Blog

  • রহনপুরে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের ১৮ দফা দাবিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী

    রহনপুরে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের ১৮ দফা দাবিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী

    রহনপুরে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের ১৮ দফা দাবিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী

    ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাব), গোমস্তাপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে নির্মাণ শ্রমিকদের দাবি দিবস উপলক্ষে রহনপুরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় র‌্যালীটি রহনপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাগদুয়ার পাড়ায় অবস্থিত সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। র‌্যালীতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শতাধিক নির্মাণ শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তারা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
    র‌্যালী শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাব) গোমস্তাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ সাইদ আলি, সহ-সভাপতি মোঃ সেন্টু ও আলমগীর, সহ-সাধারণ সম্পাদক এস্তাব আলী, সাধারণ সম্পাদক আঃ কাদেরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    বক্তারা বলেন, দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে নির্মাণ শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম হলেও তারা আজও ন্যায্য মজুরি, কর্মনিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত। সভায় শ্রমিকদের ১৮ দফা ন্যায্য দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন, শ্রমিকদের স্বাস্থ্যবিমা ও দুর্ঘটনা বিমা চালু, কাজের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, শ্রমিক কল্যাণ তহবিল কার্যকর করা এবং বয়স্ক শ্রমিকদের জন্য ভাতা চালু করা।
    বক্তারা দ্রুত এসব দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান এবং দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের সমাবেশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের সমাবেশ

     

    ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ ইনসাবের উদ্যোগে ১২ দফা দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে সরকারি কলেজে মোড়ে সমাবেশে মিলিত হয়। ইনসাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল কাইয়ুমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ইনসাবের প্রধান উপদেষ্টা শহীদুল হুদা অলক, সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতিন, সহ সভাপতি মজিবুর রহমান ভিখু, বারঘরিয়া আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক অসিম আলী।
    সমাবেশ থেকে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ ইনসাব ঘোষিত নির্মাণ শ্রমিকদের খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, শ্রম আইনের আলাদা অধ্যায়নসহ ১২ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহবান জানানো হয়।
    সমাবেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার নির্মাণ শ্রমিকরা অংশ নেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে এক সাংবাদিক ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি, প্রাণনাশের হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। রোববার সাড়ে ১১ টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রস ক্লাবে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আলী হোসেন বলেন তিনি দীর্ঘদিন ধরে দৈনিক স্বদেশসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সদর উপজেলার প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালনকালে এলাকায় চিহ্নিত মাদককারবারি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করেন তিনি।
    সংবাদ প্রকাশের জেরে চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জুয়েল রানা তাকে একাধিকবার মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন আলী হোসেন। তিনি দাবি করেন, জুয়েল রানা একজন মাদক মামলার হাজতবাস সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেও প্রকাশ্যে এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
    অভিযোগে আরও বলা হয়, মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে সংবাদ লেখার প্রতিশোধ নিতে সম্প্রতি শুক্রবার দিবাগত রাতে জুয়েল রানা আলী হোসেনের বাবার বাড়িতে হেরোইন জাতীয় বস্তু রেখে র‌্যাবের একটি দল কে দিয়ে রাতের আঁধারে অভিযান চালায়। এ সময় তার বাবাকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এবং তাঁর বাবার বসত বাড়ির একটি স্থানে ৩কেজি ১০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার দেখিয়ে গ্রেপ্তার করে এবরান আলী ৫৫ কে।

    বিষয়টি চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি করেছে তাঁর পরিবারটির মধ্যে।
    আলী হোসেন বলেন, “আমি একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে সমাজের মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে কলম ধরেছি। কিন্তু এর বিনিময়ে আমাকে ও আমার পরিবারকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের নিরবতায় আমরা চরম উদ্বেগে আছি।”
    তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসন এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেছেন।এ বিষয়ে ইউপি সদস্য জুয়েল রানার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
    এ বিষয়ে র‌্যাব- ৫ এর সিপিসি -১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
    মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজপ্রাপ্ত পলাতক আসামী জুয়েল রানা গ্রেফতার না হওয়ার বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে নির্দেশ দেওয়া হবে। জুয়েল রানার নামে যদি গ্রেফতারি পরোনা জারি থাকে তাহলে তাকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে জানান।

  • নাটোরের হালতি বিলে সোলার পাম্প দ্বারা সেচ পদ্ধতি চালু করলো এক কৃষক

    নাটোরের হালতি বিলে সোলার পাম্প দ্বারা সেচ পদ্ধতি চালু করলো এক কৃষক

    নাটোরের হালতি বিলে সোলার পাম্প দ্বারা সেচ পদ্ধতি চালু করলো এক কৃষক

     

    নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার হালতির বিলে এই প্রথম সোলার পাম্প দ্বারা ইরি চাষ পদ্ধতি চালু করেছে এক কৃষক। নিজ প্রচেষ্টায় এই সোলার পাম্প চালু করেন,উপজেলার পশ্চিম মাধনগর গ্রামের মোঃ জায়েদ আলী মীরের ছেলে মোঃ রমজান আলী। ২৬০০ ওয়াটের এই সোলার পাম্প দ্বারা ৩ হর্সের মোটর চলছে। সোলারটি চারদিকে ঘুরানো যায় ফলে যেদিকে সূর্যের আলো পড়বে সেদিকে ঘুরানো যায়। এ সোলার দ্বারা ১৫ বিঘা ইরি ধানে সেচ দেওয়ার আশা করছেন কৃষক রমজান আলী।
    কৃষক রমজান আলী বলেন,সে নিজ উদ্যোগে এই সোলার পাম্প তৈরি করেছেন। এই সোলার পাম্প তৈরিতে তার মোট ২ লক্ষ বিশ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এটা দ্বারা সে ১৫ বিঘা জমির ইরি ধান চাষ করার আশা করছেন।

    তিনি আরও জানান,এই সোলার পাম্পে পানি সেচ করতে কোন ঝামেলা হয় না। ভার্টিকেল করা আছে শুধু সুইচ অন করলেই পানি উঠে। এই সোলার পাম্পের বিশ বছরের গ্যারন্টি রয়েছে। স্বল্প খরচে ধান চাষ করতে পারবো। অন্যদিকে মেশিন দিয়ে ১০ বিঘা জমিতে ইরি চাষ করতে প্রায় ১ হাজার লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। শীতকালে মেশিন স্ট্রাট করাও খুব কষ্টকর। কেউ যদি সোলার পাম্প স্থাপন করতে চায় তাদের সার্বিক সহযোগিতা করতে পারবেন।
    মাধনগর ইউনিয়ন পরিষদের হিসারক্ষক মামুনুর রশিদ বলেন,আমাদের গ্রামের কৃষক মোঃ রমজান আলীর এমন উদ্যোগ,অন্যান্য কৃষকদের মাঝে সাড়া ফেলবে। কৃষকরাও অল্প খরচে চাষাবাদ করতে পারবে।
    নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমরা কৃষি বিভাগ থেকে পরির্দশন করবো এবং কৃষি বিভাগ থেকে সর্বাত্মক সহযোগি প্রদান করা হবে।

  • রক্তদহ বিল পুন:খননে প্রতিবছর অতিরিক্ত উৎপাদন হবে ১৭০ কোটি টাকা মূল্যের ফসল

    রক্তদহ বিল পুন:খননে প্রতিবছর অতিরিক্ত উৎপাদন হবে ১৭০ কোটি টাকা মূল্যের ফসল

    রক্তদহ বিল পুন:খননে প্রতিবছর অতিরিক্ত উৎপাদন হবে ১৭০ কোটি টাকা মূল্যের ফসল

    নওগাঁর রাণীনগর ও বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ২২০ হেক্টর জমি নিয়ে অবস্থিত রক্তদহ বিল। এই বিলকে ঘিরে গড়ে উঠেছে ২৩টি গ্রাম। যে গ্রামগুলোর মানুষরা বছরের পর বছর এই বিলকে ঘিরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। কিন্তু বিলটি পুন: খনন না করার কারণে বর্তমানে বছরের অধিকাংশ সময়ই জলাবদ্ধতায় আবদ্ধ থাকছে। যার ফলে কমেছে ফসলের উৎপাদন। কমেছে প্রাকৃতিক উপায়ে বড় হওয়া মাছের আধিক্য।
    জলাবদ্ধতার কারণে বর্তমানে বিলের জমিতে বছরে মাত্র একটি ফসল উৎপাদন হচ্ছে। যদি বিলটি পুন:খনন করা হয় তাহলে শত বছরের ঐতিহ্য রক্তদহ বিল থেকে প্রতিবছর ১৭০ কোটি টাকা মূল্যের অতিরিক্ত ফসল উৎপাদনের আশা করছে নওগাঁ বরেন্দ্র বহুমুখি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে বিলটি পুন:খননে বিলে যেমন নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে তেমনি ভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশে ফিরবে আমূল পরিবর্তন। তাই জীবিকার মান উন্নয়নে ও স্থানীয় অর্থনৈতিক চাকাকে আরো গতিশীল করতে এবং আগামীর টেকসই ও নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনির্মাণে ঐতিহ্যবাহী রক্তদহ বিলকে পুন: খননের কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবিদরা। ইতোমধ্যে রাণীনগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রক্তদহ বিলের আউটলেট রতনডারা খালের উপর গড়ে তোলা হয়েছে পাখি পল্লী ও মৎস্য অভয়াশ্রম। যে পর্যটন এলাকায় এসে প্রতিদিনই শত শত পর্যটকরা প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রকৃতির সান্নিধ্যে এসে পাখি পল্লীর সৌন্দর্য্য উপভোগ করছেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পাখি পল্লীর সঙ্গে রক্তদহ বিলের জলকেলি উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকদের আগমন ঘটছে। যদি রক্তদহ বিলটি পুন:খনন করা যায় তাহলে অত্র অঞ্চলের দৃশ্যপট পাল্টে যাবে। রক্তদহ বিলকে ঘিরে পর্যটনের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। এছাড়া পাখি পল্লীর সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে যার অধিকাংশ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের কাজও চলমান রয়েছে বলে জানান রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাকিবুল হাসান।

    নওগাঁ বরেন্দ্র বহুমুখি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা নওগাঁ জেলার রাণীনগর উপজেলা (আংশিক) ও বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলা (আংশিক) অংশের ২২০ হেক্টর জমি নিয়ে গড়ে উঠেছে রক্তদহ বিল। বিলে ইনলেট খালের সংখ্যা ২২টি যার দৈর্ঘ্য ১৮৫ কিলোমিটার আর আউটলেট খালের দৈর্ঘ্য ২২কিলোমিটার। জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিবছর ৪৫০০ হেক্টর জমিতে মাত্র এক ফসল উৎপাদন হয় যার ফলে বছরের পর বছর ২৩ টি গ্রামের ৭ হাজার কৃষক পরিবারের ৩৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বিলটি পুন:খনন না করার কারণে প্রতিবছর ১৭০ কোটি টাকা মূল্যের ফসল উৎপাদন করা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে স্থানীয় কৃষকরা।
    বিলকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমান, মুকুল হোসেনসহ অনেকেই জানান রক্তদহ বিল হচ্ছে দুটি উপজেলার সম্পদ কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত এই সম্পদের রক্ষনাবেক্ষণ না করার কারণে সরকার এই সম্পদ থেকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। যদি বিলটি পুন:খনন করা হয় তাহলে বিলের জমিতে বছরে তিনটি ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এছাড়া ফসলের পাশাপাশি মাছেরও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। ফলে বিলের চারপাশের হাজার হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবীদের জীবনচিত্র পাল্টে যাবে। পাল্টে যাবে এই অঞ্চলের দৃশ্যপট। তাই দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিলটি পুন: খননের কোন বিকল্প নেই।
    নওগাঁ বরেন্দ্র বহুমুখি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রেজাউল ইসলাম বিল পুন:খননের সুফল সম্পর্কে জানান যে, বর্তমানে জলাবদ্ধতার কারণে বিল এলাকায় বছরে একটি মাত্র ফসল উৎপন্ন হচ্ছে। বিল ও এর আশেপাশের খাল পুন:খনন করা হলে জলাবদ্ধতা দূর হয়ে বছরে তিনটি ফসল উৎপন্ন করা সম্ভব। খননে প্রতি হেক্টরে ১২ মেট্টিক টন হিসাবে বছরে অতিরিক্ত ৫৪০০০ মেট্টিকটন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হবে যার বাজার মূল্য প্রায় ১৭০ কোটি টাকা। খননকৃত বিল ও খালের মাটি দ্বারা ১০ফুট চওড়া পাকা গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ করা সম্ভব হবে এবং খাল ও বিলের পাড়ে নির্মিত রাস্তার ভাঙ্গন রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় রিটেইনিং ওয়াল/কংক্রিট ব্লক দ্বারা বাঁধাই/প্যালাসাইডিং নির্মাণ করা সম্ভব হবে। এতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হবে। পুন:খননের প্রকল্প সঠিক ভাবে বাস্তবায়িত করা গেলে এলাকায় বিশাল জলাধারের সৃষ্টি হবে যার ফলে প্রচুর মৎস্য উৎপাদন ও হাঁস পালন হবে যা দেশের মাছ, মাংস ও ডিমের চাহিদা পূরণসহ স্থানীয় জনগনের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। পরিবেশের উন্নতির জন্য নির্মিত গ্রামীণ সড়ক, খাল ও বিলের পাড়ে ফলজ, বনজ এবং ঔষধি গাছ রোপন করা সম্ভব। বড় জলাধার ও বৃক্ষরোপনের কারণে পাখির নিরাপদ অভয়াশ্রম গড়ে তোলা সম্ভব।

    তিনি আরো জানান বিল পুন:খননের পর বিলের চারিদিকে বিভিন্ন প্রকারের পরিবেশবান্ধব বৃক্ষরোপন করাসহ শিশুদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন স্থানে দোলনা, স্লিপার, ব্যালেন্সার ইত্যাদি স্থাপন করা হলে এলাকাটি স্থানীয় জনসাধারণের জন্য একটি বিশুদ্ধ ও সুস্থ বিনোদনের কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। যদি বিলটি পুন:খনন ও এতে সংরক্ষিত ভ’-পরিস্থ পানি সেচকাজে ব্যবহারের ফলে ভ’-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার যেমন হ্রাস পাবে তেমনি ভাবে ভ’-গর্ভস্থ পানির স্তরও বৃদ্ধি পাবে। দেশের এমন জাতীয় সম্পদকে সঠিক ও টেকসই ব্যবহারের উপযোগী করে তুলতে বিল পুন:খননের জন্য ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। তাই দেশের অর্থনৈতিক চাকাকে আরো চাঙ্গা করতে ও স্থানীয়দের জীবনমানকে পাল্টে দিতে বিলটি পুন:খননের কোন বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

  • নাটোরের সিংড়ায় এনসিপির প্রার্থী প্রত্যাহারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন

    নাটোরের সিংড়ায় এনসিপির প্রার্থী প্রত্যাহারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন

    নাটোরের সিংড়ায় এনসিপির প্রার্থী প্রত্যাহারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন

    নাটোর -৩ সিংড়া আসনে ১০ দলীয় জোটের এনসিপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি এবং মহাসড়ক অবরোধ করে জুলাই যোদ্ধা ও সিংড়ার সচেতন নাগরিক সমাজ।
    এনসিপির জেলা সমন্বয়ক জার্জিস কাদির বাবুকে ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা দিয়ে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
    এসময় বক্তব্য রাখেন, গোলাম রাব্বানি, সিরাজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, বায়োজিদ হোসেন, আল আমিন প্রমুখ।

    এর আগে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদজ পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তারা এনসিপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি জানান।
    অপর একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এনসিপির উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে তাদের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন।

  • নওগাঁয় ২ শতাধিক শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    নওগাঁয় ২ শতাধিক শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    নওগাঁ সদরের অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে নওগাঁ ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল এন্ড ফ্যাকো সেন্টারে এই কম্বল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা মৌসুমী’র সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ২শ’ অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতার্তদের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
    এসময় আরো উপস্তিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ মাসুদুল হক, মৌসুমী এ্যাডভাইজার হোসেন শহীদ ইকবাল, নির্বাহী পরিচালক এরফান আলী, কর্মসূচি সমন্বয়কারী আব্দুর রউফ পাভেল, চক্ষু হাসপাতালের ম্যানেজার সাখওয়াত হোসেন প্রমুখ।

  • সাত দিন নিখোঁজ থাকার পর নওগাঁয় নদী থেকে কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

    সাত দিন নিখোঁজ থাকার পর নওগাঁয় নদী থেকে কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

    নওগাঁ সরকারি কলেজের মেধাবী ছাত্র অভি। ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষে পড়াশোনা করছিল সে। আর মাত্র কিছুদিন পরই ফাইনাল পরীক্ষা-তারপর উচ্চতর ডিগ্রি, স্বপ্নের কর্মজীবন, পরিবারকে ভালো রাখার দৃঢ় প্রত্যয়। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে সেই স্বপ্নের জীবন আর শুরু হলো না। সবকিছু যেন এক নিমিষেই থেমে গেল।
    আজ আদরের সন্তানের নিথর দেহ কাঁধে তুলে নিতে হচ্ছে বাবা রমেশ চন্দ্রকে। যে কাঁধে ভর করেই সন্তানকে বড় করেছিলেন, সেই কাঁধেই আজ সন্তানের মরদেহ—এর চেয়ে ভারী বোঝা আর কিছু হতে পারে না। বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারের বাসিন্দা রমেশ চন্দ্রের বড় ছেলে অভি। ছোট মেয়ে এবার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। দুই সন্তানকে ঘিরেই ছিল তার যত স্বপ্ন, যত আশা। কিন্তু আজ সেই স্বপ্নগুলো নদীর জলে ভেসে গেছে।
    শনিবার বিকেলে নওগাঁ শহরের কালিতলা মহাশ্মশান সংলগ্ন নদী থেকে একটি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুরুতে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। সাত দিন আগে নিখোঁজ হওয়া ছেলের সন্ধানে থাকা অভির পরিবারের কাছে সেই খবর পৌঁছাতেই মুহূর্তে ভেঙে পড়ে পরিবারটি। বুকভরা শঙ্কা আর অজানা আতঙ্ক নিয়ে তারা ছুটে আসে নদীর তীরে।

  • ভালুকায় কংশেরকুল দরবারে বড় দোয়া অনুষ্ঠিত

    ভালুকায় কংশেরকুল দরবারে বড় দোয়া অনুষ্ঠিত

    ভালুকায় কংশেরকুল দরবারে বড় দোয়া অনুষ্ঠিত

    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া এলাকায় কংশের কুল দরবারে বৃহৎ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে (১৭জানুয়ারি) শনিবার বিকাল ৩.৩০টায়।
    এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি এবং দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সম্পাদক এ.এম.এম বাহাউদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ কোনো রাজনৈতিক দল বা নির্দিষ্ট ইসলামি দল দ্বারা গঠিত শক্তিশালী রাষ্ট্র হয়নি, এ দেশের জমিনকে শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়েছেন আল্লাহর ওলিরা। এই দেশ ৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশ। এখানে অসংখ্য আল্লাহর ওলি রয়েছেন, যাদের সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না।

    এ.এম.এম বাহাউদ্দীন আরও বলেন, এলাকার উন্নয়ন ও দেশ পরিচালনার জন্য একটি শক্তিশালী সরকার অপরিহার্য। এমন নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে যারা সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে। আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান। তার মনোনীত প্রার্থীদের সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। এতে দেশ ও জাতি সমৃদ্ধ হবে।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী।
    বড় দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন দরবারের গদিনশীন পীর মাওলানা আসাদুজ্জামান। দোয়া শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

  • ‘সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা সমালোচনা’ শীর্ষক আলোচনা

    ‘সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা সমালোচনা’ শীর্ষক আলোচনা

    আমার ‘সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা সমালোচনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে শিবপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাহিত্যের সন্ধানে শিবপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শহীদ আসাদ কলেজিয়েট গার্লস হাইস্কুল এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এবং বিশিষ্ট সাহিত্য অনুরাগী আবুল হারিস রিকাবদার।
    সাহিত্যের সন্ধানে শিবপুর উপজেলা কমিটি সভাপতি কবি মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভার উদ্বোধন করেন শিবপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর।
    আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাহিত্যের সন্ধানে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আসাদ সরকার। আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আবদুল মান্নান ভূঁইয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও সাহিত্যের সন্ধানে নরসিংদী জেলা কমিটির উপদেষ্টা কবি খাদেম রসুল সরকার এবং সাহিত্যের সন্ধানে নরসিংদী জেলা কমিটি উপদেষ্টা, সাহিত্য সমালোচক মঈনুল ইসলাম মিরু।
    সাহিত্যের সন্ধানে শিবপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সায়েম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইকবাল হোসেন, শিবপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান আসাদ, সাবেক সভাপতি এস এম খোরশেদ আলম, সাহিত্যের সন্ধানে নরসিংদী জেলা কমিটির উপদেষ্টা কবি ও লেখক এড. মাহবুব আলম লিটন, সাহিত্যের সন্ধানে নরসিংদী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক খোকন, সদস্য কবি ও গল্পকার মিলন বাশার ও শিবপুর সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হাসান। আলোচনা সভায় উপজেলার বিভিন্ন কবি, সাহিত্যিক, লেখক ও সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
    আমার গল্প, উপন্যাস ও কবিতার বই নিয়ে সাহিত্যবিদগ্ধ জনদের কাছ থেকে এত উচ্চ প্রশংসা পাবো-কোনদিন ভাবিনি। পাশাপাশি কিছু সমালোচনা হয়েছে। এই সমালোচনা আমার ভবিষ্যতের পাথেয় হয়ে থাকবে।