Blog

  • আক্কেলপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতির পিতার মৃত্যুতে শোক

    আক্কেলপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতির পিতার মৃত্যুতে শোক

    আক্কেলপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতির পিতার মৃত্যুতে শোক

    উপজেলা প্রেসক্লাব আক্কেলপুর জয়পুরহাটের সভাপতি মীর মো:-আতিকুজ্জামান মুনের পিতা আলহাজ্ব (অ:) স্টেশন মাস্টার মীর মো:-কমরুজ্জামান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না … রাজেউন)। আক্কেলপুর উপজেলার রোয়ার গ্রামে নিজ বাসভবনে সোমবার দিবাগত রাত ২:২৫ ঘটিকায় ১০৮ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিরেন দাস ও যুগ্ম-সাঃ সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হানসহ সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্যগণ গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। এছাড়াও জেলা, উপজেলা প্রেসক্লাবসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ আলহাজ্ব (অ:) স্টেশন মাস্টার মীর মো:-কমরুজ্জামান মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

  • সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে হত্যার প্রতিবাদে নীলফামারীর ডোমারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টায় ডোমার রেলগেট সংলগ্ন বাটার মোড়ে এ কর্মসূচি আয়োজন করে ডোমার প্রেসক্লাব। এতে অংশ নেন উপজেলা ও জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ। ডোমার প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাফফর আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রওশন রশিদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বিভিন্ন সংবাদকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, সাংবাদিক তুহিন ছিলেন সস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভীক সংবাদকর্মী। তার ওপর হামলা ও হত্যা শুধু একজন সাংবাদিককে হত্যাই নয়, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনস্বার্থের উপর সরাসরি আঘাত। তারা অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। নীলফামারী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ইয়াসীন মো. সিথুন বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দেশে সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা বন্ধ না হলে গণমাধ্যমকর্মীরা কঠোর আন্দোলনে যাবে। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, ডোমার রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক রতন রায়, আমার দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আব্দুর রাজ্জাক, রিপোর্টস ক্লাবের সম্পাদক সাংবাদিক আলমগীর হোসেন, শিশু সাংবাদিক মাহমুদ হাসান, রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি জুলফিকার আলি, সাংবাদিক আবু ফাত্তাহ কামাল প্রমুখ। মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্রনেতা মাহির মিলন এবং সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর উপজেলা সভাপতি গোলাম আইয়ুব কুদ্দুসসহ অন্যরা।

  • র‌্যাবের অভিযানে হত্যা মামলার এক আসামী আটক

    র‌্যাবের অভিযানে হত্যা মামলার এক আসামী আটক

    র‌্যাবের অভিযানে হত্যা মামলার এক আসামী আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের চাঞ্চল্যকর রফিকুল হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৩নং আসামী পারুল হক’কে মিরপুর মডেল থানাধীন কল্যান নতুন বাজার এলাকা হতে আটক করেছে র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্য এবং র‌্যাব-৪ সিপিসি সদর, মিরপুর এর সদস্যরা। আটককৃত আসামী হচ্ছে, জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বাবুপুর গ্রামের মোঃ আহসান আলীর ছেলে মোঃ পারুল হক (৪০)। র‌্যাবের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং র‌্যাব-৪ সিপিসি সদর, মিরপুর এর যৌথ অভিযানে হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক ৩নং আসামী মোঃ পারুল কে সোমবার ১১ আগষ্ট ২০২৫ তারিখ রাত সোয়া এক টার দিকে মিরপুর মডেল থানার কল্যান নতুন বাজার এলাকা হতে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ায় পাবনায় মাহফিজুর রহমান সাগরকে সংবর্ধনা

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ায় পাবনায় মাহফিজুর রহমান সাগরকে সংবর্ধনা

    ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ী পাবনার কৃতি সন্তান সাতারু মাহফিজুর রহমান সাগর কে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ টায় দ্বীপচর জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পক্ষ থেকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলের উপদেষ্টা আব্দুল কাদের মিঠুর পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মহরম হোসেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান, রোটারিয়ান আলতাফ হোসেন, সাতারু সাগরের সহধর্মিনী ক্রীড়াবিদ নাইমা রহমান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জিন্নাহ মালিথা, নাসিম হায়দার, আব্দুস সাত্তার মৃধা প্রমূখ। এসময় সাঁথিয়া জোড়গাছা কলেজের প্রভাষক শফি কামাল, সাংবাদিক আর কে আকাশসহ জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়া প্রসঙ্গে মাহফিজুর রহমান সাগর বলেন, একেবারে ছোটবেলা থেকে ব্রজেন দাসের ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার গল্প পড়েছি ও শুনেছি। যখন সাঁতারু হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করি তখন আরেক কিংবদন্তী সাঁতারু মোশাররফ হোসেন খানের ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার বিষয়টি জেনেছি। আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করব। সেটা অবশেষে করতে পেরেছি। একজন মানুষ যখন দীর্ঘদিন থেকে একটি স্বপ্ন লালন করে, সেটা বাস্তবায়ন হলে অনুভূতির ভাষা থাকে না। আমারও অনেকটা তাই। সংবর্ধনা দেয়ায় তিনি জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, ব্রজেন দাস, আবদুল মালেক, মোশাররফ হোসেনের পর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন বাংলাদেশের আরও দুই সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর ও নাজমুল হক হিমেল। ৬ জনের রিলে ১২ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময়ে ইংল্যান্ড থেকে ফ্রান্স প্রান্ত স্পর্শ করেছেন তারা। এশিয়ার প্রথম সাঁতারু হিসেবে ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ সালের মধ্যে ছয়বার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন বাংলাদেশের ব্রজেন দাস। এরপর ১৯৬৫ সালে আবদুল মালেক ও ১৯৮৭ সালে মোশাররফ হোসেন সফলভাবে পাড়ি দিয়েছিলেন এই চ্যানেল। সর্বশেষ বাংলাদেশের দুই সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর ও নাজমুল হক হিমেল চ্যানেলটি পাড়ি দিয়েছেন।

  • গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

    গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

    ফরিদপুর সদর উপজেলায় এক গৃহবধূর শরীরে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে তার স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার (১১ আগষ্ট) ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত রয়েল মণ্ডল সদর উপজেলার পরানপুর গ্রামের হালিম মণ্ডলের ছেলে। মামলার বরাতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন জানান, রয়েল মণ্ডলের সাথে সদর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের শোলাকুণ্ডু গ্রামের আ. রহিম খাঁর মেয়ে মালিনার বিয়ে হয়। যৌতুকের দাবিতে মেয়েকে মারধরের খবর পেয়ে ২০১১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকালে জামাই বাড়ি থেকে মেয়েকে আনতে যার রহিম। রাত ৮টার দিকে মেয়ে ও নাতিদের নিয়ে বের হওয়ার সময় আসামিরা মালিনাকে জোর করে ধরে বাড়ির পাশে গম ক্ষেতে নিয়ে শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ঢাকায় নেওয়ার পথে মালিনা মারা যায়। এ ঘটনায় মালিনার বাবা কোতোয়ালি থানায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মালিনার স্বামীকে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাকে আরও তিন বছর করাদন্ডের আদেশ দেন বিচারক। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অন্য তিন আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

  • গলা কেটে কণ্ঠরোধ নয়!-সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে উত্তাল মানববন্ধন, হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি

    গলা কেটে কণ্ঠরোধ নয়!-সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে উত্তাল মানববন্ধন, হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি

    গলা কেটে কণ্ঠরোধ নয়!

    সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে উত্তাল মানববন্ধন, হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি

    গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গলা কেটে নৃশংস হত্যার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ। হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রোববার (১০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাংবাদিক সমাজের আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা মন্টু, সাবেক সভাপতি শহিদুল হুদা অলক, প্রথম আলোর প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন দিলু, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসেন শাহনেওয়াজ, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রফিকুল আলম,

    জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন জুয়েল এবং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ। এছাড়া দৈনিক চাঁপাই দর্পণের নিজস্ব প্রতিনিধি মোঃ ইসাহাক আলীসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তারা ক্ষোভ জানিয়ে বলেন— “এটি শুধু একজন সাংবাদিককে হত্যা নয়, এটি পুরো গণমাধ্যমের ওপর প্রকাশ্য আক্রমণ। যারা সত্যের পক্ষে লিখে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাদের গলা কেটে ভয় দেখানো হচ্ছে। কিন্তু মনে রাখবেন— গলা কেটে কণ্ঠরোধ করা যাবে না, লেখনী থামানো যাবে না।”

    তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলাদা সাংবাদিক সুরক্ষা ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানান এবং সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন, হামলা ও হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। বক্তারা স্পষ্ট করে বলেন— তুহিন হত্যার নেপথ্যের শক্তি যেই হোক না কেন, এই হত্যাকারীদের আইনের আদালতের জায়গাতেই ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মশক নিধনে পৌরসভার উদ্যোগ, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মশক নিধনে পৌরসভার উদ্যোগ, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মশক নিধনে পৌরসভার উদ্যোগ, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছে। রোববার (১০ আগস্ট) দুপুরে পৌরসভা ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পৌরসভার কার্যক্রম, চলমান মশক নিধন অভিযান এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। পৌর কর্তৃপক্ষ জানান, নিয়মিত ফগিং ও লার্ভিসাইড ছিটানো অব্যাহত রয়েছে এবং নালা-ড্রেন পরিষ্কারসহ মশার বংশ বিস্তার রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

    মতবিনিময় সভায় পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে ও টাউন প্লানার মোঃ ইমরান হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা মন্টু, সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ শহিদুল হুদা অলক শহিদুল, টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ রফিকুল আলম, সাংবাদিক জাকির হোসেন পিংকু, ফয়সাল মাহমুদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আজিজ খাঁন।

    এসময় পৌর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জনসচেতনতার পাশাপাশি পৌরসভার কার্যক্রমে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • হারিয়ে যাচ্ছে বরেন্দ্র জনপদ থেকে দেশীয় প্রজাতির পাখ-পাখালি!

    হারিয়ে যাচ্ছে বরেন্দ্র জনপদ থেকে দেশীয় প্রজাতির পাখ-পাখালি!

    হারিয়ে যাচ্ছে বরেন্দ্র জনপদ থেকে দেশীয় প্রজাতির পাখ-পাখালি!

    এক সময়ে গোমস্তাপুর উপজেলাসহ বরেন্দ্র জনপদের মাঠেঘাটে, বন-জঙ্গলে, গাছে গাছে জাতীয় পাখি দোয়েলসহ বিভিন্ন ধরনের পাখি দেখা গেলেও কালের আবর্তে এখন আর চিরচেনা পাখিগুলোর দেখা মেলে না। পাখির কলরবে মুখর বরেন্দ্র জনপদ এখন পাখিশূন্য হতে চলেছে। একজন প্রবীণ ব্যক্তি জানান, আমাদের বরেন্দ্র অঞ্চলে পাখির কিচিরমিচির সেই শিহরণ জাগানো শব্দ, সেই সুর এখন আর শোনা যায় না। সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় বাঁশের ঝাড়, আমের বাগান, বিলগুলোতে শত রকমের পাখি দেখা যেত, আজ তা আর চোখে পড়ে না।

    তিনি আরো জানান, ওই সময়ে একশ্রেণীর সৌখিন পাখি শিকারি পাখি মেরে এনে ভুরিভোজ করতেন। আর এক শ্রেণীর সৌখিন পাখি শিকারি খুব সুকৌশলে পাখিগুলো ধরে এনে খাঁচাবন্দি করে পালন করতেন। একজন পরিবেশবিদ জানান, কয়েক বছর আগেও বরেন্দ্র জনপদের মানুষের ঘুম ভাংতো পাখির ডাকে। পাখির কলকাকলিই বলে দিত এখন সকাল।

    তিনি আরো জানান, বনে-জঙ্গলের অপরূপ দৃশ্যপট যেমন দিন দিন পাল্টাচ্ছে। তেমনি পরিবেশ দূষণ, নির্বিচারে গাছ কর্তন, জমিতে কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার, পাখির বিচরণ ক্ষেত্র, খাদ্য সঙ্কট আর জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে বিলুপ্তির পথে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় পাখ-পাখালি। এগুলোর মধ্যে দোয়েল, জলচর, কোকিল, পাঁতি হাস, বক, পানকৌড়ি,

    ঈগল, রাজহংসী, গাঙচিল, রাজহাঁস, বাজপাখি, দাঁড়কাক, তোতাপাখি, ময়ূর, পায়রা, মাছরাঙা, পালক, শালিক, চড়ই, পেঁচা, শকুনের নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পাখির আবাসস্থলে গাছ কাটার প্রভাব, বরেন্দ্র অঞ্চলের জমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক প্রয়োগ, বিভিন্ন মৌসুমে পাখি শিকার এবং জলবায়ুসহ পরিবেশের ব্যাপক পরিবর্তনের কারণে অনেক পাখিই অন্যত্র চলে যাচ্ছে। এদিকে, পাখি শিকার বন্ধ ও পরিবেশ রক্ষায় এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা সময়ের দাবি বলে সচেতন মহল মনে করেন।

  • সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে দেশজুড়ে সাংবাদিকদের মানববন্ধন ॥ ক্ষুদ্ধ মিডিয়াকর্মীরা

    সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে দেশজুড়ে সাংবাদিকদের মানববন্ধন ॥ ক্ষুদ্ধ মিডিয়াকর্মীরা

    গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সারাদেশের সাংবাদিক সমাজ। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ আইন প্রণয়ন এবং নিহতের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার দাবিতে শনিবার দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সাভার প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শনিবার দুপুরে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সাভার প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি নাজমুল হুদা বলেন, “তুহিনের হত্যা শুধু একজন সাংবাদিকের প্রতি নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজের বিরুদ্ধে হুমকি। দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে।” বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক ইমদাদুল হক, নির্বাহী সদস্য আকলাকুর রহমান, একুশে টিভির শাহেদ জুয়েল, গ্লোবাল টিভির তোফায়েল হোসেন তোফাসানী, এটিএন বাংলার শেখ আবুল বাশার প্রমুখ। তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
    বারহাট্টা প্রেসক্লাবের আয়োজনে শনিবার প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি শামছ উদ্দিন আহমেদ বাবুল বলেন, “তুহিনের হত্যার বিচার যেন সাগর-রুনির হত্যার বিচারের মতো ঝুলে না থাকে। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।” বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ফারুক, ফেরদৌস আহমেদ বাবুল, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির নয়ন, নারী প্রগতি সংঘের মাজহারুল ইসলাম মাজু প্রমুখ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ এতে অংশ নেন।
    দুমকি উপজেলায় শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় নতুন বাজারে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ব্যানারে মানববন্ধন হয়। সভাপতি এম আমির হোসেনের নেতৃত্বে ও আরিফ হোসেন আরাফার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমসের মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ইত্তেফাকের অধ্যক্ষ জামাল হোসেন, সমকালের এবাদুল হক, দিনকালের সাইদুর রহমান খান প্রমুখ। একই দিন সাড়ে ১১টায় এশিয়ান টিভির আবুল হোসেনের নেতৃত্বে আরেকটি মানববন্ধন হয়, যেখানে আমার দেশের কামাল হোসেন, যুগান্তরের সহিদুল ইসলাম সরদার, ভোরের কাগজের হারুন অর রশিদ বক্তব্য রাখেন।
    সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর উদ্যোগে শনিবার সকালে ফেনী শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন হয়। সভাপতি সিদ্দিক আল মামুনের নেতৃত্বে ও ইয়াছিন সুমনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, এবি পার্টির ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম বাদল, ইসলামী আন্দোলনের গাজী এনামুল হক ভূঁইয়া, বাংলাভিশনের রফিকুল ইসলাম, আরটিভির আজাদ মালধার প্রমুখ। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা এতে অংশ নেন।
    কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শনিবার দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা হয়। সভাপতি সরকার আব্দুল আলীমের নেতৃত্বে ও সেলিম হোসেন সানির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক কালের কণ্ঠের এম মাহবুব হাসান মেহেদী, আমার দেশের আব্দুল আলীম অভি, আরটিভির কামাল হোসেন বিপ্লব, মোহনা টিভির আলহাজ হোসেন প্রমুখ। তারা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
    নবীনগর প্রেসক্লাবের আয়োজনে শনিবার দুপুর ১টায় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন হয়। সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তির নেতৃত্বে ও শাহনূর খান আলমগীরের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মাহাবুব আলম লিটন, শ্যামা প্রসাদ চক্রবর্তী, জালাল উদ্দিন মনির, সাংবাদিক গৌরাঙ্গ দেবনাথ অপু প্রমুখ।
    পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে শনিবার সকালে মানববন্ধন হয়। সভাপতি মো: হাজী জাহিদ বলেন, “তুহিনের হত্যা সাংবাদিকদের নিরাপত্তাহীনতার প্রমাণ। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।” বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক নূরে-আলম রনি, জাহাঙ্গীর কবির, আল-আমিন মিয়া।
    পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে শনিবার দুপুরে প্রেসক্লাবের সামনে এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন হয়। সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, রানীশংকৈল প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফুল আলম, দৈনিক ইত্তেফাকের মেহের এলাহী, ফজলুল কবির প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
    নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে শনিবার সাড়ে ১১টায় মানববন্ধন হয়। এখন টেলিভিশনের নাসিম শুভর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বৈশাখী টিভির লিয়াকত আলি খান, ৭১ টেলিভিশনের মিজানুর রহমান, এস এ টেলিভিশনের আব্দুর রহিম বাবুল, বাংলাদেশ প্রতিদিনের আকবর হোসেন প্রমুখ। সোনাইমুড়ি, বেগমগঞ্জ ও কবিরহাটেও মানববন্ধন হয়।
    ভালুকা প্রেসক্লাবের আয়োজনে শনিবার দুপুরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মানববন্ধন হয়। সভাপতি এমএ মালেক খান উজ্জল বলেন, “দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।” বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান পাঠান কামাল, যুগান্তরের জহিরুল ইসলাম। স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।
    শ্রীনগরে বিক্রমপুর টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ও শ্রীনগর প্রেসক্লাবের আয়োজনে শনিবার সকাল ১১টায় ডাকবাংলো মোড়ে মানববন্ধন হয়। বক্তব্য রাখেন এম তরিকুল ইসলাম, শ্রীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, শেখ আসলাম, আসাদুজ্জামান জীবন, মেহেদী হাসান সুমন প্রমুখ।
    চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট চত্বরে শনিবার সকালে তিন ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন হয়। প্রবীণ সাংবাদিক মাষ্টার নুরুল আলমের সভাপতিত্বে ও জাবের বিন রহমান আরজুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা মোজাহেরুল কাদের, আবিদুর রহমান বাবুল, এসএম মহিউদ্দিন, জাহেদুল ইসলাম প্রমুখ।
    নড়াইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শনিবার সকাল ১১টায় প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন হয়। সভাপতি এস এম আব্দুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ লাবলু, আজিজুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম তুহিন, মলয় কান্তি নন্দী বক্তব্য রাখেন। লাকসাম প্রেসক্লাবের আয়োজনে শনিবার বিকেলে কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কে মানববন্ধন হয়। সভাপতি নুর উদ্দিন জালাল আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল উদ্দিন, আবুল হোসেন বাবুল, মোঃ শহিদুল ইসলাম শাহীন বক্তব্য রাখেন।
    দেবিদ্বারে শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের স্বাধীনতা চত্বরে মানববন্ধন হয়। বক্তব্য রাখেন দৈনিক কালের কণ্ঠের এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, সমকালের সৈয়দ খলিলুর রহমান বাবুল, মুক্ত খবরের মো. ময়নাল হোসেন, নয়া দিগন্তের মো. ফখরুল ইসলাম সাগর প্রমুখ।
    গুরুদাসপুর শাপলা চত্বরে শনিবার সাড়ে ১১টায় মানববন্ধন হয়। চলনবিল প্রেসক্লাবের সভাপতি এমএম আলী আক্কাস, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, আবুল কালাম আজাদ বক্তব্য রাখেন। তারা তুহিনের পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তার দাবি জানান। সাংবাদিকরা একযোগে বলেন, তুহিনের হত্যা দেশের সাংবাদিক সমাজে গভীর উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতার আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত বিচার আইনে শাস্তি, সাংবাদিক সুরক্ষা আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং নিহতের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার দাবি জানান।
    পাটগ্রামে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় চৌরঙ্গী মোড়ে মানববন্ধন হয়। ইফতেখার আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পাটগ্রাম পৌর বিএনপির সভাপতি মোস্তফা সালাউজ্জামান ওপেল, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল হক প্রধান, পাটগ্রাম উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও মিডিয়া প্রচার সম্পাদক মাসুদ আলম, চরমোনাই নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক কামরান হাবিব, আব্দুল মান্নান, শহিদুল ইসলাম, সাইফুল সবুজ প্রমুখ।
    সদরপুরে শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন হয়। বক্তব্য রাখেন সাব্বির হাসন, শিমুল তালুকদার, আবুর বাসার মিয়া, সাঈদুর রহমান লাভলু, প্রভাত কুমার সাহ, তানভীর তুহিন। সাংবাদিকরা একযোগে বলেন, তুহিনের হত্যা দেশের সাংবাদিক সমাজে গভীর উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতার আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে বিচার আইনে শাস্তি, সাংবাদিক সুরক্ষা আইনের বাস্তবায়ন এবং নিহতের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার দাবি জানান।

  • রাজশাহীতে ৩৫ কোটি টাকার ১২টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

    রাজশাহীতে ৩৫ কোটি টাকার ১২টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

    রাজশাহীর উন্নয়নে যুক্ত হলো আরও একটি নতুন অধ্যায়। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগর এলাকায় মোট ১২টি গরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শনিবার রাজশাহী সার্কিট হাউসে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফিতা কেটে ও বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে এসব প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ এনডিসি, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। উল্লেখযোগ্য এসব উন্নয়ন প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। এগুলো বাস্তবায়ন হলে রাজশাহীর শিক্ষা, যাতায়াত, বাজার ব্যবস্থাপনা ও কৃষি সেচ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যেসব প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে-তানোর উপজেলার কাশেম বাজার থেকে বায়া রাস্তা প্রশস্তকরণ, যা স্থানীয় জনগণের চলাচলে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন লক্ষীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারতলা নবনির্মিত ভবন, শিক্ষাক্ষেত্রে মানোন্নয়নের নতুন দৃষ্টান্ত। গোদাগাড়ী উপজেলার ৭২ মিটার দীর্ঘ পান্তাপাড়া-কদমশহর ভাগাইল সেতু নির্মাণ কাজ, যা দুই এলাকার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে। বাগমারা উপজেলার একতলা ভূমি অফিসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, ভূমি সেবায় গতিশীলতা আনবে। পবা উপজেলার হরিপুর হাটের নবনির্মিত দ্বিতীয় মার্কেট ভবন, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সুযোগ। মোহনপুর উপজেলার ধোরসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও উপযুক্ত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করবে। গোদাগাড়ী উপজেলার সোনাদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন। বাগমারা উপজেলার বীরকুৎসা হাটের দোতলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। বাঘা উপজেলার চক ছাতারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন। চারঘাট উপজেলার নিমপাড়া-হাবিবপুর খালের পলি অপসারণ কাজের উদ্বোধন, যা কৃষি জমির সেচে সহায়ক হবে। হড়গ্রাম নতুনপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত দ্বিতীয় তলা ভবন, রাসিকের আওতাধীন। রাজশাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহের উদ্বোধন, ধর্মীয় এবং সামাজিক কার্যক্রমে বড় ভূমিকা রাখবে। উদ্বোধনকালে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য আমরা সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছি। এসব প্রকল্প শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নেও সহায়ক হবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এসব প্রকল্পের কাজ সঠিক সময়ে এবং মানসম্মতভাবে সম্পন্ন হলে রাজশাহীর সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।