক ও তার সহকারী পালিয়ে যায়।

  • জামায়াতের পিআর পদ্ধতি দাবি ও প্রতীক জটিলতা নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না-চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচন কমিশনার

    জামায়াতের পিআর পদ্ধতি দাবি ও প্রতীক জটিলতা নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না-চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচন কমিশনার

    জামায়াতের পিআর পদ্ধতি দাবি ও প্রতীক জটিলতা নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না-চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচন কমিশনার

    নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, জামায়াতের পক্ষ থেকে উত্থাপিত পি.আর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতির দাবি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতীক নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা কোনোভাবেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনকে প্রভাবিত করবে না। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আইন অনুযায়ী কমিশন তার দায়িত্বপালন করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করার এখতিয়ার কমিশনের নেই। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শহীদ সাটু হল অডিটোরিয়ম চাঁপাইনবাবগঞ্জ এ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে চ্যালেঞ্জসমূহ নিরূপণ ও উত্তরণের উপায় শীর্ষক এক কর্মশালার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার। কর্মশালাটি আয়োজন করে সিবিটিইপি প্রকল্প। তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। নির্বাচনী কার্যক্রম সম্পূর্ণ আইনানুগভাবে পরিচালিত হবে। আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো কিছু করার সুযোগ নেই। আমরা মনে করি, নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন সবসময় প্রস্তুত। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার আরও বলেন, আমরা অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েছি। খুব নিবিড়ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে, পূর্বের নির্বাচনে যারা অবৈধ কাজে জড়িত ছিলেন, তাদের ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচনি দায়িত্বে রাখা হবে না।

    নির্বাচন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে যাতে কোনো প্রকার অনিয়ম না ঘটে, সেদিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে কমিশন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ভোটগ্রহণের দিন মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নির্বাচনকে সাফল্যমণ্ডিত করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে। কর্মশালায় প্রশিক্ষকরা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ, তা মোকাবেলার কৌশল, এবং দায়িত্ব পালনের সময় করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো তুলে ধরেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার মধ্য দিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে মাঠপর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ এবং পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম-সেবা। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী আঞ্চলিক কর্মকর্তা (চ.দা) মোঃ আনিছুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আজাদুল হেলাল। এসময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • দেশের ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    দেশের ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করার কথা বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে আবহাওয়ায় সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানিয়েছে অধিদপ্তর। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উড়িষ্যা-অন্ধ্র উপকূলের অদূরে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি শুক্রবার সকাল ৬টায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন মধ্যবঙ্গোপসাগর অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর পুনঃ তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

  • পি.আর সহ ৫ দফা দাবিতে নাচোলে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

    পি.আর সহ ৫ দফা দাবিতে নাচোলে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

    পি.আর সহ ৫ দফা দাবিতে নাচোলে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

    জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি এবং পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা ও পৌর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা পরিষদ ডাকবাংলো চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরুহয়ে। মিছিলটি পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় ডাকবাংলো চত্বরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে পৌর আমীর মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত এমপি প্রার্থী ও জেলা নায়েবে আমীর ডা. মিজানুর রহমান। প্রধান অতিথি ডা. মিজানুর রহমান বলেন, “২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী সরকারের শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন। এরপর ছাত্র-জনতার আকাক্সক্ষা অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করেছে। সেই জনগণই ৭০ ভাগ পিআরের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, ঐক্যমত কমিশনে ৩১টি দলের মধ্যে ২৫টি দল পিআরের পক্ষে রয়েছে। তিনি পিআর বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের দাবি জানিয়ে বলেন, “গণভোটের মাধ্যমে যাচাই করুন রায় পিআরের পক্ষে আছে নাকি বিপক্ষে। জনগণ যদি পিআর মানে, তাহলে আপনাদেরও মানতে হবে।” তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “গণভোটের রায় যদি পিআরের বিপক্ষে যায়, তবে আমরা মেনে নেবো না। কিন্তু তারা তো গণভোটকে ভয় পাচ্ছে।” পিআর পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “পিআরের মধ্য দিয়ে সকলের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে যদি বেশীশক্তি ও কালো টাকামুক্ত কোয়ালিটিপূর্ণ পার্লামেন্ট ও সরকার গঠন হয়, তাহলে কোনো দলের পক্ষে ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সম্ভাবনা নেই, তাই তারা পিআর ঠেকাতে চায়।” ড. মিজানুর রহমান জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জনগণকে রাজপথে থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ইয়াহ্ইয়া খালেদ, উপজেলা আমীর প্রভাষক ইয়াকুব আলী, সেক্রেটারি মাওলানা মোবারক হোসেন, পৌর আমীর মনিরুল ইসলাম, সেক্রেটারি খলিলুর রহমান, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম এবং পৌর নায়েবে আমীর ডা. রফিকুল ইসলামসহ অন্যরা। এসময় জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুব উন্নয়নের ফ্রিল্যান্সিং ব্যাচে পরীক্ষার্থী ৭৫২-ভর্তি ৭৫

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুব উন্নয়নের ফ্রিল্যান্সিং ব্যাচে পরীক্ষার্থী ৭৫২-ভর্তি ৭৫

    যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশের ন্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জেও অনুষ্ঠিত হয়েছে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ফ্রিল্যান্সিং ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ৭৫২ জন আবেদনকারীর মধ্যে তিনটি ব্যাচে বিভক্ত হয়ে পরীক্ষার্থীরা অংশ নেয়। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ব্যাচে নির্বাচিত ৭৫ জন প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন-১) মো. সেলিমুল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল মান্নান, সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান ও সাদিকুজ্জামান এবং ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং কোর্সের কো-অর্ডিনেটর আব্দুল্লাহ প্রমুখ। পরিদর্শক কর্মকর্তারা পরীক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যুবসমাজকে আরও সম্পৃক্ত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, দেশের ৪৮টি জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড। ইতিমধ্যে তিনটি ব্যাচে সাত হাজার ২০০ জন যুবক-যুবতী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন, যাদের মধ্যে ৬২ শতাংশ আয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে। প্রশিক্ষণার্থীরা দৈনিক ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা, তিনবেলা খাবার ও প্রশিক্ষণের উপকরণ পাবেন।

  • নাটোরে পি.আর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ

    নাটোরে পি.আর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ

    নাটোরে পি.আর পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিসহ বেশ কয়েকটি দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার সকালে শহরের মাদ্রাসা মোড় স্বাধীনতা চত্বর এলাকায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এতে নাটোরের সাত উপজেলার জামায়াত এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের শত শত নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নাটোর জেলা জামায়াতের আমির ড. মীর নুরুল ইসলাম, জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক ইউনুস আলী, জেলা সেক্রেটারি সাদিকুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পি আর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ ন্যায্য দাবিগুলো মানতে হবে। নেতারা আরও দাবি জানান, দেশের সার্বিক সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে হবে।

  • শেরপুরে বিজিবি’র হাতে ১২ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস ও মাদক জব্দ

    শেরপুরে বিজিবি’র হাতে ১২ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস ও মাদক জব্দ

    শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদী উপজেলা এবং ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ৩৯ ব্যাটালিয়ন বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ ও অন্যান্য পণ্য জব্দ করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোররাতে পরিচালিত অভিযানে টহলরত বিজিবি সদস্যরা অভিনব পন্থায় চোরাকারবারীদের হাত থেকে ১৬ বোতল ভারতীয় মদ, ৮৭ বোতল ফেন্সিডিল, ১ হাজার ৪২০ পিস জনসন বেবি শ্যাম্পু, ১ হাজার ৬৮০ পিস পন্ডস ফেসওয়াশ এবং ৯৬০ পিস নেভিয়া সফট ক্রিম উদ্ধার করতে সক্ষম হন। জব্দকৃত এসব মালামালের সিজার মূল্য ১২ লাখ ৭৬ হাজার ৮০০ টাকা। ময়মনসিংহ বিজিবি ৩৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক সীমানার নিরাপত্তা রক্ষা ও সীমান্তে যে কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালানী মালামাল ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি কঠোরতা নীতি অব্যাহত রাখবে।

  • রংপুরে সাংবাদিককে অপহেরণ-মারধোর ॥ গ্রেফতার-২-সিটি করপোরেশনের ৩ কর্মকর্তা বদলী

    রংপুরে সাংবাদিককে অপহেরণ-মারধোর ॥ গ্রেফতার-২-সিটি করপোরেশনের ৩ কর্মকর্তা বদলী

    সংবাদ প্রকাশের জেরে রংপুরের সিনিয়র সাংবাদিক লিয়াকত আলী বাদলকে অপহরণ করে সিটি কর্পোরেশনে মারধোর এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার চেষ্টা এবং মব তৈরি করে সাংবাদিকদের মারধর এবং হেনস্থার মামলায় আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার নাম রকিবুল ইসলাম সাগর। এনিয়ে এই ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করা হলো। অন্যদিকে, এ ঘটনায় সিটি করপোরেশনের তিন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
    রংপুর মহানগর পুলিশের কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান জানান, মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১ টায় রংপুর মহানগরীর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সাগর নগরীর শালবন মিস্ত্রিপাড়ার মসসিন মিয়ার পুত্র। মামলার এজাহারভূক্ত ৬ নম্বর আসামি। এর আগে সোমবার রাতে গ্রেফতার করা হয় ৫ নং আসামী রতন মিয়াকে। তিনি রংপুর অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন আমলি আদালতের বিচারক রাশেদ হোসাইনের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে এ ঘটনার সাথে নিজের এবং জড়িতদের বিষয়ে জানিয়েছেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির আবেদন করেন। উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ, একুশে টেলিভিশন ও বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার এবং রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের সদস্য সচিব লিয়াকত আলী বাদলকে কাচারী বাজার থেকে জুলাই রাজবন্দির পরিচয়ে রকি নামের এক যুবকের নেতৃত্বে অপহরণ করে নিয়ে সিটি করপোরেশনেরে এনে মারধোর করা হয়। পরে নতুন ভবনের দোতলায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে নিউজের জন্য বাধ্য করার চেস্টা করা হয়। এ ঘটনার পর সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা প্রধান ফটক আটকে দিয়ে মব তৈরি করে সাংবাদিকদের মারধোর ও হেনস্তা করেন।এ ঘটনায় সাংবাদিক বাদল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতেমা, ট্রেড লাইসেন্স শাখার প্রধান মিজানুর রহমান মিজু, সাবেক কাউন্সিলর লিটন পারভেজসহ ১৪ জনের নামে মামলা দায়ের করে।
    এ ঘটনায় প্রতিবাদে বিভাগ জুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে সাংবাদিকরা। এদিকে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এই ঘটনার জেরে সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইস্নে শাখার প্রধান মিজানুর রহমান মিজু, প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবির শান্ত এবং সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা তম্ময়কে বদলী করা হয়েছে। গত ১৭ ই সেপ্টেম্বর লিয়াকত আলী বাদল দৈনিক সংবাদে “রংপুরে জুলাই যোদ্ধার নামে অটোর লাইসেন্স, পাঁচ কোটি টাকার বাণিজ্যের পাঁয় তারা” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করে। ওই সংবাদের জেরে তাকে অপহরণ করে নিয়ে মারধোর ও তার প্রকাশিত সংবাদের জন্য ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করানোর চেস্টা করা হয়।