Blog

  • নাচোলে নবনির্বাচিত এমপি ড. মিজানুর রহমানকে নেতা-কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা

    নাচোলে নবনির্বাচিত এমপি ড. মিজানুর রহমানকে নেতা-কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা

    নাচোলে নবনির্বাচিত এমপি ড. মিজানুর রহমানকে নেতা-কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ড. মু. মিজানুর রহমানের সাথে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নাচোল জেলা পরিষদ ডাকবাংলো চত্বরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসময় নাচোল উপজেলা ও পৌর জামায়াতের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন নেতা-কর্মীরা। শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর ইয়াকুব আলী, উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা মোবারক হোসেন, জেলা সহকারী সেক্রেটারী: ইয়াহ্ইয়া খালেদ, ঢাকা উত্তরা থানা আমীর ইব্রাহীম খলিল, পৌর আমীর মনিরুল ইসলাম, পৌর নায়েবে আমীর রফিকুল ইসলাম, নেজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান: আমিনুল হক, বক্তারা নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের হাত ধরে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এমপি ড. মু. মিজানুর রহমান উপস্থিত নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানান এবং আগামীতে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও এলাকা গড়তে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

  • টাঙ্গাইল-৬ আসনে জামানত হারালেন ৫ প্রার্থী

    টাঙ্গাইল-৬ আসনে জামানত হারালেন ৫ প্রার্থী

    টাঙ্গাইল-৬ আসনে জামানত হারালেন ৫ প্রার্থী

    এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ মোট ৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৫ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৬ জন এর মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন ২ লাখ ৮৩ হাজার ৪ শত ৭১ জন। বাতিল হয়েছে ৫ হাজার ৭শত ২৫ টি। মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭ শত ৪৬ । প্রদও ভোটে শতকরা হার ৬০.৫৬%। নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনিত প্রার্থী মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু (ধানের শীষ) ১ লাখ ৫০ হাজার ৯শত ৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামি প্রার্থী ডা. এ কে এম আব্দুল হামিদ ( দাঁিড়পাল্লা) প্রাপ্ত ভোট ৯১ হাজার ৯ শত ১৪ ভোট। এ আসনে অন্য ৫ প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হচ্ছেন, জাতীয় পার্টি (জেপি) তারেক শামস খান (বাইসাইকেল), ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মোঃ আখিনুর মিয়া (হাতপাখা),জাতীয় পার্টি মোহাম্মদ মামুনুর রহিম (লাঙ্গল),স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ জুয়েল সরকার (হরিণ) ও মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম (মোরগ) প্রতিক।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে জামায়াত প্রার্থীর জয় ॥ জেলায় ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে জামায়াত প্রার্থীর জয় ॥ জেলায় ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে জামায়াত প্রার্থীর জয় ॥ জেলায় ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। জেলার ৩টি আসনেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ায় ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। ভোট গণনা শেষে ঘোষিত ফলাফলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ড. কেরামত আলী ভোট পেয়েছেন ২০৬৮৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাজাহান মিঞা পেয়েছেন ১৬২৫১৫ ভোট। এই আসনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে মোঃ আফজাল হোসেন পেয়েছেন ২২৬৩ ভোট, মোমবাতি প্রতীক নিয়ে নবাব মোঃ শামসুল হোদা ৪৪৬ ভোট, ছড়ি প্রতীক নিয়ে মোঃ আব্দুল হালিম ৫৫৭ ভোট, হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মোঃ মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ১০৮৩ ভোট। এই আসনে মোট ভোট প্রদান করে ৩,৮৩,৩৮৫ ভোটার। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়ে ৩,৭৩,৭৫৭ ভোট, বাতিল হয় ৯৬২৮ ভোট। এই আসনে গড়ে ভোট পড়ে ৭৬.৬৫%। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর-ভোলাহাট-নাচোল) আসনে ১৭১২২৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মুঃ মিজানুর রহমান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আমিনুল ইসলাম ভোট পেয়েছেন ১৫৫১১৯ ভোট। এছাড়া, লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে মুঃ খুরশিদ আলম ভোট পেয়েছেন ৮১৭৫, হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মোঃ ইব্রাহিম খলিল ১০৬৯, কাস্তে প্রতীক নিয়ে মোঃ সাদেকুল ইসলাম পেয়েছেন ৬২৬ ভোট। এই আসনে মোট ভোট প্রদান করে ৩,৪৪,২৭৪ ভোটার। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়ে ৩৩৬২১৬ ভোট, বাতিল হয় ৮০৫৮ ভোট। এই আসনে গড়ে ভোট পড়ে ৭৪.৬৮%। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে ১৮৯৬৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নুরুল ইসলাম বুলবুল। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী হারুনুর রশীদ ভোট পেয়েছেন ১২৭০৩৭টি। এই আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে মোঃ শফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৬১ ভোট, হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মোঃ মনিরুল ইসলাম ৮২০ ভোট, তারা প্রতীক নিয়ে মোঃ ফজলুর ইসলাম খাঁন পেয়েছেন ৬৩৭। এই আসনে মোট ভোট প্রদান করে ৩,২৩,২৩৪ ভোটার। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়ে ৩১৮৪৯৫ ভোট, বাতিল হয় ৪৭৩৯ ভোট। এই আসনে গড়ে ভোট পড়ে ৬৯.০০%। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা-৫ লক্ষ ১ হাজার ৮১টি। কেন্দ্র সংখ্যা-১৫৯ ও ০১ টি পোস্টাল ব্যালট। এই আসনে প্রদত্ত মোট গণভোট ৩ লক্ষ ৮২ হাজার ৯ শত ৩০টির মধ্যে হ্যাঁ ভোটের সংখ্যা-২ লক্ষ ২৫ হাজার ৯ শত ৩৩ টি। না ভোটের সংখ্যা-১ লক্ষ ২০ হাজার ৬৮ টি। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৯ শত ২৯ টি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর-ভোলাহাট-নাচোল) আসনে মোট প্রদত্ত গণভোট ৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫ শত ৬৬ টির মধ্যে হ্যাঁ ভোটের সংখ্যা-২ লক্ষ১৩ হাজার ১ শত ৯২ টি। না ভোটের সংখ্যা-৯৫ হাজার ৭শত ৪৭৮ টি। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৩৫ হাজার ৬ শত ২৭টি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে প্রদত্ত মোট গণভোটের সংখ্যা ৩ লক্ষ ২২ হাজার ৮ শত ০১টির মধ্যে হ্যাঁ ভোটের সংখ্যা-২ লক্ষ ৮৩ হাজার ১ টি। না ভোটের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৭ শত ৪ টি। বাতিল ভোটের সংখ্যা ২৬ হাজার ৭ শত ৯৬ টি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনের ৫টি উপজেলায় ভোটর ও জনসাধারণের সচেতনাতায় শান্তিপূর্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠ ভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট ও গণভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত ও ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আগেই নেওয়া হয়েছিল ব্যাপক প্রস্তুতি। জেলার তিনটি আসনের মোট ৫১৫টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ সকল নির্বাচনী সামগ্রী আগের দিন বুধবার বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ১১৫টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। জেলার সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে মাঠে দায়িত্ব পালন করেন ১৫ প্লাটুন বিজিবি, ১৭টি সেনাবাহিনী দল, ২২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যগণ। এছাড়া ১ হাজার ৭২ জন পুলিশ সদস্য ও আনসার বাহিনীর প্রায় ৭ হাজার সদস্য ভোটকেন্দ্র ও আশপাশে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। এবার জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৪ লাখ ২৯ হাজার ৬৬০ জন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৮২০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার-২ লক্ষ ৫০ হাজার ২১৫জন, মহিলা ভোটার-২ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬০৫জন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে ১৫ টি ইউনিয়ন ও ০১ টি পৌরসভায় মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৯টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা-৯৩৬টি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর, নাচোল, ভোলাহাট)) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৭২জন। পুরুষ ভোটার-২ লক্ষ ২৫ হাজার ৪৪২জন, মহিলা ভোটার-২ লক্ষ ৩০ হাজার ৯২৯জন এবং হিজড়া ভোটার ০১জন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে ১৬টি ইউনিয়ন ও ০২টি পৌরসভায় মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৮৪টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা ৮৭৭টি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৮০৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার-২ লক্ষ ৩০ হাজার ১১৫জন এবং মহিলা ভোটার-২ লক্ষ ৩০ হাজার ৬৯০জন। চাঁপাইনবাগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে ০১ টি পৌারসভা ও ১৪ ইউনিয়নে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৭২টি ও ভোট কক্ষের সংখ্যা-৯২৮টি। তিনটি আসনেই বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের মোট ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় জেলায় নির্বাচনে অংগ্রহণকারী প্রার্থীগণ, ভোটারগণ ও ভোট গ্রহণ কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকলকে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ।

  • ঢাকা-১৫ আসনে বিজয়ী জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

    ঢাকা-১৫ আসনে বিজয়ী জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

    ঢাকা-১৫ আসনে বিজয়ী জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে দলীয় সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়। জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য জাহিদুর রহমান জানিয়েছেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ডা. শফিকুর রহমান পেয়েছেন ৮২ হাজার ৬৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল ইসলাম মিল্টন পেয়েছেন ৬১ হাজার ৯২০ ভোট। ফলে ২০ হাজার ৭২৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন জামায়াতের এই প্রার্থী।

  • চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি

    চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি

    চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ২৯৯টি আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত বেসরকারি ফলাফলে ২১৩টি আসনে জয় পেয়েছে দলটির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীরা। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা ৭০টি আসনে জয়লাভ করেছেন। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি এবং স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের প্রার্থীরা ১৪টি আসনে জয় পেয়েছেন। শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকা-১৫ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
    বিএনপির ক্ষমতার ইতিহাস সর্বশেষ ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছিল। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতির কাছে ইস্তফাপত্র প্রদানের মাধ্যমে সেই মেয়াদের সমাপ্তি ঘটে। এর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গড়া এই দলটিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যান। দীর্ঘ ৯ বছর স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ১৯৯৬ সালেও স্বল্প সময়ের জন্য সরকার গঠন করেছিল বিএনপি। দল ক্ষমতায় গেলে বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হবেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। এবারই তিনি প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন এবং ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ উভয় আসনেই জয়লাভ করেন। ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফেরেন তারেক রহমান এবং ২৭ নভেম্বর ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন। বিএনপির ওয়েবসাইট ও মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, আশির দশকে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। ১৯৯৩ সালে বগুড়ায় গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচনের সংস্কৃতি চালু করে তিনি তৃণমূল রাজনীতিতে সাড়া ফেলেন। ২০০২ সালে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং ২০০৯ সালে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৮ সালে বেগম খালেদা জিয়া কারান্তরীণ হওয়ার পর তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং আওয়ামীলীগ সরকারের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। এরপর ৯ জানুয়ারি দলের স্থায়ী কমিটি তারেক রহমানকে চেয়ারম্যান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব দেয়।

  • ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিজয়ী তারেক রহমান

    ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিজয়ী তারেক রহমান

    ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিজয়ী তারেক রহমান

    ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকা-১৭ আসনে অবশেষে শুক্রবার ভোরের দিকে জয়ের ঘোষণা দেয়া হয় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান কে। এছাড়া, বগুড়া-৬ আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হন তারেক রহমান। রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত ফলাফলের জানা গেছে, ঢাকা ১৭ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে তারেক রহমান পেয়েছেন ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। এই আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৩ জন। এর মধ্যে ৪৪ দশমিক ৩০ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। এর আগে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান বড় ব্যবধানে জয়ী হন। ফলাফল অনুযায়ী, তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। তারেক রহমান ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়া জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান তার কার্যালয়ে ১৫০টি কেন্দ্রের সব কটির ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল অনুযায়ী, তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। তারেক রহমান ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেছেন। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোছা. আছিয়া খাতুন জানিয়েছেন, এই আসনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৬৯.১০ শতাংশ।

  • ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদে যাচ্ছেন ৭ নারী

    ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদে যাচ্ছেন ৭ নারী

    ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদে যাচ্ছেন ৭ নারী

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ২৯৯টি আসনের মধ্যে বেসরকারি ফলাফলে ২১২ আসনে জয় পেয়েছে দলটির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীরা। বিজয়ীর মধ্যে বিএনপি থেকে ছয় জন নারী প্রার্থী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যাচ্ছেন। এছাড়া একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বিজয়ী নারী প্রার্থীরা হলেন, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খান রিতা, ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ, ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ কামাল, নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমিন পুতুল এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এদিকে, সিলেট বিভাগে প্রথম নারী এমপি হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক এমপি এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সিলেট-২ আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হয়। লুনা তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মুহাম্মদ মুনতাসির আলীকে ৭৯ হাজার ২৫১ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এই আসনে এবার ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৮৩ জন। তার মধ্যে বিশ্বনাথ উপজেলায় মোট ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৯২ হাজার ৭৭৫ জন। এই উপজেলায় ভোট কাস্টিং হয়েছে মোট ৮৯ হাজার ৩৪১টি। তাহসিনা রুশদীর লুনা পেয়েছেন, ৬৭ হাজার ৯শত ৭৭ ভোট, আর দেয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত মুহাম্মদ মুনতাছির আলী পেয়েছেন ১৭ হাজার ৯শত ৫৪ ভোট, জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান চৌধুরী ৫৪২, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা আমির উদ্দিন ৫৭২ এবং গণফোরামের মুজিবুল হক পেয়েছেন ১২৬ ভোট। অন্যদিকে, ওসমানীনগর উপজেলায় মোট ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৩শত ৮ জন। এর মধ্যে ভোট কাস্টিং হয়েছে, মোট ৭২ হাজার ৪শত ৯৬টি। ওসমানীনগরে ভোটের শতকরা ভোটের হার ছিল ৪২.৪৬%। তার মধ্যে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির তাহসিনা রুশদীর লুনা পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৭শত ২০, ১১ দলীয় জোটের মুহাম্মদ মুনতাসির আলী পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪শত ৯২, জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান চৌধুরী ৮শত ৬২, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা আমির উদ্দিন ৮১৭ এবং গণফোরামের মুজিবুল হক ৫০৬টি ভোট পেয়েছেন।

  • নওগাঁ’র ৬টি আসনের ৫টিতে বিএনপি এবং ১টিতে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী

    নওগাঁ’র ৬টি আসনের ৫টিতে বিএনপি এবং ১টিতে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী

    নওগাঁ’র ৬টি আসনের ৫টিতে বিএনপি এবং ১টিতে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ জেলার ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতে বিএনপি মানোনীত প্রার্থী এবং ১টি আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁর রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম নির্বাচনী কন্ট্রোলরুম থেকে এই তথ্য প্রদান করেছেন। কন্ট্রোলরুম সুত্রে জানা গেছে নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-পোরশা-সাপাহার) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ১ লাখ ৪৯ হাজার ২০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মোঃ মাহবুবুল আলম পেয়েছেন ১লাখ ২৬ হাজার ৯৩ ভোট। নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ১লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রার্থী বিএনপি’র শামসুজ্জোহা খান পেয়েছেন ১লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩ ভোট। নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফজলে হুদা বাবুল ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তোর নিকটে তোমার প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামাত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৩৮ ভোট। নওগাঁ-৪ মান্দা আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডাক্তার ইকরামুল বারী টিপু ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী আব্দুর রাকিব পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮১৪ ভোট। নওগাঁ-৫ সদর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ জাহিদুল ইসলাম ধলু ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আ স ম সায়েম পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ২৩৬ ভোট। নওগাঁ-৬ (আত্রাই -রানীনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলাম ১ লাখ ৮ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মোঃ খবিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট।

  • দিনাজপুর-৬ আসনে জয়ী বিএনপি’র প্রার্থী ডা. জাহিদ

    দিনাজপুর-৬ আসনে জয়ী বিএনপি’র প্রার্থী ডা. জাহিদ

    দিনাজপুর-৬ আসনে জয়ী বিএনপি’র প্রার্থী ডা. জাহিদ

    দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১৫ হাজার ১৬৮ ভোট বেশি পেয়েছেন। ১৯৯টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফলে তিনি মোট ২ লাখ ৩ হাজার ৮৮৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭১৯ ভোট। জেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তাহমিনা সুলতানা নীলা রাত সাড়ে ১১টায় বিরামপুর উপজেলা অডিটোরিয়ামে সাংবাদিকদের কাছে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল জানান।

  • নাটোর-২ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী তালুকদার দুলুর বিজয়

    নাটোর-২ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী তালুকদার দুলুর বিজয়

    নাটোর-২ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী তালুকদার দুলুর বিজয়

    নাটোর-২ (নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাড. এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বেসরকারি ফলাফলে বিজয় লাভ করেছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিবন্ধী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ইউনূস আলী পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭৬৫ ভোট। মোট ভোটার ৪ লাখ ৬হাজার ৮৮৬ জন। সহকারী রিটার্নিং অফিসার আরিফ আদনান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।