Blog

  • গাইবান্ধায় ছিনতাইকারী সন্দেহে ২ জনকে পিটিয়ে হত্যা

    গাইবান্ধায় ছিনতাইকারী সন্দেহে ২ জনকে পিটিয়ে হত্যা

    গাইবান্ধায় ছিনতাইকারী সন্দেহে ২ জনকে পিটিয়ে হত্যা

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় ছিনতাইকারী সন্দেহে স্থানীয় জনতার পিটুনিতে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ জানায়, ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পথচারীদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণের গয়না ছিনিয়ে পালানোর সময় তাদের পিটুনি দেওয়া হয়। শুক্রবার ভোরে খোর্দ্দমোজাহিদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
    এলাকাবাসীর বরাতে সাদুল্লাপুর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানিয়েছেন, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সাদুল্লাপুর-ঠুটিয়াপুকুর সড়কের ইদিলপুর ইউনিয়নের মাদারহাট খেয়াঘাট ব্রিজ এলাকায় ৫-৬ জন ছিনতাইকারী দুই পথচারীর পথরোধ করে। ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণের গয়ণা ছিনিয়ে নেয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ধাওয়া করলে ছিনতাইকারীরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খোর্দ্দমোজাহিদপুর এলাকায় সড়কে ছিটকে পড়ে। এ সময় এলাকাবাসীর পিটুনিতে ঘটনাস্থলেই দুজন মারা যায়। বাকিরা পালিয়ে যায়। ওসি আব্দুল আলিম আরও বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি।

  • বাগাতিপাড়ায় ফিলোন ডেভেলপমেন্ট পিএলসি’র ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    বাগাতিপাড়ায় ফিলোন ডেভেলপমেন্ট পিএলসি’র ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    বাগাতিপাড়ায় ফিলোন ডেভেলপমেন্ট পিএলসি’র ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফিলোন পোল্ট্রি এন্ড ফিশ ফিডস-এর উদ্যোগে নাটোরের বাগাতিপাড়ায় দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার তমালতলাস্থ কোম্পানির আঞ্চলিক কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শতাধিক পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার মহাসচিব মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হায়দার রশীদ, বাগাতিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোশাররফ হোসেন বলেন, রমজান মাস সংযম, সহমর্মিতা ও মানবতার শিক্ষা দেয়। সমাজের অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতার পরিচয়। ইফতার সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে অসংখ্য পরিবার উপকৃত হবে এবং রমজানের আনন্দ আরও অর্থবহ হয়ে উঠবে। সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, ভবিষ্যতেও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • নাগরপুর-দেলদুয়ারে ধানের শীষের বিজয়ে আহাম্মদ আলী রানার ভূমিকা

    নাগরপুর-দেলদুয়ারে ধানের শীষের বিজয়ে আহাম্মদ আলী রানার ভূমিকা

    নাগরপুর-দেলদুয়ারে ধানের শীষের বিজয়ে আহাম্মদ আলী রানার ভূমিকা

    বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য রবিউল আওয়াল (লাভলু)-কে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষণা করার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর/দেলদুয়ার) আসনে ধানের শীষের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত হয়েছে। এই বিজয়ের পেছনে যাঁরা নীরবে-নিভৃতে নিরলস পরিশ্রম করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে আলোচনায় এসেছেন নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আহাম্মদ আলী রানা। গত ৩ নভেম্বর ২০২৫ ইং বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত দীর্ঘ সময়জুড়ে তিনি পরিবার-পরিজন ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততা উপেক্ষা করে মাঠে সক্রিয় ছিলেন। দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা, গণসংযোগ জোরদার করা এবং সাধারণ ভোটারদের মাঝে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ ও সততার কারণে নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। নির্বাচনী প্রচারণার প্রতিটি ধাপে তিনি সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন, যা শেষ পর্যন্ত বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, “আহাম্মদ আলী রানা শুধু একটি নাম নয়, তিনি একটি আস্থার প্রতীক।” তাঁর নিরলস পরিশ্রম কেবল একজন প্রার্থীকে বিজয়ী করেনি বরং নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক শক্তিকেও নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। এ বিজয়ের মাধ্যমে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর প্রতি আস্থা ও নেতৃত্বের প্রতিফলন ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন স্থানীয় নেতারা। বিজয়-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় নেতাকর্মীরা আহাম্মদ আলী রানার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাঁর ত্যাগ ও সংগ্রাম দলকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছে। তাঁকে সংগ্রামী সালাম, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

  • রোজায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে-বাণিজ্যমন্ত্রী

    রোজায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে-বাণিজ্যমন্ত্রী

    রোজায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে-বাণিজ্যমন্ত্রী

    রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।তিনি বলেন, “বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম স্থিতিশীল রাখা। বিশেষ করে রমজান মাসে এ দায়িত্বের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।আমরা যখন দায়িত্ব নিয়েছি, তখন রোজা সামনে রেখে বিশেষ কিছু করার সুযোগ ছিল না। তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে- আমাদের হাতে যে পরিমাণ খাদ্য মজুত রয়েছে, তা বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য পর্যাপ্ত। শুক্রবার সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সিলেট নিয়ে পরিকল্পনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা আমি দীর্ঘ নির্বাচনি প্রচারণা ও ইশতেহারে উল্লেখ করেছি। যেসব বিষয় সিলেটবাসীর জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি সংশ্লিষ্ট পেশার প্রসার এবং একটি এআই সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সিলেটে প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তা প্রয়োজন জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই এর বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হবে। আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে বড় বড় ডিজিটাল স্কিম গ্রহণ করেছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এআই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আমরা যদি পিছিয়ে থাকি, তাহলে বর্তমান বিশ্বে অন্যরা আমাদের প্রতি করুণার দৃষ্টিতে তাকাবে। আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অবস্থানে এগিয়ে নিতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো.মুশফেকুর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

  • বাংলাদেশের রিজার্ভ ছাড়াল ৩০ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশের রিজার্ভ ছাড়াল ৩০ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশের রিজার্ভ ছাড়াল ৩০ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-এর বিপিএম৬ (ইচগ৬) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।এদিকে, চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনেই ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই সময়ে মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার দেশে এসেছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা। যেখানে গত বছরের একই সময়ে দেশে ১৬৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এর আগে ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৬ দিনে দেশে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এরমধ্যে শুধু ১৬ ফেব্রুয়ারিতেই এসেছিল ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। অর্থাৎ, পরের ২ দিনে আরও প্রায় ৩০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

  • বগুড়ায় গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম

    বগুড়ায় গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম

    বগুড়ায় গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম

    জামিনে মুক্তির কয়েক মাসের মাথায় আবারও গ্রেপ্তার হয়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, যিনি ‘হিরো আলম’ নামে পরিচিত। বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং জোরপূর্বক গর্ভপাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাকে আটক করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকা সত্ত্বেও নিজ এলাকায় ভোট দিতে বগুড়ায় যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। বুধবার বগুড়া শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বগুড়া সদর থানা পুলিশ। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম জানান, আদালতের নির্দেশে জারি করা পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২, বগুড়া-এর বিচারক আনোয়ারুল হক শুনানি শেষে হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ‘নায়িকা বানানোর প্রলোভন’ দেখিয়ে সাদিয়া রহমান মিথিলাকে একাধিকবার ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয় এবং তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে হিরো আলম দাবি করেন, মামলাটি ‘ভুয়া’। তার ভাষ্য, ভোট দেওয়া তার নাগরিক অধিকার এবং নির্বাচনের পর আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা ছিল।উল্লেখ্য, গত বছরের ২১ এপ্রিল ভুক্তভোগী নারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পিবিআই অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানায়। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

  • যশোরে গ্রাম্য চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা

    যশোরে গ্রাম্য চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা

    যশোরে গ্রাম্য চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা

    যশোরের শার্শায় একজন গ্রাম্য চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার গাতিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আল আমিন (৩৮) উপজেলার গাতিপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন গ্রাম্য চিকিৎসক। স্থানীয়দের বরাতে শার্শা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম জানান, রাতে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন আল আমিনের পথরোধ করে। একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আল আমিনকে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিদর্শক শাহ আলম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, হত্যার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পূর্ব শত্রুতা বা ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

  • পাবনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত ॥ আহত-৫

    পাবনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত ॥ আহত-৫

    পাবনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত ॥ আহত-৫

    পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের খয়েরবাড়িয়া গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল গফুর (৭০) ওই গ্রামের বাসিন্দা।স্থানীয়দের বরাতে সাঁথিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, খয়েরবাড়িয়া গ্রামের আবু তালেবের ছেলে ময়েন উদ্দিনের সঙ্গে আব্দুল গফুরের ছেলে আলমের দীর্ঘ দিন ধরে টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিকালে ওই বিরোধের জের ধরে দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে ইট ও লাঠির আঘাতে আব্দুল গফুরসহ ছয়জন আহত হন। গুরুতর অবস্থায় সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে আব্দুল গফুর মারা যান। আহত অন্যরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ওসি রফিকুল বলেন, মূলত আলম ও ময়েনের মধ্যে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ থেকেই এই সংঘর্ষ হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শুক্রবার সকালে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য সজনে ডাটা-চাঁপাইনবাবগঞ্জের গাছে গাছে ফুল ॥ উৎপাদন ৩ হাজার টন

    গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য সজনে ডাটা-চাঁপাইনবাবগঞ্জের গাছে গাছে ফুল ॥ উৎপাদন ৩ হাজার টন

    গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য সজনে ডাটা-চাঁপাইনবাবগঞ্জের গাছে গাছে ফুল ॥ উৎপাদন ৩ হাজার টন

    বাংলার গ্রামীণ জনপদে ঋতু বদলের এক নীরব বার্তা নিয়ে ফোটে সজনে গাছের সাদা-হলদে ফুল। উঠোনের পাশে, খেতের ধারে কিংবা গ্রামের মেঠোপথে দাঁড়িয়ে থাকা সজনে গাছ শুধু নান্দনিকতার প্রতীক নয়, এটি পুষ্টি, ভেষজ গুণ ও গ্রামীণ অর্থনীতির এক নির্ভরযোগ্য ভরসা। উত্তর-পশ্চিমের জনপদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ-এ সজনে ডাটার গাছে ফুল ফোটা মানেই নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাওয়া। জেলায় প্রায় ৩ হাজার মেট্রিক টন সজনে ডাটা উৎপাদনের আশা বিশেষজ্ঞদের। সজনে (Moringa oleifera) “মিরাকল ট্রি” নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এর ডাটা, পাতা ও ফুল, সবই খাদ্যোপযোগী এবং ভিটামিন-সমৃদ্ধ। সজনের পাতায় ভিটামিন অ, ঈ, ক্যালসিয়াম ও আয়রন প্রচুর পরিমাণে থাকে; ডাটায় রয়েছে উচ্চমাত্রার ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা হজমশক্তি বাড়ায় ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করে। স্থানীয় পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়মিত সজনে খেলে অপুষ্টি ও রক্তস্বল্পতা কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে—যা গ্রামীণ জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চাঁপাইনবাবগঞ্জে উৎপাদন ও বিস্তার-আমের জন্য বিখ্যাত এই জেলায় গত এক দশকে সজনে চাষেও দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, জেলায় আনুমানিক ৮-১০ হাজারের বেশি সজনে গাছ রয়েছে,

    যার বড় অংশই পারিবারিক আঙিনা ও মিশ্র বাগানে। মৌসুমভেদে প্রতিটি পরিণত গাছ থেকে গড়ে ২৫-৪০ কেজি ডাটা পাওয়া যায়। সে হিসাবে বছরে জেলায় প্রায় ২,০০০-৩,০০০ মেট্রিক টন সজনে ডাটা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর ও নাচোল উপজেলায় এর বিস্তার তুলনামূলক বেশি। গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান-সজনে একটি স্বল্প খরচের, কম পরিচর্যার ফসল। রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কম হওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও কম। স্থানীয় হাট-বাজারে মৌসুমে প্রতি কেজি ডাটার দাম ৬০-১০০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে। ফলে অনেক ক্ষুদ্র কৃষক ও গৃহস্থ পরিবারের জন্য সজনে হয়ে উঠেছে বাড়তি আয়ের উৎস। নারীরা বাড়ির আঙিনায় গাছ লাগিয়ে ডাটা, পাতা ও ফুল বিক্রি করে পারিবারিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখছেন। ভেষজ ও পরিবেশগত গুরুত্ব-লোকজ চিকিৎসায় সজনে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, প্রদাহ কমানো, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক বলে গ্রামীণ চিকিৎসকেরা মনে করেন। পরিবেশগত দিক থেকেও সজনে গুরুত্বপূর্ণ; দ্রুতবর্ধনশীল এ গাছ মাটির উর্বরতা ধরে রাখতে ও কার্বন শোষণে সহায়তা করে, খরা-সহনশীল হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতেও টিকে থাকে। তবে সম্ভাবনা সত্ত্বেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে সজনে চাষ এখনো বাণিজ্যিক পর্যায়ে পৌঁছায়নি। মানসম্মত চারা, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার ঘাটতি, কৃষক প্রশিক্ষণের অভাব—এগুলো বড় চ্যালেঞ্জ। কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে উন্নত জাতের চারা বিতরণ, চাষাবাদে প্রশিক্ষণ এবং সংগ্রহ-সংরক্ষণ ও ভ্যালু-চেইন উন্নয়ন করা গেলে সজনে হতে পারে জেলার নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। গ্রাম বাংলার চিরচেনা সজনে গাছের ফুল ফোটা শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, এটি পুষ্টি নিরাপত্তা, ভেষজ উপকারিতা ও গ্রামীণ জীবিকার এক টেকসই প্রতীক। আমের জনপদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে সজনের এই নীরব বিপ্লবকে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেওয়া গেলে, কৃষি-বৈচিত্র্য ও স্থানীয় অর্থনীতিতে যোগ হবে নতুন গতি, ফুটে উঠবে সম্ভাবনার সাদা-হলুদ ফুল।

  • মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে গোমস্তাপুরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের র‌্যালি

    মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে গোমস্তাপুরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের র‌্যালি

    মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে গোমস্তাপুরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের র‌্যালি

    পবিত্র মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির গোমস্তাপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজ মাঠ থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে রহনপুর পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন। এ সময় তারা মাহে রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চার আহ্বান জানান। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাহে রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এ মাসে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি, কুরআন তিলাওয়াত এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে সমাজে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।